MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব নিরাময়
ঘরোয়া চিকিৎসা

প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

by Dr. Baby Akter 22/10/2023
written by Dr. Baby Akter

যে কোন স্বামী-স্ত্রী বা বিবাহিত দম্পতিই চায় তাদের জীবনে সন্তান আসুক। সন্তানের মাঝে দম্পতি এক নতুন জীবনের পূর্ণতা পায়। তাকে  ঘিরেই নিজেদের সমস্ত চাওয়া পাওয়া, স্বপ্ন সব কিছু আবর্তিত হয়। কিন্তু সেই স্বপ্ন, আশা সব মিছে হয়ে যায়, যদি তাদের জীবনে নতুন কোন জীবন না আসে। স্বামী-স্ত্রী অনেকটা হতাশ নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেন। অনেক দম্পতি আছে যারা দীর্ঘদিন বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঘরে সন্তান আসেনি। তাদের জন্য এই পদ্ধতিটি হয়ে যেতে পারে হতাশা মুক্তির কারণ। তাই এবার ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময়ের পদ্ধতিটি চেষ্টা করে দেখুন, ঘর আলোকিত করে আসতে পারে নতুন প্রাণ, দেখতে পারেন সন্তানের মুখ। 

অনেক দম্পতি আছেন যারা দীর্ঘদিন বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও ঘরে আসেনি সন্তান। তাই এবার প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করে দেখুন, ঘর আলোকিত করে আসতে পারে নতুন প্রাণ, দেখতে পারেন সন্তানের মুখ।

বন্ধ্যাত্ব দূর করার প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়

সকালের খাবার

সুস্থ ডায়েট যদি চান অবশ্যই দিনের প্রথম খাবার ভালো হতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে যে সমস্ত মহিলারা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে ভরপুর ব্রেকফাস্ট অনেকটাই কাজ দেয়। তাই সকালের খাবার সবসময় চেষ্টা করুন বেশি করে খাওয়ার।  

খেজুর

খেজুরে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি এবং একাধিক খনিজসহ বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি যা গর্ভধারণকে সহায়তা করে। খেজুর এবং ধনিয়া শিকড়ের একটি পেস্ট তৈরি করে, এটি গরুর দুধের সাথে ফুটিয়ে নিন। এই শীতল মিশ্রণটি আপনার পিরিয়ডের পরে প্রতিদিন পান করুন। বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় ভালো ফল পাবেন। সকালে স্মুথির মাধ্যমে সাধারণভাবে খেজুর খাওয়াও খুব ভাল। 

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার

গর্ভধারণ করার ক্ষমতার জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার অধিক কার্যকরী। এই ধরণের খাবার শরীরের জনন গ্রন্থিগুলোতে আক্রমণকারী পদার্থগুলোকে ধ্বংস করে এবং তাদের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। সেই সাথে পাশাপাশি স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। যে কোনো ধরনের সবজি, ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘ই’ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এর জন্য ভালো।

মাল্টি ভিটামিন

শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত মাল্টি ভিটামিন খেলে নারীদের বন্ধ্যাত্ব জনিত সমস্যা অনেক কম হয়। এর সাথে গ্রীন-টি, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ খাওয়া দরকার।

শরীরচর্চা

বন্ধ্যাত্ব দূর করতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন এবং প্রচুর পরিমাণে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বসে থাকলে শরীরে অতিরিক্ত ক্ষতিকর অতিরিক্ত ফ্যাট জমতে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে আয়রনসমৃদ্ধ ফল বেশি করে খান। 

ট্রান্সফ্যাট

ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার না খাওয়ার চেষ্টা করুন। এবং কম কার্বোহাইড্রেট খাওয়া শুরু করুন ডায়েটে। সাধারণত মার্জারিন, প্রসেসড ফুড এবং অন্যান্য খাবার যাতে ফ্যাট বেশি আছে এড়িয়ে যাওয়া দরকার। এতে শরীরে ইনসুলিনের লেভেল কমবে।

মাদকদ্রব্য গ্রহণ বর্জন করুন

মাদকদ্রব্য গ্রহণের অভ্যাস থাকলে অবশ্যই তা ক্ষতিকর। অতিরিক্ত অ্যালকোহল খাওয়া কমান। একইসাথে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খাওয়া বন্ধ করুন বা পরিমিত সেবন করুন। কারণ এইটি পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট কমায়। 

ডালিম

ডালিম মহিলাদের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এই ফলটি সরাসরি জরায়ুর আস্তরণ ঘন এবং শক্তিশালী করে যা গর্ভপাত ঘটার সম্ভাবনা কমায়। তাজা ডালিম কয়েক সপ্তাহ ধরে সঠিক পরিমাণে কাঁচা বা রস আকারে খাওয়া উচিত। বন্ধ্যাত্ব দূর করার জন্য ডালিম কয়েক সপ্তাহ ধরে সঠিক পরিমাণে কাঁচা বা রস আকারে খাওয়া খেতে হবে। 

