MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা
Author

Dr. Baby Akter

Baby-Akter
Dr. Baby Akter

ডা. বেবী আক্তার, একজন সরকারী রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথ ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য, রোগব্যাধি ও পুষ্টি বিষয়ে একজন নিবেদিত লেখক। বিগত ১০ বছর ধরে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্পর্কে তথ্য প্রচারের লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করছি। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীদের সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং তাদের সুস্থ জীবনের জন্য সচেতন করে তোলাই আমার অন্যতম লক্ষ্য। milhomeo.com এ স্বাস্থ্য বিষয়ক নিয়মিত লেখালেখি করে যাচ্ছি, যেখানে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা, রোগ প্রতিরোধ, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্য সচেতনতার উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আপনারা আমার এই ওয়েবসাইটে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য জানতে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারেন।

কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 23/09/2023
written by Dr. Baby Akter

আপনার যদি কখনও কানের সংক্রমণ হয়ে থাকে, তবে আপনিই জানেন যে তা কতটা অস্বস্তিকর হতে পারে। কান ব্যথা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ের জন্য বেদনাদায়ক, তবে আপনি যদি জানেন কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তার চিকিৎসা তাহলে খুব সহজেই কানের সংক্রমণ  ও যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। 

ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস এর কারণে সাধারণত কানের সংক্রমণ ঘটে (Acute otitis media)। আবার অ্যালার্জি, সর্দি, বা উপরের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণেও কানের সংক্রমণ হয়। যখন কানের ভিতরের টিউবগুলি তরল এবং শ্লেষ্মা দিয়ে পূর্ণ হয়, তখন এটি সংক্রমণের কারণ হয়।

বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি কানের সংক্রমণ হয় এবং বেশিরভাগেরই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ৩ বছর হওয়ার আগে অন্তত একটি  কানের সংক্রমণ হয়ে থাকে। বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় মধ্য কানের সংক্রমণের একটি প্রধান কারণ হল তাদের (shorter eustachian tubes) রয়েছে।

কান পাকা রোগ হওয়ার মূল কারণ হলো মধ্য কর্ণের প্রদাহ। যদি এটা দ্রুত রোগ নির্ণয় করা না যায় অথবা অপর্যাপ্ত চিকিৎসা নেওয়া হয় তবেই দীর্ঘমেয়াদি কান পাকা রোগ হয়।

কানের সংক্রমনের লক্ষণসমুহ:

  • কানের ভেতরের ব্যথা
  • জ্বর
  • শ্রবণ ক্ষমতার হ্রাস
  • ঘুমের সমস্যা
  • ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা
  • কান থেকে তরল নিষ্কাশন
  • গলা ব্যথা

কানের সংক্রমণের জন্য সেরা কার্যকর ১২ টি ব্যথা বা যন্ত্রনা উপশমকারী পদ্ধতি

 ১. ঠান্ডা বা উষ্ণ সেক 

উষ্ণ এবং ঠান্ডা উভয় কম্প্রেসই কানের সংক্রমণ থেকে ব্যথা উপশম করতে পারে। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য একটি গরম প্যাড বা ঠাণ্ডা ওয়াশক্লথ কানের কাছে ধরে রাখুন বা একটি সহজ কানের সংক্রমণের প্রতিকারের জন্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য গরম এবং ঠান্ডার মধ্যে বিকল্প একটি হিটিং প্যাড বা আইস প্যাকও ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. রসুন তেল

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য সহ, কানের ইনফেকশন হতে পারে এমন ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসগুলিকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রসুনের কুঁচি মিশিয়ে গরম করে ঠান্ডা করুন। তারপর ড্রপের সাহায্য এই তেল কানে প্রয়োগ করতে হবে 

৩. পেঁয়াজ

পেঁয়াজ শুধু রান্নার কাজেই ব্যবহার হয় তা নয় এই পেঁয়াজ কখনো রোগ সারাতে কাজে আসে। পেঁয়াজ ডিসইনফেকটেন্ট হওয়ায় কান পাকা রোগ সারাতে দারুন কাজে আসে। এবং কানের পুঁজ বের করতে সাহায্য করে। পেঁয়াজ কে থেঁতো করে তার থেকে রস বার করে কয়েক মিনিট গরম করুন। তারপর পেঁয়াজের রস কয়েক ফুটা কানে দিলে দেখবেন জমে থাকা পুঁজ আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসবে। আর পুঁজ বের হলেই ব্যাথা কমে যাবে।

৪. ঘাড় ব্যায়াম

ঘাড়ের ব্যায়াম যা ঘাড় ঘুরিয়ে কানের সংক্রমণের কারণে কানের খালে চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। ঘাড় ঘোরানোর ব্যায়াম যেভাবে করবেন – বসুন বা সোজা হয়ে দাঁড়ান। আপনার ঘাড় ডানদিকে ঘোরান যাতে এটি আপনার ডান কাঁধের সাথে সমান্তরাল হয়। পাঁচ থেকে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। বাম দিকে এই অনুশীলনটি পুনরাবৃত্তি করুন। আবার আপনার কাঁধ উঁচু করুন ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। সারা দিন এই ব্যায়াম বেশ কয়েকবার করুন।

৫. মুলেইন

মুলিন গাছের ফুল থেকে তৈরি তেল কানের সংক্রমণের জন্য একটি কার্যকর ব্যথা উপশমকারী। মুলেইন বেশিরভাগ হেলথ ফুড স্টোরে স্ট্যান্ড-অলোন টিংচার  হিসেবে পাওয়া যায়।

৬. ভিটামিন ডি

ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একটি স্বাস্থ্যকর ইমিউন সিস্টেম কানের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। Acta Paediatrica-এ প্রকাশিত ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, খাদ্য গ্রহণ, পরিপূরক এবং সরাসরি সূর্যালোকের মাধ্যমে ভিটামিন ডি-এর সিরাম মাত্রা বৃদ্ধি করে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে।

৭ . নিমপাতার রস

নিমপাতার রস ব্যথা কমাতে পারে। বেশ কয়েকটা পরিষ্কার নিমপাতা পাটায় থেঁতলে রস বের করুন। দুই তিন ফোটা রস সরাসরি কানে দিন। চাইলে নিমের তেলে কানে দিয়ে একভাবে শুয়ে থাকুন। ব্যথা কমবে।

৮. সাদা ভিনেগার

কানের সংক্রমণ কমাতে ভিনেগারের মধ্যে যে অ্যাসিড থাকে তা অত্যন্ত কার্যকরী। একটা পাত্রে সমপরিমাণে সাদা ভিনিগার আর রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ড্রপার দিয়ে সংক্রমিত কানে দুই তিন ফোটা দিন। পাঁচ মিনিট ওভাবেই শুয়ে থাকুন। তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে তরলটা কান থেকে বের করে দিন।

৯. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড:

কানের সমস্যা এড়াতে কার্যকরী ঘরোয়া চিকিৎসা হল হাইেড্রাজেন পারঅক্সাইড। এটি কানের ভিতরে জমে থাকা পুঁজ আস্তে আস্তে শুকিয়ে দেয়। কান পাকা রোধ করতে সাহায্য করে। যে কান পেকেছে তাতে ৩ শতাংশ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিন। তারপর যে কানে সমস্যা তা নিচে দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। তাহলে আস্তে আস্তে কান থেকে পুঁজ বের হয়ে যাবে। দিনে কয়েকবার এমন করতে পারেন এতে কানের পুঁজ বের হয়ে দ্রুত কান পাকা ভাল হয়ে যাবে।

১০.পুদিনা

কয়েকটি পুদিনা পাতা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে তা  থেঁতো করে রস বের করুন। তারপর দুই-তিন ফোঁটা রস কানে দিন। কান পাকা প্রতিরোধের জন্য এটি খুব প্রচলিত একটি ঘরোয়া উপায়। পুদিনার পাতা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে এবং যে কোন ব্যাথা দূর করতে ও সহায়তা করে। কান পাকা ও কানের ব্যাথা দূর করতে পুদিনা পাতা ভাল কাজ করে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

পুরাতন বা নতুন আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকার

by Dr. Baby Akter 03/09/2023
written by Dr. Baby Akter

আমাশয় একটি মূলত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ। মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী সংক্রমণ করলে এই রোগ হয়। আমাশয় হলে পেট কামড়ানোসহ মলের সঙ্গে পিচ্ছিল আম অথবা শ্লেষ্মাযুক্ত রক্ত যায়। পেটে ব্যথাও স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ঘন ঘন মলত্যাগ হয় সেই সাথে অনেকের জ্বর ও বমি বমি ভাব থাকে। আমাশয় দুই ধরনের হয়ে থাকে: ১. অ্যামিবাঘটিত আমাশয় এবং ২. দণ্ড-ব্যাকটেরিয়াঘটিত (ব্যাসিলারি) আমাশয়। তবে দুই ধরণের আমাশয় রোগ-ই ঘরে বসে প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সহজে সুস্থ হওয়া যায়।  

আমাশয় হলে পানিশূন্যতা পূরণের জন্য প্রতিবার পায়খানার পর ওরস্যালাইন খাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এক সপ্তাহের মধ্যেই সাধারণত আমাশয় নিরাময় হয়ে যায়।

কিভাবে সহজলভ্য রোগের ঘরোয়া উপাদান দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে আমাশয় নিরাময় করা যায়?

প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান সমুহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। ‍কিন্তু এসব উপাদান সমুহের সঠিক সময়ে সঠিক প্রায়োগিক জ্ঞান না থাকার কারনে আমরা অনেক সময় হাতের কাছে থাকা এসব সহজলভ্য উপাদানগুলিকে নিজেদের রোগ নিরাময়ে কাজে লাগাতে পারি না। আসুন তাহলে জেনে নিই কিছু সহজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে খুব সহজেই আমাশয় থেকে প্রতিকার লাভ করা যায়-

মৌরি ও মিছরি: ১৫০ গ্রাম মৌরি মচমচে ভেজে নিয়ে সাথে ১৫০ গ্রাম কাঁচা মৌরি ভালো করে পিষে নিতে হবে। তারপর ৩০০ গ্রাম মিছিরি গুঁড়ো করে নিয়ে সেই সাথে গুঁড়ো করা মৌরি মিশিয়ে নিন। এই চুর্ণ ২ চামচ করে দিনে ৪ বার খান। এটি পুরাতন বা নতুন  আমাশয় রোগের অব্যর্থ ঔষধ। মৌরি খেলে তীব্র ব্যথা যুক্ত আমাশয়ও ভালো হয়ে যায়। 

বেল ফল: উচ্চ ফাইবারসম্পন্ন বেল মলত্যাগ এর জন্য অত্যন্ত সহায়ক। শুধু তাই নয়, ফলের উপকারী অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক বৈশিষ্ট্য (R) রোগকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে সাহায্য করে।

কিছু পানি  দিয়ে বেল ফল চেপে পাল্প বের করবেন এবং বীজগুলিও সরিয়ে ফেলুন। তরল অংশটুকু সম্পূর্ণভাবে ছেঁকে নিন। যদি ইচ্ছা হয়, কিছু চিনি যোগ করুন। সাথে আদাও দিতে পারেন এতে আরো সুস্বাদু হবে। আমাশয় দূর না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার পান করুন। 

ক্যারাম বীজ: বীজ ক্যারাম হলো পেট খারাপের জন্য একটি অন্যতম প্রাকৃতিক ঔষধ। হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলা বা ফাঁপা থাকলে কমাতে সাহায্য করে। ১ চা-চামচ ক্যারাম বীজ একটি পাত্রে পানি দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে এর চা পান করুন।

ডালিম: ডালিম আমাশয় রোগের একটি কার্যকরী উপাদান। ডালিমের খোসা রস করে বা ডালিমের ফল খেতে পারেন আমাশয় রোগের দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়। তাছাড়া ডালিমের পাতার রস করে খেলেও আমাশয় নিরাময়ের ভালো ফল পাওয়া যায়। ডালিমের কিছু পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে কিছুক্ষন রেখে পানিটা ছেঁকে হালকা গরম পানি টা খেয়ে নিতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রদক প্রতিকার।

কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপেতে গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক রয়েছে যা আপনার অন্ত্র পরিষ্কার করতে সমস্যা হলে সহজে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে। পেঁপের রেচক বৈশিষ্ট্য (R) শরীর থেকে টক্সিন অপসারণে সহায়তা করে এবং পেটের ব্যথাও কমিয়ে দেয়, যা আমাশয় নিরাময়ের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

একটি পাত্রে ৩-৪ কাপ পানি দিন। কিছু কাঁচা পেঁপে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে দিয়ে দিন  এবং পেঁপে ভালভাবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। ১০-১৫ মিনিট পেঁপেকে সেদ্ধ করা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ছেঁকে পানি পান করুন। আপনার যে কোন ধরণের আমাশয় সহজে দূর হবে। 

শুকনো আদা মূল: আদা মূল এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান আমাশয়ের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ব্যথা এবং অস্বস্তি কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ১২ চা চামচ আদা গুঁড়ো এক গ্লাস বাটারমিল্কে ভালভাবে মিশিয়ে প্রতিদিন ১-২ বার সেবন করুন।

পুদিনা ও এলাচ: ৬ থেকে ৭ টি পুদিনা পাতা এবং এক টেবিল চামচ মৌরি রস এর সাথে ছোট ছোট দারুচিনি এবং কালো এলাচ সবগুলো মিশিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। ১0 মিনিট কিংবা ১৫ মিনিট পরে উক্ত মিশ্রণ ভালোভাবে সেকে নিয়ে পরিমিত পরিমান লবন মিস্ক করুন। দিনে দুইবার এই মিশ্রণ খান। আমাশয় রোগে নিরাময়ের জন্য এই মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকরী।  