সৈন্ধব লবণ

সৈন্ধব লবণ বাজারে সহজেই পাওয়া যায় এবং এতে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সৈন্ধব লবণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে এবং ভোর বেলা সেই পানি পান করার অভ্যাস করুন। এভাবে ৫-৬ মাস পর্যন্ত খেলে মহিলাদের মাসিক চক্রকে স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে, এতে স্বাস্থ্যবান জরায়ু তৈরি হয় এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। 

ফলিক এসিড 

ফলিক এসিড একটি প্রজনক্ষম উপাদান। এটি প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ সহায়তা করতে পারে। গর্ভধারণের চেষ্টা করার আগে কয়েক মাসের জন্য ৪০০ এমসিজি পরিমাণে ফোলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করা দরকারl। ফলিক এসিড গর্ভধারণের পাশাপাশি অটিজমের মতো ত্রুটিগুলি থেকে রক্ষা করে অনাগত শিশুর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করে।

0 comments
1 FacebookTwitterPinterestEmail
কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 23/09/2023
written by Dr. Baby Akter

আপনার যদি কখনও কানের সংক্রমণ হয়ে থাকে, তবে আপনিই জানেন যে তা কতটা অস্বস্তিকর হতে পারে। কান ব্যথা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ের জন্য বেদনাদায়ক, তবে আপনি যদি জানেন কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তার চিকিৎসা তাহলে খুব সহজেই কানের সংক্রমণ  ও যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। 

ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস এর কারণে সাধারণত কানের সংক্রমণ ঘটে (Acute otitis media)। আবার অ্যালার্জি, সর্দি, বা উপরের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণেও কানের সংক্রমণ হয়। যখন কানের ভিতরের টিউবগুলি তরল এবং শ্লেষ্মা দিয়ে পূর্ণ হয়, তখন এটি সংক্রমণের কারণ হয়।

বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি কানের সংক্রমণ হয় এবং বেশিরভাগেরই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ৩ বছর হওয়ার আগে অন্তত একটি  কানের সংক্রমণ হয়ে থাকে। বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় মধ্য কানের সংক্রমণের একটি প্রধান কারণ হল তাদের (shorter eustachian tubes) রয়েছে।

কান পাকা রোগ হওয়ার মূল কারণ হলো মধ্য কর্ণের প্রদাহ। যদি এটা দ্রুত রোগ নির্ণয় করা না যায় অথবা অপর্যাপ্ত চিকিৎসা নেওয়া হয় তবেই দীর্ঘমেয়াদি কান পাকা রোগ হয়।

কানের সংক্রমনের লক্ষণসমুহ:

  • কানের ভেতরের ব্যথা
  • জ্বর
  • শ্রবণ ক্ষমতার হ্রাস
  • ঘুমের সমস্যা
  • ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা
  • কান থেকে তরল নিষ্কাশন
  • গলা ব্যথা

কানের সংক্রমণের জন্য সেরা কার্যকর ১২ টি ব্যথা বা যন্ত্রনা উপশমকারী পদ্ধতি

 ১. ঠান্ডা বা উষ্ণ সেক 

উষ্ণ এবং ঠান্ডা উভয় কম্প্রেসই কানের সংক্রমণ থেকে ব্যথা উপশম করতে পারে। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য একটি গরম প্যাড বা ঠাণ্ডা ওয়াশক্লথ কানের কাছে ধরে রাখুন বা একটি সহজ কানের সংক্রমণের প্রতিকারের জন্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য গরম এবং ঠান্ডার মধ্যে বিকল্প একটি হিটিং প্যাড বা আইস প্যাকও ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. রসুন তেল

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য সহ, কানের ইনফেকশন হতে পারে এমন ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসগুলিকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে রসুনের কুঁচি মিশিয়ে গরম করে ঠান্ডা করুন। তারপর ড্রপের সাহায্য এই তেল কানে প্রয়োগ করতে হবে 

৩. পেঁয়াজ

পেঁয়াজ শুধু রান্নার কাজেই ব্যবহার হয় তা নয় এই পেঁয়াজ কখনো রোগ সারাতে কাজে আসে। পেঁয়াজ ডিসইনফেকটেন্ট হওয়ায় কান পাকা রোগ সারাতে দারুন কাজে আসে। এবং কানের পুঁজ বের করতে সাহায্য করে। পেঁয়াজ কে থেঁতো করে তার থেকে রস বার করে কয়েক মিনিট গরম করুন। তারপর পেঁয়াজের রস কয়েক ফুটা কানে দিলে দেখবেন জমে থাকা পুঁজ আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসবে। আর পুঁজ বের হলেই ব্যাথা কমে যাবে।