হরিতকি: আমাশয় রোগের জন্য হরিতকি বেশ উপকারী। আমাদের দেশে এক সময়ে হরিতকি গাছ অনেক পাওয়া গেলেও এখন বিলুপ্তপ্রায়। এটি একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন উপকারী গাছ। এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ হরিতকির পাউডার মিশিয়ে খান। দিনে দুইবার পান করুন। এতে বেশ উপকার পাবেন।

মেথি বীজ: ১চা চামচ গুঁড়ো মেথি বীজ এক গ্লাস বাটারমিল্কে মিশিয়ে তারপর পান করুন। প্রতিদিন একবার বা দুবার। এটি  আমাশয় দূর করতে খুব কার্যকরী। 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
চুলের-খুশকি-সমস্যা ও অতিরিক্ত-চুল-ঝরার-সমাধান-ও-ঘরোয়া-টোটকা
ভেষজ চিকিৎসা

চুলের খুশকি সমস্যা, অতিরিক্ত চুল ঝরার সমাধান ও টোটকা

by Dr. Baby Akter 31/08/2023
written by Dr. Baby Akter

চুলের নানা রকমের সংক্রমণ যেমন অতিরিক্ত চুল ঝরে যাওয়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, মাথার ত্বকের(Scalp) জন্যেও এই খুশকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দায়ি। তাই সঠিক সময়ে খুশকির সমস্যা ঠেকাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে চুল অকালেই ঝরে গিয়ে সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। বাজারে খুশকি বিরোধী অনেক শ্যাম্পু পাওয়া গেলেও এগুলোর ব্যবহারে চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া প্রতিকারেই গুরুত্ব দেন চিকিৎসকেরা। 

হাতের কাছে থাকা ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে দূর হবে খুশকি, এতে চুলও থাকবে সতেজ ও সুন্দর

ঘরে বসে কোন ওষুধ ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে খুশকি তাড়ান ও চুল ঝরা বন্ধ করুন

পেঁয়াজের রস: ১ জগ পানিতে ২ টি পেঁয়াজ ভাল করে বেটে মিশিয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজের রস মেশানো ওই পানি মাথায় লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার পেঁয়াজের রস মাথার ত্বকে মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।

মেথি: মেথি ২-৩ চামচ, সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে নিয়ে পানি রেখে দিন। তারপর বাটা মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। শুকিয়ে যাওয়ার পর চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোঁয়ার পর মেথি ভেজানো পানি দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’বার এ ভাবে মেথি ব্যবহার করলে খুশকি সমস্যা দ্রুত দূর হবে।

নিম পাতা: ১০-১৫ টি নিম পাতা নিয়ে তাতে ফুটন্ত গরম পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। এরপর এগুলো মিহি করে পিষে নিয়ে সাথে ১-চামচ দই মেশান।  এই হেয়ার মাস্কটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিটের রেখে  ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এভাবে নিম পাতার ব্যবহার এর ফলে  আপনার চুল এবং মাথার ত্বকে খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাককে জীবাণুমুক্ত করবে। চুল ঘন কালো এবং মজবুত হবে। 

টকদই: খুশকির সমস্যায় দই ব্যবহার খুবই উপকারী। টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এতে খুশকির সমস্যা দূর করার পাশাপাশি চুলে পুষ্টি জোগাতেও কাজ করে। 

নারকেল তেল: সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেল মালিশ করলে ফল পাবেন সহজেই। নারকেল তেল চুলে গোড়ার আদ্রতা বজায় রেখে খুশকি এবং ‘স্ক্যাল্প ইনফেকশন’-এর আশঙ্কাও অনেকটাই কমিয়ে দেয়। নারকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতেও অত্যন্ত কার্যকর ও চুলের যে কোনও সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য উপাদান।  

রিঠা: খুশকি সমস্যার সমাধানেও রিঠা বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ জল চুলের ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে ভালমতো ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত সপ্তাহে ২ বার রিঠা মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন। চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে রিঠার জুড়ি মেলা ভার।

লেবুর রস: দুই  চামচ পাতি লেবুর রস সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ও  চুলের গোড়ায় ভালভাবে ৫ মিনিট মালিশ করে চুল ধুয়ে নিন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত ২ বার করতে হবে। অল্প সময়ে সমাধান পাবেন।

আপেল সিডার ভিনেগার: আপেল সিডার ভিনেগার ২-৩ টেবিল চামচ সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগান এবং ৩-৫ মিনিট রাখুন। হালকা হেয়ার ক্লিনজার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আপেল সিডার ভিনেগার নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক pH স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং খুশকি ও চুল ঝরা কমাতে সাহায্য করে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
শিশুর-বয়স-অনুযায়ী-ওজনের সম্পূর্ণ-চার্ট
শিশু স্বাস্থ্য

বয়স অনুযায়ী বাচ্চার ওজন কত হওয়া উচিত

by Dr. Baby Akter 26/08/2023
written by Dr. Baby Akter

স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ক্যালরির অভাব, পুষ্টির চাহিদা বা পুষ্টি শোষণের অভাবে শিশুর ওজন কম হতে পারে।

সন্তানের ওজন কম বা বেশি হওয়ার কারণ

শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে তার ওজন সম্পর্ক সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অস্বাস্থ্যকর খাবার,পর্যাপ্ত ক্যালরির অভাব, স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, পুষ্টির চাহিদা বা পুষ্টি শোষণের অভাবে শিশুর ওজন কম হতে পারে। উচ্চতা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া সর্বজন স্বীকৃত গ্রোথ চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। এতে বয়স অনুযায়ী ওজন, উচ্চতা, মাথার পরিধি গ্রাফের সাহায্যে বানানো থাকে। ছেলে ও মেয়ে শিশুর জন্য আলাদা চার্ট আছে, যা দিয়ে সহজেই শিশুর বৃদ্ধি মাপা যায়।

সন্তানের ওজন কম বা বেশি হওয়ার কারণ সমূহ :

অভিভাবকের কারণে: শিশুর কম ওজন নিয়ে জন্মানোর পেছনে অনেকক্ষেত্রে বাবা মায়ের বিশেষত মায়ের স্বাস্থ্য ভূমিকা রাখে। মা সুস্থ না থাকলে শিশু অপরিপক্ক বা কম ওজন নিয়ে জন্মায়। 

অপুষ্টি: খেতে না পারা, দীর্ঘদিন ডায়রিয়া, বমি, পেট ফোলা, দীর্ঘমেয়াদী ঠাণ্ডা, শ্বাসকষ্ট, থাইরয়েড বা আড্রিনাল গ্রন্থি সম্পর্কিত হরমোনের সমস্যা, ইত্যাদির কারণে  শিশু দেখতে অনেক চিকন হয়। আর সুস্থ শিশুর তুলনায় দেখতে মলিন ও কম প্রাণচঞ্চল লাগে। স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ক্যালরির অভাব, পুষ্টির চাহিদা বা পুষ্টি শোষণের অভাবে শিশুর ওজন কম হতে পারে।

বংশগতি: শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি বংশগতির অনেকটা ওপর নির্ভর করে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুর কোনো সঠিক কোন  কারণ ছাড়াই ওজন কম হতে পারে। অপ্রাপ্ত বয়সে জন্মানো বা কম ওজন নিয়ে জন্মে থাকে তাহলে তার বৃদ্ধি সঠিক মূল্যায়ণ ও সুস্থ নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। 

যেভাবে খেয়াল রাখতে হবে: শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধই যথেষ্ট। ৬ মাস বয়স পূর্ণ হলে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে শিশুর ওজন বাড়লে বুঝতে হবে শিশুর শরীর ঠিকমতো বাড়ছে। ৬ মাসের কম বয়সের শিশুর ওজন ঠিকমতো না বাড়লে তাকে আরও ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানো প্রয়োজন।

যদি পরপর ২ মাস শিশুর ওজন না বাড়ে, তবে বুঝতে হবে তার কোনো সমস্য আছে। জন্মের পর থেকে ২ বা ৩ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে শিশুর ওজন নিতে হবে। অসুখ–বিসুখ, কম বা অনুপযুক্ত খাবার অথবা প্রয়োজনীয় সেবাযত্নের অভাবে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শিশুকে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ানো উচিত। নরম তরিতরকারি, ছোট মাছ, ডিম, ডাল, তেল, চিনি বা গুড় মেশাতে হবে এবং মৌসুমি ফল, রুটি, মোয়া, নাড়ু, বিস্কুট, বাদাম, কলা অথবা হাতের কাছে যেসব পুষ্টিকর নিরাপদ খাবার পাওয়া যায়, সেগুলো খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে দিতে হবে। সারা দিনে ৫ থেকে ৬ বার। পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি সব টিকা দেওয়া জরুরি। পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করার পরও যদি অবস্থার পরিবর্তন না হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

0 comments
3 FacebookTwitterPinterestEmail
একজিমার-কারণ-লক্ষণ-এবং-চিকিৎসা-ও-দূর-করার-ঘরোয়া-উপায়
চর্মরোগঘরোয়া চিকিৎসা

একজিমার কারণ, লক্ষণ এবং দূর করার ঘরোয়া উপায়

by Dr. Baby Akter 24/08/2023
written by Dr. Baby Akter

অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার প্রধান উৎস বংশগত বলে চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে এ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস বলেও উল্লেখ করা হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এই রোগে ত্বকের বিশেষ কোন কোন স্থানে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

এক সময় বলা হত একজিমা রোগ সারে না। কিন্তু এখন আর এই রোগের নিরাময় অসম্ভব নয়। শুধু মেনে চলতে হবে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ।

একজিমা এক প্রকাম চর্ম রোগ যা বাংলাদেশে পামা, বিখাউজ, কাউর ঘা ইত্যাদি স্থানীয় নামে পরিচিত। চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে সচরাচর এটপিক ডার্মাটাইটিস হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার অন্যতম উৎস বংশগত বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া অ্যালার্জি, পেশা ও পরিবেশগত কারণেও হতে পারে। এটি একটি ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ। এর জন্য কোনো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস কোনোটাই দায়ী নয়। তবে একজিমা হওয়ার পরে এগুলো আক্রমণ করে।

একজিমার কারণসমূহ

এটি যে কোন বয়সেই হতে পারে, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে একজিমা হওয়ার সম্ভাবনা একটু বেশি থাকে। আবার গর্ভাবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। তবে গর্ভাবস্থা একজিমা হওয়ার কোন শর্ত নয়। সাধারনভাবে একজিমা অ্যালার্জি বা অ্যাজমার সমগোত্রীয় একটি রোগ যা বংশগত কারণে হতে পারে। 

একজিমা বিভিন্ন কারণের কারণে হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে :

  • ইমিউন সিস্টেমের অস্বাভাবিক কাজ
  • জেনেটিক্স
  • পরিবেশ (শুষ্ক এবং কঠোর জলবায়ুর এক্সপোজার)
  • ত্বকের বাধার ত্রুটি ( দীর্ঘায়িত জলের ব্যবহারও একজিমা করতে পারে)
  • সংবেদনশীল ত্বকের
  • শুষ্ক এবং ডিহাইড্রেটেড (আঁশযুক্ত) ত্বক
  • সুগন্ধি, মেকআপ, সাবান, ধুলো, বালি এবং সিগারেটের ধোঁয়ার  কারণে ।
  • নির্দিষ্ট দ্রাবক এবং ডিটারজেন্ট, ক্লোরিন
  • মানসিক চাপ
  • শুষ্ক এবং ঠান্ডা জলবায়ু
  • উচ্চ বায়ু দূষণকারী এক্সপোজার
  • ঘাম এবং তাপ
  • সিন্থেটিক এবং পশমী কাপড়ের মতো বিরক্তিকর পদার্থ পরিধান
  • আবার হরমোনঘটিত কোন পরিবর্তন, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় কিংবা গর্ভাবস্থায় এটি হতে পারে।

একজিমার প্রকার

সাধারণভাবে বলতে গেলে একজিমার নানা প্রকার হয়। যেমন : 

  • অ্যাটপিক একজিমা: অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসকে সাধারণত একজিমা বলা হয়। এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং দীর্ঘস্থায়ী ধরনের একজিমা।
  • কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস: জ্বালা, চুলকানি এবং লালভাব সাধারণত এই ধরনের দেখা যায়। হাত বিশেষ করে কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস বিকাশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
  • নিউমুলার একজিমা: পুরুষরা বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়। শীতকালে, এটি ত্বকে শুষ্ক, গোলাকার দাগ সৃষ্টি করে।
  • সেবরিক একজিমা: এটি সাধারণত কানের পিছনে, নাকের পাশে, ভ্রুতে এবং বিশেষ করে মাথার ত্বকে ঘটে। এটি লাল, আঁশযুক্ত ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে এবং চুলকায়।
  • নিউরোডার্মাটাইটিস: এই ধরনের একজিমা চুলকানি হতে পারে এমন জায়গাতে বেশি দেখা যায় যেমন গলার পিছনদিকে, মাথার ত্বকে, যৌনাঙ্গে, কানে ইত্যাদি।
  • স্ট্যাসিস ডার্মাটাইটিস: বেশিরভাগ বয়স্ক জনগোষ্ঠীতে, এটি ঘটে যখন পায়ের শিরাগুলি ফুলে যায় এবং তরল বের হয় (পায়ে দুর্বল সঞ্চালনের কারণে) ফোলা, চুলকানি এবং ত্বক লাল হয়ে যায়।