৪. ঘাড় ব্যায়াম

ঘাড়ের ব্যায়াম যা ঘাড় ঘুরিয়ে কানের সংক্রমণের কারণে কানের খালে চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। ঘাড় ঘোরানোর ব্যায়াম যেভাবে করবেন – বসুন বা সোজা হয়ে দাঁড়ান। আপনার ঘাড় ডানদিকে ঘোরান যাতে এটি আপনার ডান কাঁধের সাথে সমান্তরাল হয়। পাঁচ থেকে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। বাম দিকে এই অনুশীলনটি পুনরাবৃত্তি করুন। আবার আপনার কাঁধ উঁচু করুন ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। সারা দিন এই ব্যায়াম বেশ কয়েকবার করুন।

৫. মুলেইন

মুলিন গাছের ফুল থেকে তৈরি তেল কানের সংক্রমণের জন্য একটি কার্যকর ব্যথা উপশমকারী। মুলেইন বেশিরভাগ হেলথ ফুড স্টোরে স্ট্যান্ড-অলোন টিংচার  হিসেবে পাওয়া যায়।

৬. ভিটামিন ডি

ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একটি স্বাস্থ্যকর ইমিউন সিস্টেম কানের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। Acta Paediatrica-এ প্রকাশিত ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, খাদ্য গ্রহণ, পরিপূরক এবং সরাসরি সূর্যালোকের মাধ্যমে ভিটামিন ডি-এর সিরাম মাত্রা বৃদ্ধি করে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে।

৭ . নিমপাতার রস

নিমপাতার রস ব্যথা কমাতে পারে। বেশ কয়েকটা পরিষ্কার নিমপাতা পাটায় থেঁতলে রস বের করুন। দুই তিন ফোটা রস সরাসরি কানে দিন। চাইলে নিমের তেলে কানে দিয়ে একভাবে শুয়ে থাকুন। ব্যথা কমবে।

৮. সাদা ভিনেগার

কানের সংক্রমণ কমাতে ভিনেগারের মধ্যে যে অ্যাসিড থাকে তা অত্যন্ত কার্যকরী। একটা পাত্রে সমপরিমাণে সাদা ভিনিগার আর রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ড্রপার দিয়ে সংক্রমিত কানে দুই তিন ফোটা দিন। পাঁচ মিনিট ওভাবেই শুয়ে থাকুন। তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে তরলটা কান থেকে বের করে দিন।

৯. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড:

কানের সমস্যা এড়াতে কার্যকরী ঘরোয়া চিকিৎসা হল হাইেড্রাজেন পারঅক্সাইড। এটি কানের ভিতরে জমে থাকা পুঁজ আস্তে আস্তে শুকিয়ে দেয়। কান পাকা রোধ করতে সাহায্য করে। যে কান পেকেছে তাতে ৩ শতাংশ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিন। তারপর যে কানে সমস্যা তা নিচে দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। তাহলে আস্তে আস্তে কান থেকে পুঁজ বের হয়ে যাবে। দিনে কয়েকবার এমন করতে পারেন এতে কানের পুঁজ বের হয়ে দ্রুত কান পাকা ভাল হয়ে যাবে।

১০.পুদিনা

কয়েকটি পুদিনা পাতা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে তা  থেঁতো করে রস বের করুন। তারপর দুই-তিন ফোঁটা রস কানে দিন। কান পাকা প্রতিরোধের জন্য এটি খুব প্রচলিত একটি ঘরোয়া উপায়। পুদিনার পাতা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে এবং যে কোন ব্যাথা দূর করতে ও সহায়তা করে। কান পাকা ও কানের ব্যাথা দূর করতে পুদিনা পাতা ভাল কাজ করে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

পুরাতন বা নতুন আমাশয় রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকার

by Dr. Baby Akter 03/09/2023
written by Dr. Baby Akter

আমাশয় একটি মূলত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ। মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী সংক্রমণ করলে এই রোগ হয়। আমাশয় হলে পেট কামড়ানোসহ মলের সঙ্গে পিচ্ছিল আম অথবা শ্লেষ্মাযুক্ত রক্ত যায়। পেটে ব্যথাও স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ঘন ঘন মলত্যাগ হয় সেই সাথে অনেকের জ্বর ও বমি বমি ভাব থাকে। আমাশয় দুই ধরনের হয়ে থাকে: ১. অ্যামিবাঘটিত আমাশয় এবং ২. দণ্ড-ব্যাকটেরিয়াঘটিত (ব্যাসিলারি) আমাশয়। তবে দুই ধরণের আমাশয় রোগ-ই ঘরে বসে প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সহজে সুস্থ হওয়া যায়।  

আমাশয় হলে পানিশূন্যতা পূরণের জন্য প্রতিবার পায়খানার পর ওরস্যালাইন খাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এক সপ্তাহের মধ্যেই সাধারণত আমাশয় নিরাময় হয়ে যায়।

কিভাবে সহজলভ্য রোগের ঘরোয়া উপাদান দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে আমাশয় নিরাময় করা যায়?

প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান সমুহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। ‍কিন্তু এসব উপাদান সমুহের সঠিক সময়ে সঠিক প্রায়োগিক জ্ঞান না থাকার কারনে আমরা অনেক সময় হাতের কাছে থাকা এসব সহজলভ্য উপাদানগুলিকে নিজেদের রোগ নিরাময়ে কাজে লাগাতে পারি না। আসুন তাহলে জেনে নিই কিছু সহজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে খুব সহজেই আমাশয় থেকে প্রতিকার লাভ করা যায়-

মৌরি ও মিছরি: ১৫০ গ্রাম মৌরি মচমচে ভেজে নিয়ে সাথে ১৫০ গ্রাম কাঁচা মৌরি ভালো করে পিষে নিতে হবে। তারপর ৩০০ গ্রাম মিছিরি গুঁড়ো করে নিয়ে সেই সাথে গুঁড়ো করা মৌরি মিশিয়ে নিন। এই চুর্ণ ২ চামচ করে দিনে ৪ বার খান। এটি পুরাতন বা নতুন  আমাশয় রোগের অব্যর্থ ঔষধ। মৌরি খেলে তীব্র ব্যথা যুক্ত আমাশয়ও ভালো হয়ে যায়। 

বেল ফল: উচ্চ ফাইবারসম্পন্ন বেল মলত্যাগ এর জন্য অত্যন্ত সহায়ক। শুধু তাই নয়, ফলের উপকারী অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক বৈশিষ্ট্য (R) রোগকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে সাহায্য করে।

কিছু পানি  দিয়ে বেল ফল চেপে পাল্প বের করবেন এবং বীজগুলিও সরিয়ে ফেলুন। তরল অংশটুকু সম্পূর্ণভাবে ছেঁকে নিন। যদি ইচ্ছা হয়, কিছু চিনি যোগ করুন। সাথে আদাও দিতে পারেন এতে আরো সুস্বাদু হবে। আমাশয় দূর না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার পান করুন। 

ক্যারাম বীজ: বীজ ক্যারাম হলো পেট খারাপের জন্য একটি অন্যতম প্রাকৃতিক ঔষধ। হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলা বা ফাঁপা থাকলে কমাতে সাহায্য করে। ১ চা-চামচ ক্যারাম বীজ একটি পাত্রে পানি দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে এর চা পান করুন।

ডালিম: ডালিম আমাশয় রোগের একটি কার্যকরী উপাদান। ডালিমের খোসা রস করে বা ডালিমের ফল খেতে পারেন আমাশয় রোগের দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়। তাছাড়া ডালিমের পাতার রস করে খেলেও আমাশয় নিরাময়ের ভালো ফল পাওয়া যায়। ডালিমের কিছু পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে কিছুক্ষন রেখে পানিটা ছেঁকে হালকা গরম পানি টা খেয়ে নিতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রদক প্রতিকার।

কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপেতে গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক রয়েছে যা আপনার অন্ত্র পরিষ্কার করতে সমস্যা হলে সহজে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে। পেঁপের রেচক বৈশিষ্ট্য (R) শরীর থেকে টক্সিন অপসারণে সহায়তা করে এবং পেটের ব্যথাও কমিয়ে দেয়, যা আমাশয় নিরাময়ের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

একটি পাত্রে ৩-৪ কাপ পানি দিন। কিছু কাঁচা পেঁপে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে দিয়ে দিন  এবং পেঁপে ভালভাবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। ১০-১৫ মিনিট পেঁপেকে সেদ্ধ করা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ছেঁকে পানি পান করুন। আপনার যে কোন ধরণের আমাশয় সহজে দূর হবে। 

শুকনো আদা মূল: আদা মূল এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান আমাশয়ের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ব্যথা এবং অস্বস্তি কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ১২ চা চামচ আদা গুঁড়ো এক গ্লাস বাটারমিল্কে ভালভাবে মিশিয়ে প্রতিদিন ১-২ বার সেবন করুন।

পুদিনা ও এলাচ: ৬ থেকে ৭ টি পুদিনা পাতা এবং এক টেবিল চামচ মৌরি রস এর সাথে ছোট ছোট দারুচিনি এবং কালো এলাচ সবগুলো মিশিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। ১0 মিনিট কিংবা ১৫ মিনিট পরে উক্ত মিশ্রণ ভালোভাবে সেকে নিয়ে পরিমিত পরিমান লবন মিস্ক করুন। দিনে দুইবার এই মিশ্রণ খান। আমাশয় রোগে নিরাময়ের জন্য এই মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকরী।  