একজিমার প্রধান লক্ষণ

একজিমার লক্ষণগুলি শিশু ও প্রাপ্ত-বয়স্কদের মধ্যে আলাদা-আলাদা হতে পারে

চুলকানি: ত্বকে জ্বালা করে এবং চুলকানি হয়। বাচ্চাদের ত্বকে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, তবে যে কোনও বয়সেই এটা হতে পারে। একবার একজিমা হলে তা সহজে সারতে চায় না। দীর্ঘদিন ভোগায় এই রোগ।

শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় একজিমা আরও প্রকট হয়। চুলকানি থাকে প্রচণ্ড, আর নখ দিয়ে চুলকালে অবস্থা আরও খারাপ হয়। অনেক সময় সংক্রমণও হয়ে যায়। 

স্কেলিং: ত্বকের উপরিভাগ রুক্ষ, আঁশযুক্ত চেহারা যেমন ত্বকের ফ্লেক্স থাকে। হাত ও পায়ের ত্বকে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি হতে পারে।

ত্বকে তরল: আবার ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হতে পারে এবং পুঁজ বের হতে পারে। ত্বকের যে সমস্ত জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হয়ে যেতে পারে।

ফাটল: মাঝে মাঝে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত ত্বকে বেদনাদায়ক, গভীর ফাটল দেখা দিতে পারে, যাকে ফিসারও বলা হয়।

একজিমার চিকিৎসা: একজিমা একটি দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের অবস্থা এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করতে কয়েক মাস বা বছর লাগতে পারে। বয়স, রোগের লক্ষণ এবং শরীরে অন্যান্য অসুখ বিসুখের নিরিখে চিকিৎসার ধরন ঠিক করা হয়। ঠিক চিকিৎসায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একেবারেই সেরে যায় এই রোগটি। সেই কারণে এখন ‘কমপ্লিট কিয়োর’ শব্দটি এগজ়িমার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এই চিকিৎসা যত দিন প্রয়োজন, ধৈর্যের সঙ্গে তা কিন্তু চালিয়ে যেতে হবে। প্রতি বছর কয়েকমাস করে প্রায় পাঁচ-ছ’বছর এর চিকিৎসা চালিয়ে গেলে তবেই এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব।”

ক্রিম: কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম বা মলম আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে। ত্বক ময়শ্চারাইজ করার পর আক্রান্ত স্থানে ক্রিম লাগাতে হবে। এই ওষুধটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া এবং ত্বকের ভাঙ্গন হতে পারে। কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম চুলকানি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্বক মেরামত করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিবায়োটিক: খোলা ঘা এবং ফাটলগুলির ক্ষেত্রে, আপনার ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমণের তীব্রতার উপর নির্ভর করে আপনার চিকিৎসক কে আপনাকে একটি অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা ট্যাবলেট লিখে দিতে পারেন। ওরাল অ্যান্টিবায়োটিকগুলি সংক্রমণের চিকিত্সার জন্য অল্প সময় নেয়।

একজিমা দূর করার ঘরোয়া উপায় : 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রোজকার জীবনে অবশ্যই মেনে চলা দরকার কিছু নিয়ম। এগুলো মেনে চললে ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, ত্বকের অনেক সমস্যাই আর কষ্ট দেওয়ার জায়গায় পৌঁছতে পারে না।

  • একজিমা এড়ানোর জন্য শক্ত জাতীয় সাবান ব্যবহার না করাই ভাল। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিম বা অয়েনমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। গরম জলে স্নান করাই ভাল। ১০-১৫ মিনিটের বেশি স্নান করা উচিত নয়।
  • সারা বছর ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করুন। প্রত্যেক দিন স্নান করার তিন মিনিটের মধ্যে সারা শরীরে ভাল করে মেখে নিতে হবে ময়শ্চারাইজ়ার।
  • গরম এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় উপযুক্ত পোশাক পরুন এবং ব্যায়ামের সময়ও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া রোধ করুন। রুক্ষ এবং আঁচড়যুক্ত পোশাক এড়িয়ে চলুন।
  • ধূলাবালি, ফুলের রেণু এবং সিগারেটের ধোঁয়া অর্থাৎ যেগুলো থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • সরিষার তেল, কাদামাটি, গাছপালা, চন্দন, নোংরা পানি, আনাজপত্র—বিশেষত পেঁপে, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদির সংস্পর্শে আসা একজিমা রোগীর উচিত নয়।
  • সব সময়ে হাতের নখ যেন ছোট করে কাটা থাকে। এগজ়িমার চুলকানি বেশির ভাগ সময়েই নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়। হাতে নখ ছোট করে কাটা থাকলে সংক্রমণের ভয় কমবে।
  • একজিমা রোগীর সমুদ্রে গোসল না করাই ভালো। কেননা নোনা পানি এবং বালুর প্রভাবে একজিমা অনেক সময় বেড়ে যায়।
  • পরিমিত ঘুম এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করুন।
0 comments
2 FacebookTwitterPinterestEmail
নিজের-ক্ষতিকর-১২-বদভ্যাসে-সতর্ক-হোন-আজ-থেকে
ক্ষতিকর অভ্যাস

ক্ষতিকর ১২টি বদভ্যাসে সতর্ক হোন আজ থেকে

by Dr. Baby Akter 24/08/2023
written by Dr. Baby Akter

ঘুম থেকে উঠেই ফোন চেক করা: দিনের সবচেয়ে সুন্দর আর ইতিবাচক সময় সকাল। সকালে উঠেই ফোন হাতে তুলবেন না। এই ভুলটা ভুলেও করবেন না। এতে আপনি দিনের শুরুতেই ভরাক্রান্ত হয়ে যেতে পারেন। যা আপনার সারা দিনের সুন্দর পরিকল্পনাকে নষ্ট করে দিতে পারে।  

ফোন স্ক্রলিং করা: মনে করুন, রাত ১০টায় ঘুমাতে গেলেন। চিন্তা করলেন, ফেসবুকটা একটু ঘুরে আসি। একটু চেক করে বের হয়ে যাবো । তারপর একসময় আপনি ঘড়ির দিকে তাকালেন, ১টা বাজতে ১০ মিনিট বাকি। দেরী করে ঘুমানোর কারণে আপনার সকালের গুরুত্বপূর্ণ সিডিউল মিস হয়ে যেতে পারে। 

দেরি করা: সকাল ১০টায় ঘুম থেকে ওঠা, দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া, অফিসে দেরি, ভাইভা দিতে গিয়েও দেরি, বাচ্চার জন্মদিনের পার্টিতে দেরি – এভাবেই আপনি ক্রমেই জীবন থেকে ছিটকে পড়েন এবং পিছিয়ে পড়ছেন। 

মানুষকে বিচার করা: কারো সাথে পরিচয় হওয়া মাত্র তাকে নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করা খুবই খারাপ অভ্যাস। আপনি যখন জাজমেন্টের শিকার হন, তখন কেমন লাগে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদেরকে আরও বেশি করে এই বাজে অভ্যাসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এটি আমরা না নিজের অজান্তে প্রায় করে থাকি। 

অজুহাতের সদ্ব্যবহার: আমরা সাধারণত নিজের দোষ বা বদ অভ্যাসের কথা স্বীকার না করে অভিযোগ আর অজুহাত দিয়েই চলতে থাকি। আপনি যদি অভিযোগ আর অজুহাত দিয়েই চলতে থাকেন, তাহলে আপনি পরিণত ব্যক্তিত্ব নন। জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়াদের সঙ্গে যোগ দেওয়া ছাড়া আপনার গতি নেই।

অতিরিক্ত লবন ও চিনি খাওয়া: খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবন বা পরিশোধিত চিনি খাওয়া বাদ দিন। বাদ দিতে না পারলে কমিয়ে ফেলুন। শারীরিকভাবে ভালো থাকবেন।

জাঙ্ক ফুড খাওয়া: জাঙ্ক ফুডে যে তেল ব্যবহার করা হয়, সেটা অনেক সময় স্বাস্থ্যকর নয়। ক্যালরির পরিমাণও অনেক বেশি। চিনি, লবণ, তেল -যে তিনটি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তার সবই এখানে বেশি থাকে। এগুলো বন্ধুদের সাথে আড্ডার ছলে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। 

একটু পরে করছি: এই একটু পরে করছি বলে যে কাজগুলো আপনি ফেলে রাখেন, সেগুলোর কতটি আপনি পরে করেন? ভেবে দেখেছেন ?

সবকিছুতেই ‘হ্যাঁ’ বলা: কোন বিচার বিবেচনা ছাড়াই আপনি কি সবকিছুতেই হ্যাঁ বলে ফেলেন। না বলতে শিখুন। যেটা পারবেন না তা কাঁধে নেয়ার দরকার নেই। নইলে আপনি বিপদে পড়বেন। অথবা কে জানে, ইতিমধ্যে বিপদে পড়েও হয়তো বা আপনার শিক্ষা হয়নি।

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা: আরেক শ্রেণির মানুষ আছেন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা যাঁদের স্বভাব। জীবনে ঘটেনি, এমন সব বিষয় চিন্তা করে তাঁরা দিনের একটা বড় অংশ তো নষ্ট করেনই, সেই সঙ্গে নষ্ট করেন নিজের মানসিক আর শারীরিক স্বাস্থ্য ও সৃজনশীলতা।

খারাপটাই ধারণা করা: ইতিবাচকতা ধরে রাখুন। মনে করুন, আপনার কোনো একটা ক্লায়েন্টের মিটিংয়ে আসতে দেরি হচ্ছে। ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি কেন ধরে নেবেন, তিনি আপনাকে উপেক্ষা করছেন? হয়তো তাঁর কোনো কারণে আসতে দেরি হচ্ছে, তাড়াহুড়োয় খেয়ালই করেননি যে ফোনটা সাইলেন্ট। এটা হতেই পারে তাই  নিজ থেকে আগ বুঝে নেয়া বন্ধ করুন। 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
খালি-পেটে-রসুন-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
ভেষজ উপাদান

জেনে নিন রসুনের গুণাগুণ, উপকারিতা ও অপকারিতা

by Dr. Baby Akter 16/08/2023
written by Dr. Baby Akter

যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালবেলা হোক বা অন্য যে কোনো সময় ১ থেকে ২ কোয়া বা ২ কোষ কাঁচা রসুন খান এবং অবশ্যই অবশ্যই চিবিয়ে খাবেন। আপনি সুস্থ, কর্মময় এবং দীর্ঘ জীবনের অধিকারী হবেন।

রসুনের একাধিক গুণাগুণ এবং উপকারিতা

  • উচ্চ রক্ত চাপ কমাতে: উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী রসুন। যদি শরীরের এলডিএল বেড়ে যায় তবে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এতে প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন সকালে খালি পেটে খেলে উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকবে না।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুনের অ্যান্টিফাঙ্গাল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ অত্যন্ত কার্যকরী। খালি পেটে রসুন খেলে এই উপকার বেশি পাওয়া যায়।
  • হৃৎপিণ্ডের শক্তিবর্ধক: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী হবে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির কারণে হৃৎপিণ্ডের ব্লকগুলো আর বাড়বে না। 
  • পুরুষের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে: সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ উপকারি অভ্যাস। রসুন অ্যালিসিন এবং সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ। অ্যালিসিন যৌন অঙ্গে রক্ত ​​​​প্রবাহ উন্নত করে এবং শুক্রাণুর যে কোনও ক্ষতি প্রতিরোধ করে। সেলেনিয়াম একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা গতিশীলতা বাড়ায়। 
  • রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে: রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খুব উপকারী। এতে  রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে রক্ত বাধাগ্রস্ত হয়ে যেসব রোগের সৃষ্টি করে, তা আর হতে পারে না।  
  • ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে: যাদের অ্যালার্জি সমস্যা, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা আছে তাদের বিভিন্ন কারণে ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুন পিষে রস খেলে সংক্রমণ সহজে রোধ করে।
  • ত্বক ভালো রাখতে: ত্বক ভালো রাখতে এবং ত্বকে বার্ধ্যকের ছাপ ও চেহারার যে কোনো দাগ কমাতে প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খালি পেটে খেলে অধিক উপকার পাওয়া যায়।   
  • সংক্রমণ প্রতিরোধে:  মানুষের শরীরে যে কোনো সময়ে সংক্রমণ ঘটতে পারে। কোন ধরণের পূর্ব লক্ষণ ছাড়া মানব শরীরে সংক্রমণ রোগ দেখা দেয়। তাই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে শরীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  • হাড়ের শক্তি বাড়ায়: বিভিন্ন কারণে নারীদের ক্ষেত্রে একটা বয়সের পর হাড়ের শক্তি কমে যায়। এই ধরণের হাড় সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২ গ্রাম করে রসুন খেলে নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রায় ভারসাম্য থাকে।
  • ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়: এলডিএল কোলেস্টেরলই হৃদরোগ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। কাঁচা রসুন যখন আপনি নিয়মিত খাবেন তখন আপনার রক্তের যে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল, টোটাল কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকবে। ফলে সহজেই আপনি এ রোগগুলো প্রতিরোধ করতে পারবেন।
  • অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর কাজ করে: নিয়মিত কাঁচা রসুন খেলে রসুনে উপস্থিত অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ‘সেল ড্যামেজ’ ও ‘এজিং’ রোধ করে। মস্তিষ্কের সেল ড্যামেজ কম হওয়ার কারণে আলঝেইমারস ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  • দীর্ঘায়ু হওয়া: প্রতিদিন কাঁচা রসুন খাওয়ার ফলে রসুন পাওয়ারফুল ডিটক্স হিসেবে কাজ করে। এতে শরীরের ভেতরে যত ময়লা-আবর্জনা সব বের হয়ে রক্তের পরিশোধনক্ষমতা বেড়ে যায়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শরীর ভালো রাখে, নিরোগ দেহ নিঃসন্দেহে দীর্ঘায়ু হয়। 