হরিতকি: আমাশয় রোগের জন্য হরিতকি বেশ উপকারী। আমাদের দেশে এক সময়ে হরিতকি গাছ অনেক পাওয়া গেলেও এখন বিলুপ্তপ্রায়। এটি একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন উপকারী গাছ। এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ হরিতকির পাউডার মিশিয়ে খান। দিনে দুইবার পান করুন। এতে বেশ উপকার পাবেন।

মেথি বীজ: ১চা চামচ গুঁড়ো মেথি বীজ এক গ্লাস বাটারমিল্কে মিশিয়ে তারপর পান করুন। প্রতিদিন একবার বা দুবার। এটি  আমাশয় দূর করতে খুব কার্যকরী। 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
একজিমার-কারণ-লক্ষণ-এবং-চিকিৎসা-ও-দূর-করার-ঘরোয়া-উপায়
চর্মরোগঘরোয়া চিকিৎসা

একজিমার কারণ, লক্ষণ এবং দূর করার ঘরোয়া উপায়

by Dr. Baby Akter 24/08/2023
written by Dr. Baby Akter

অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার প্রধান উৎস বংশগত বলে চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে এ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস বলেও উল্লেখ করা হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এই রোগে ত্বকের বিশেষ কোন কোন স্থানে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

এক সময় বলা হত একজিমা রোগ সারে না। কিন্তু এখন আর এই রোগের নিরাময় অসম্ভব নয়। শুধু মেনে চলতে হবে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ।

একজিমা এক প্রকাম চর্ম রোগ যা বাংলাদেশে পামা, বিখাউজ, কাউর ঘা ইত্যাদি স্থানীয় নামে পরিচিত। চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে সচরাচর এটপিক ডার্মাটাইটিস হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একজিমার অন্যতম উৎস বংশগত বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া অ্যালার্জি, পেশা ও পরিবেশগত কারণেও হতে পারে। এটি একটি ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ। এর জন্য কোনো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস কোনোটাই দায়ী নয়। তবে একজিমা হওয়ার পরে এগুলো আক্রমণ করে।

একজিমার কারণসমূহ

এটি যে কোন বয়সেই হতে পারে, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে একজিমা হওয়ার সম্ভাবনা একটু বেশি থাকে। আবার গর্ভাবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। তবে গর্ভাবস্থা একজিমা হওয়ার কোন শর্ত নয়। সাধারনভাবে একজিমা অ্যালার্জি বা অ্যাজমার সমগোত্রীয় একটি রোগ যা বংশগত কারণে হতে পারে। 

একজিমা বিভিন্ন কারণের কারণে হতে পারে যার মধ্যে রয়েছে :

  • ইমিউন সিস্টেমের অস্বাভাবিক কাজ
  • জেনেটিক্স
  • পরিবেশ (শুষ্ক এবং কঠোর জলবায়ুর এক্সপোজার)
  • ত্বকের বাধার ত্রুটি ( দীর্ঘায়িত জলের ব্যবহারও একজিমা করতে পারে)
  • সংবেদনশীল ত্বকের
  • শুষ্ক এবং ডিহাইড্রেটেড (আঁশযুক্ত) ত্বক
  • সুগন্ধি, মেকআপ, সাবান, ধুলো, বালি এবং সিগারেটের ধোঁয়ার  কারণে ।
  • নির্দিষ্ট দ্রাবক এবং ডিটারজেন্ট, ক্লোরিন
  • মানসিক চাপ
  • শুষ্ক এবং ঠান্ডা জলবায়ু
  • উচ্চ বায়ু দূষণকারী এক্সপোজার
  • ঘাম এবং তাপ
  • সিন্থেটিক এবং পশমী কাপড়ের মতো বিরক্তিকর পদার্থ পরিধান
  • আবার হরমোনঘটিত কোন পরিবর্তন, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় কিংবা গর্ভাবস্থায় এটি হতে পারে।

একজিমার প্রকার

সাধারণভাবে বলতে গেলে একজিমার নানা প্রকার হয়। যেমন : 

  • অ্যাটপিক একজিমা: অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসকে সাধারণত একজিমা বলা হয়। এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং দীর্ঘস্থায়ী ধরনের একজিমা।
  • কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস: জ্বালা, চুলকানি এবং লালভাব সাধারণত এই ধরনের দেখা যায়। হাত বিশেষ করে কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস বিকাশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
  • নিউমুলার একজিমা: পুরুষরা বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়। শীতকালে, এটি ত্বকে শুষ্ক, গোলাকার দাগ সৃষ্টি করে।
  • সেবরিক একজিমা: এটি সাধারণত কানের পিছনে, নাকের পাশে, ভ্রুতে এবং বিশেষ করে মাথার ত্বকে ঘটে। এটি লাল, আঁশযুক্ত ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে এবং চুলকায়।
  • নিউরোডার্মাটাইটিস: এই ধরনের একজিমা চুলকানি হতে পারে এমন জায়গাতে বেশি দেখা যায় যেমন গলার পিছনদিকে, মাথার ত্বকে, যৌনাঙ্গে, কানে ইত্যাদি।
  • স্ট্যাসিস ডার্মাটাইটিস: বেশিরভাগ বয়স্ক জনগোষ্ঠীতে, এটি ঘটে যখন পায়ের শিরাগুলি ফুলে যায় এবং তরল বের হয় (পায়ে দুর্বল সঞ্চালনের কারণে) ফোলা, চুলকানি এবং ত্বক লাল হয়ে যায়।

একজিমার প্রধান লক্ষণ

একজিমার লক্ষণগুলি শিশু ও প্রাপ্ত-বয়স্কদের মধ্যে আলাদা-আলাদা হতে পারে

চুলকানি: ত্বকে জ্বালা করে এবং চুলকানি হয়। বাচ্চাদের ত্বকে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, তবে যে কোনও বয়সেই এটা হতে পারে। একবার একজিমা হলে তা সহজে সারতে চায় না। দীর্ঘদিন ভোগায় এই রোগ।

শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় একজিমা আরও প্রকট হয়। চুলকানি থাকে প্রচণ্ড, আর নখ দিয়ে চুলকালে অবস্থা আরও খারাপ হয়। অনেক সময় সংক্রমণও হয়ে যায়। 

স্কেলিং: ত্বকের উপরিভাগ রুক্ষ, আঁশযুক্ত চেহারা যেমন ত্বকের ফ্লেক্স থাকে। হাত ও পায়ের ত্বকে ছোট ছোট পানির ফুসকুড়ি হতে পারে।

ত্বকে তরল: আবার ত্বকে সংক্রমণ হলে ত্বক ভেজা ভেজা হতে পারে এবং পুঁজ বের হতে পারে। ত্বকের যে সমস্ত জায়গা বারবার চুলকানো হয় সেগুলো পুরু হয়ে যেতে পারে।

ফাটল: মাঝে মাঝে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত ত্বকে বেদনাদায়ক, গভীর ফাটল দেখা দিতে পারে, যাকে ফিসারও বলা হয়।

একজিমার চিকিৎসা: একজিমা একটি দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের অবস্থা এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করতে কয়েক মাস বা বছর লাগতে পারে। বয়স, রোগের লক্ষণ এবং শরীরে অন্যান্য অসুখ বিসুখের নিরিখে চিকিৎসার ধরন ঠিক করা হয়। ঠিক চিকিৎসায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একেবারেই সেরে যায় এই রোগটি। সেই কারণে এখন ‘কমপ্লিট কিয়োর’ শব্দটি এগজ়িমার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এই চিকিৎসা যত দিন প্রয়োজন, ধৈর্যের সঙ্গে তা কিন্তু চালিয়ে যেতে হবে। প্রতি বছর কয়েকমাস করে প্রায় পাঁচ-ছ’বছর এর চিকিৎসা চালিয়ে গেলে তবেই এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব।”

ক্রিম: কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম বা মলম আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে। ত্বক ময়শ্চারাইজ করার পর আক্রান্ত স্থানে ক্রিম লাগাতে হবে। এই ওষুধটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া এবং ত্বকের ভাঙ্গন হতে পারে। কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম চুলকানি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্বক মেরামত করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টিবায়োটিক: খোলা ঘা এবং ফাটলগুলির ক্ষেত্রে, আপনার ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমণের তীব্রতার উপর নির্ভর করে আপনার চিকিৎসক কে আপনাকে একটি অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা ট্যাবলেট লিখে দিতে পারেন। ওরাল অ্যান্টিবায়োটিকগুলি সংক্রমণের চিকিত্সার জন্য অল্প সময় নেয়।

একজিমা দূর করার ঘরোয়া উপায় : 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রোজকার জীবনে অবশ্যই মেনে চলা দরকার কিছু নিয়ম। এগুলো মেনে চললে ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, ত্বকের অনেক সমস্যাই আর কষ্ট দেওয়ার জায়গায় পৌঁছতে পারে না।

  • একজিমা এড়ানোর জন্য শক্ত জাতীয় সাবান ব্যবহার না করাই ভাল। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিম বা অয়েনমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। গরম জলে স্নান করাই ভাল। ১০-১৫ মিনিটের বেশি স্নান করা উচিত নয়।
  • সারা বছর ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করুন। প্রত্যেক দিন স্নান করার তিন মিনিটের মধ্যে সারা শরীরে ভাল করে মেখে নিতে হবে ময়শ্চারাইজ়ার।
  • গরম এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় উপযুক্ত পোশাক পরুন এবং ব্যায়ামের সময়ও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া রোধ করুন। রুক্ষ এবং আঁচড়যুক্ত পোশাক এড়িয়ে চলুন।
  • ধূলাবালি, ফুলের রেণু এবং সিগারেটের ধোঁয়া অর্থাৎ যেগুলো থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • সরিষার তেল, কাদামাটি, গাছপালা, চন্দন, নোংরা পানি, আনাজপত্র—বিশেষত পেঁপে, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদির সংস্পর্শে আসা একজিমা রোগীর উচিত নয়।
  • সব সময়ে হাতের নখ যেন ছোট করে কাটা থাকে। এগজ়িমার চুলকানি বেশির ভাগ সময়েই নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়। হাতে নখ ছোট করে কাটা থাকলে সংক্রমণের ভয় কমবে।
  • একজিমা রোগীর সমুদ্রে গোসল না করাই ভালো। কেননা নোনা পানি এবং বালুর প্রভাবে একজিমা অনেক সময় বেড়ে যায়।
  • পরিমিত ঘুম এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করুন।
0 comments
2 FacebookTwitterPinterestEmail
কোষ্ঠকাঠিন্য-দূর-করার ঘরোয়া-এবং-প্রাকৃতিক-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন ঘরোয়া এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসায়

by Dr. Baby Akter 14/08/2023
written by Dr. Baby Akter

যদি সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হয় অথবা খুব কম পরিমাণে হয়, অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করেও মলত্যাগ না হয়, অথবা মল অস্বাভাবিক রকমের শক্ত বা শুকনো হয়, তাহলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা জন্য বেশি দায়ী। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা বংশগত। 

প্রতিদিন অন্তত ৪-৬  গ্লাস তরল পানীয় পান  করুন।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পানি ও বিভিন্ন ফলের জুস। 

এই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেই আরো ভয়াবহ নানা রোগের জন্ম হয়। ঘরোয়া উপায়ে এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসা আর সহজলভ্য খাবার পরিমাণমত গ্রহণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সম্ভব।

জেনে নেয়া যাক কি সেই ঘরোয়া উপায় যাতে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য

  • ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল  প্রয়োজন মত ১-৫ চামচ রাতে ঘুমানোর আগে এককাপ গরম দুধ বা পানির সাথে মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। বড়দের ক্ষেত্রে ২-৪ চামচ এবং ছোটদের ক্ষেত্রে ১ চামচই যথেষ্ট। 
  • ছোট কালো হরীতকী ১০০ গ্রাম দেশি ঘিয়ে ভেজে নিন। ৫০ গ্রাম মৌরিও একই ভাবে গিয়ে ভেজে নিন। মৌরি ভাজা হলে সাথে আরো ৫০ গ্রাম কাঁচা মৌরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর ভাজা হরীতকী এবং মিক্স করা মৌরি আধপেষা করে গুড়ো করে এবার এই ২০০ গ্রাম আধপেষা গুড়ো সাথে ২০০ গ্রাম গাওয়া ঘিয়ে মাখিয়ে কাচের পাত্রে করে রেখে দিন। তৈরি হয়ে গেলো আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রাকৃতিক ঔষধ। 

খাওয়ার নিয়ম : চুর্ণ থেকে ১০ গ্রাম বা ২ চামচ কর প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খান। এই ঔষধ খাওয়ার ২ ঘন্টা আগে ও পরে কিছু খাবেন না। কিছুদিন নিয়মিত এই ঔষধ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যায়। প্রায় পেটের সমস্যা এই প্রাকৃতিক ঔষধ দিয়ে নির্মূল হয়ে যায়।

  • ২ টি কমলালেবু রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়ালে কোষ্ঠকাঠিন্যে একেবারে সেরে যায়। ৪-১০ দিন খেলেই উপকার পাওয়া যায়। এই রস খাওয়ার পর ১-২ ঘন্টা কিছু খাওয়া যাবে না।
  • একটি বড় এলাচ এক কাপ গরম দুধে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই এলাচটি থেঁতো করে দুধের সঙ্গেই খেয়ে ফেলুন। সকালে আর রাতে এই ভাবে এলাচ-দুধ খেতে পারলে মারাত্মক রকমের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।
  • প্রতিদিন রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার ঘন্টাখানেক আগে একটি সম্পূর্ণ আপেল খান। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় উপকার পাবেন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ গরম পানি খান। গরম পানি খেলে তা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে । তাই নিয়মিত রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ গরম পানি  খাওয়ার অভ্যাস করুন।
  • রোজ অন্তত ২৫ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে বাঁধাকপি জাতীয় সবজি, আপেল, ডুমুর, ব্ল্যাক বিন।
  • আপনার মলত্যাগের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। দীর্ঘ সময় ধরে অন্ত্রে মল চেপে রাখলে মল বেশি শক্ত হয়ে যায়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার সৃষ্টি হয়।  তাই প্রতিদিন রুটিন করে মলত্যাগ করুন।
  • প্রতিদিন প্রচুর পানি ও তরল এবং যথেষ্ট আঁশযুক্ত খাবার খান। গোটা শস্য, শাকসবজি, ফলমূল যেমন বেল, পেঁপে ইত্যাদি হলো আঁশযুক্ত খাবার। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
আঁচিল-বা-তিল-দূর-করুন-ঘরোয়া-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