কাঁচা রসুন খাওয়ার অপকারিতা

শরীরের অনেক সমস্যার জন্যই রসুন খুব উপকারি। তবে রসুনের কিছু কিছু গুণের জন্য অনেক শারীরিক সমস্যা বেড়েও যেতে পারে। যেমনঃ 

  • রসুনে থাকে সালফার, তা পেটে গ্যাস তৈরি করে। এতে খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভবনা থাকে।  
  • গর্ভবতী নারীদের রসুন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গর্ভবতী অবস্থায় অতিরিক্ত রসুন খেলে প্রসব বেদনা বেড়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এ ছাড়াও শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরাও রসুন খাবেন না। এতে দুধের স্বাদ পাল্টে যেতে পারে।
  • মাত্রাতিরিক্ত রসুন  খাওয়ার কারণে ‘হাইফিমা’ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ ‘আইরিস’ ও ‘কর্নিয়া’র মাঝে রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে। ফলস্বরূপ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যেতে পারে। ।
0 comments
1 FacebookTwitterPinterestEmail
কোষ্ঠকাঠিন্য-দূর-করার ঘরোয়া-এবং-প্রাকৃতিক-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন ঘরোয়া এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসায়

by Dr. Baby Akter 14/08/2023
written by Dr. Baby Akter

যদি সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হয় অথবা খুব কম পরিমাণে হয়, অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করেও মলত্যাগ না হয়, অথবা মল অস্বাভাবিক রকমের শক্ত বা শুকনো হয়, তাহলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা জন্য বেশি দায়ী। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা বংশগত। 

প্রতিদিন অন্তত ৪-৬  গ্লাস তরল পানীয় পান  করুন।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পানি ও বিভিন্ন ফলের জুস। 

এই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেই আরো ভয়াবহ নানা রোগের জন্ম হয়। ঘরোয়া উপায়ে এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসা আর সহজলভ্য খাবার পরিমাণমত গ্রহণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সম্ভব।

জেনে নেয়া যাক কি সেই ঘরোয়া উপায় যাতে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য

  • ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল  প্রয়োজন মত ১-৫ চামচ রাতে ঘুমানোর আগে এককাপ গরম দুধ বা পানির সাথে মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। বড়দের ক্ষেত্রে ২-৪ চামচ এবং ছোটদের ক্ষেত্রে ১ চামচই যথেষ্ট। 
  • ছোট কালো হরীতকী ১০০ গ্রাম দেশি ঘিয়ে ভেজে নিন। ৫০ গ্রাম মৌরিও একই ভাবে গিয়ে ভেজে নিন। মৌরি ভাজা হলে সাথে আরো ৫০ গ্রাম কাঁচা মৌরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর ভাজা হরীতকী এবং মিক্স করা মৌরি আধপেষা করে গুড়ো করে এবার এই ২০০ গ্রাম আধপেষা গুড়ো সাথে ২০০ গ্রাম গাওয়া ঘিয়ে মাখিয়ে কাচের পাত্রে করে রেখে দিন। তৈরি হয়ে গেলো আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রাকৃতিক ঔষধ। 

খাওয়ার নিয়ম : চুর্ণ থেকে ১০ গ্রাম বা ২ চামচ কর প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খান। এই ঔষধ খাওয়ার ২ ঘন্টা আগে ও পরে কিছু খাবেন না। কিছুদিন নিয়মিত এই ঔষধ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যায়। প্রায় পেটের সমস্যা এই প্রাকৃতিক ঔষধ দিয়ে নির্মূল হয়ে যায়।

  • ২ টি কমলালেবু রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়ালে কোষ্ঠকাঠিন্যে একেবারে সেরে যায়। ৪-১০ দিন খেলেই উপকার পাওয়া যায়। এই রস খাওয়ার পর ১-২ ঘন্টা কিছু খাওয়া যাবে না।
  • একটি বড় এলাচ এক কাপ গরম দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই এলাচটি থেঁতো করে দুধের সঙ্গেই খেয়ে ফেলুন। সকালে আর রাতে এই ভাবে এলাচ-দুধ খেতে পারলে মারাত্মক রকমের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।
  • প্রতিদিন রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার ঘন্টাখানেক আগে একটি সম্পূর্ণ আপেল খান। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় উপকার পাবেন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ গরম পানি খান। গরম পানি খেলে তা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে । তাই নিয়মিত রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ গরম পানি  খাওয়ার অভ্যাস করুন।
  • রোজ অন্তত ২৫ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে বাঁধাকপি জাতীয় সবজি, আপেল, ডুমুর, ব্ল্যাক বিন।
  • আপনার মলত্যাগের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। দীর্ঘ সময় ধরে অন্ত্রে মল চেপে রাখলে মল বেশি শক্ত হয়ে যায়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার সৃষ্টি হয়।  তাই প্রতিদিন রুটিন করে মলত্যাগ করুন।
  • প্রতিদিন প্রচুর পানি ও তরল এবং যথেষ্ট আঁশযুক্ত খাবার খান। গোটা শস্য, শাকসবজি, ফলমূল যেমন বেল, পেঁপে ইত্যাদি হলো আঁশযুক্ত খাবার। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
আঁচিল-বা-তিল-দূর-করুন-ঘরোয়া-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

আঁচিল বা তিল দূর করুন ঘরোয়া চিকিৎসায়

by Dr. Baby Akter 13/08/2023
written by Dr. Baby Akter

ত্বকের এক বিব্রতকর সমস্যা হলো আঁচিল বা তিল। আঁচিল কোনো ক্ষতি করে না, তবে তা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। আবার একেবারে নিরীহও কিন্তু নয় এ আঁচিল। ক্যানসারের ভাইরাস লুকিয়ে থাকে এতে।  তবে কিছু উপায় ঘরে বসে মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল বা তিল দূর করার উপায় গুলো হলো –