আঁচিল বা তিল দূর করুন ঘরোয়া চিকিৎসায়

by Dr. Baby Akter 13/08/2023
written by Dr. Baby Akter

ত্বকের এক বিব্রতকর সমস্যা হলো আঁচিল বা তিল। আঁচিল কোনো ক্ষতি করে না, তবে তা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। আবার একেবারে নিরীহও কিন্তু নয় এ আঁচিল। ক্যানসারের ভাইরাস লুকিয়ে থাকে এতে।  তবে কিছু উপায় ঘরে বসে মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল বা তিল দূর করার উপায় গুলো হলো –

  • প্রতিদিন সকাল-বিকাল ১-২ ফোঁটা রেডির তেল তিল , আঁচিলের উপর দিয়ে হালকা মালিশ করলে যাচ্ছিল দূর হয়ে যায়। ১-২ মাস করতে হবে। 
  • শ্লেট পাথর , পাপড় নামেও পরিচিত ,অন্য কোন পাথরের উপর সামান্য পানি দিয়ে চন্দনের মত ঘষে নিয়ে তিল বা আঁচিলের উপর দিনে ২ বার লাগান ২ সপ্তাহের মধ্যে আঁচিল শিথিল হয়ে পড়বে।
  • কাঁচা গোল আলু আঁচিল দূর করার দারুণ এক প্রাকৃতিক উপাদান। সতেজ একটি কাঁচা আলু গোল গোল করে কাটুন। সেটি দিয়ে দিনে কয়েকবার আঁচিলের ওপর ঘষুন। ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে।
  • আঁচিলের ওপর পেঁয়াজ মাখিয়ে তা ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। দিনে দুবার পেঁয়াজ ও ব্যান্ডেজ বদলে নিতে হবে। এভাবে দুই সপ্তাহ করুন।
  • আদাকে টুকরো করে নিয়ে একটা টুকরো  ছুঁচলো করে নিন. তারপর তিলের ওপর সামান্য চুন লাগিয়ে আদা দিয়ে ঘষতে থাকুন। একটু ব্যথা বা ফোলতে পারে। এতে তিল বিনা অপারেশনে খুলে বা কেটে পড়ে যাবে। কোন ধরণের দাগও থাকবে না।
  • ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারী। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে আঁচিলের জায়গায় লাগালে উপকার পাবেন।
  • এক কাপ পানিতে আধা চা-চামচ বেইকিং সোডা মিশিয়ে নিন । তুলার বল এই মিশ্রণে ডুবিয়ে তা আঁচিলের ওপর বসিয়ে দিন । ১৫ মিনিট রাখুন।
  • পানির সঙ্গে শুকনা মরিচ বাটা মিশিয়ে ‘পেস্ট’ তৈরি করুন ।  এটি আঁচিলের ওপর দিনে দুই বেলা প্রয়োগ করুন। কমপক্ষে ২ সপ্তাহ। এতে আঁচিল রং বদলাবে এবং ছোট হতে থাকবে। শুকনা মরিচ  আঁচিল দূর করতে এর কার্যকারিতা ওষুধ হিসেবে  বহু বছর ধরে প্রমাণিত।
  • কলার খোসার পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের উপর সারা রাত লাগিয়ে রাখুন। অথবা খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের উপর দীর্ঘক্ষন লাগিয়ে রাখুন। এতে আপনার আঁচিল ধীরে ধীরে  চলে যাবে।
  • ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম মাখিয়ে দাঁত ব্রাশের সাহায্য  আলতোভাবে আঁচিলের ওপর ঘষতে থাকুন । দিনে ২ বার করে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ করুন। ডিম আঁচিলের ওপর একটা সুরক্ষাকবচ তৈরি করবে।  দুই সপ্তাহ পর সাবান দিয়ে আঁচিলের অংশটি ভালোভাবে ধুতে ফেলুন। কিছুদিন পর  আঁচিল দূর হয়ে যাবে।
  • ফুটন্ত গরম পানি আঁচিল দূর করার কার্যকরী পদ্ধতি। ফুটন্ত পানিতে আঁচিলের অংশটুকু ততক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন যতক্ষণ ব্যথা না করে। ব্যথা অনূভব হওয়ার সাথে সাথে  গরম পানি থেকে তুলে