  • প্রতিদিন সকাল-বিকাল ১-২ ফোঁটা রেডির তেল তিল , আঁচিলের উপর দিয়ে হালকা মালিশ করলে যাচ্ছিল দূর হয়ে যায়। ১-২ মাস করতে হবে। 
  • শ্লেট পাথর , পাপড় নামেও পরিচিত ,অন্য কোন পাথরের উপর সামান্য পানি দিয়ে চন্দনের মত ঘষে নিয়ে তিল বা আঁচিলের উপর দিনে ২ বার লাগান ২ সপ্তাহের মধ্যে আঁচিল শিথিল হয়ে পড়বে।
  • কাঁচা গোল আলু আঁচিল দূর করার দারুণ এক প্রাকৃতিক উপাদান। সতেজ একটি কাঁচা আলু গোল গোল করে কাটুন। সেটি দিয়ে দিনে কয়েকবার আঁচিলের ওপর ঘষুন। ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে।
  • আঁচিলের ওপর পেঁয়াজ মাখিয়ে তা ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। দিনে দুবার পেঁয়াজ ও ব্যান্ডেজ বদলে নিতে হবে। এভাবে দুই সপ্তাহ করুন।
  • আদাকে টুকরো করে নিয়ে একটা টুকরো  ছুঁচলো করে নিন. তারপর তিলের ওপর সামান্য চুন লাগিয়ে আদা দিয়ে ঘষতে থাকুন। একটু ব্যথা বা ফোলতে পারে। এতে তিল বিনা অপারেশনে খুলে বা কেটে পড়ে যাবে। কোন ধরণের দাগও থাকবে না।
  • ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারী। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে আঁচিলের জায়গায় লাগালে উপকার পাবেন।
  • এক কাপ পানিতে আধা চা-চামচ বেইকিং সোডা মিশিয়ে নিন । তুলার বল এই মিশ্রণে ডুবিয়ে তা আঁচিলের ওপর বসিয়ে দিন । ১৫ মিনিট রাখুন।
  • পানির সঙ্গে শুকনা মরিচ বাটা মিশিয়ে ‘পেস্ট’ তৈরি করুন ।  এটি আঁচিলের ওপর দিনে দুই বেলা প্রয়োগ করুন। কমপক্ষে ২ সপ্তাহ। এতে আঁচিল রং বদলাবে এবং ছোট হতে থাকবে। শুকনা মরিচ  আঁচিল দূর করতে এর কার্যকারিতা ওষুধ হিসেবে  বহু বছর ধরে প্রমাণিত।
  • কলার খোসার পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের উপর সারা রাত লাগিয়ে রাখুন। অথবা খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের উপর দীর্ঘক্ষন লাগিয়ে রাখুন। এতে আপনার আঁচিল ধীরে ধীরে  চলে যাবে।
  • ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম মাখিয়ে দাঁত ব্রাশের সাহায্য  আলতোভাবে আঁচিলের ওপর ঘষতে থাকুন । দিনে ২ বার করে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ করুন। ডিম আঁচিলের ওপর একটা সুরক্ষাকবচ তৈরি করবে।  দুই সপ্তাহ পর সাবান দিয়ে আঁচিলের অংশটি ভালোভাবে ধুতে ফেলুন। কিছুদিন পর  আঁচিল দূর হয়ে যাবে।
  • ফুটন্ত গরম পানি আঁচিল দূর করার কার্যকরী পদ্ধতি। ফুটন্ত পানিতে আঁচিলের অংশটুকু ততক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন যতক্ষণ ব্যথা না করে। ব্যথা অনূভব হওয়ার সাথে সাথে  গরম পানি থেকে তুলে আঁচিলের ওপর ঠাণ্ডা কিছু দিন। দিনে ৩ বার করে ২ সপ্তাহ করুন।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঘুমের সমস্যার ঘরোয়া সমাধান
ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া উপায়ে ঘুমের সমস্যা দূর করুন

by Dr. Baby Akter 12/08/2023
written by Dr. Baby Akter

স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একজন মানুষের সুস্থ থাকার অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। বয়সভেদে বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতা বা ইনসমনিয়া সমস্যায় ভুগছেন। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে। অনিদ্রা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে আমরা ওষুধ সেবন না করে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারি। 

দীর্ঘমেয়াদি অনিদ্রা মানবদেহে বিভিন্ন গুরুতর জটিলতার জন্য দায়ী। ঘুমের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এবং ক্ষেত্রবিশেষে কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা গ্রহন করুন। 

 ঘুমের সমস্যা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • ঘুমুতে যাওয়ার ১ ঘন্টা পূর্বে ১ গ্লাস গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে খেতে পারেন একটা গভীর ঘুমের জন্য। দুধের ক্যালসিয়াম অনিদ্রা দূর করতে সহায়ক। 
  • ৩ গ্রাম পুদিনা ২০০ গ্রাম পানিতে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।  কুসুম গরম অবস্থায় ঐ পানিতে ২ চামচ মধু মিশিয়ে ঘুমানোর আগে পান করলে গভীর ঘুম আসে।  
  • মিষ্টি আপেলের মোরব্বা করে ঘুমানোর আগে খেয়ে সাথে ২৫০ গরম দুধ খেলে ভালো ঘুম আসে। এতে মন ও মস্তিষ্কের দুর্বলতা দূর হয়। এভাবে ১৫-২০ দিন খেতে হবে।  
  • ঘুম আসতে দেরি হলে হালকা গরম পানিতে পা ভালো করে ধুয়ে নিলে ঘুম আসতে সাহায্য করে। 
  • তরমুজের বীজের খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের নরম অংশ বের করে তাতে সাদা খসখস আলাদা আলাদা করে পিষে সমমাত্রায় মিশিয়ে নিন। ৩ গ্রাম পরিমান চুর্ণ  বা মিশ্রণ সকাল-বিকাল খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়। এতে মাথা ব্যথাও সারে। এটি ১-৩ সপ্তাহ খেতে হবে। 
  • ১ চা চামচ জিরার গুড়া ১ টা পাকা কলার সাথে চটকিয়ে খেতে পারেন প্রতিদিন ঘুমানোর ১ ঘন্টা পূর্বে বিশেষ করে অজীর্ণ থেকে সৃষ্ট অনিদ্রা দূরীকরণে বেশ কার্যকর।
  • মেথি গাছের পাতার ২ চামচ রসের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন ভাল নিদ্রার জন্য।
  • নিয়মিত প্রাণায়াম করুন। প্রাণায়াম হলো শ্বাসের ব্যায়াম। স্ট্রেস লেভেল কমে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা কমে। এতে ঘুমের সময়ই ঘুম আসে।
  • ঘুমের আগে মুঠোফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার, টিভি দেখা, গেমস খেলা পরিহার করুন।
  • দৈনিক একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এমনকি ছুটির দিনেও।
  • ব্যক্তিগত জীবনে কলহ কিংবা পারিবারিক, সামাজিক বা চাকরিক্ষেত্রে কোনো বিষয় নিয়ে টেনশন অথবা বিচলিত থাকা থেকে বিরত থাকুন। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা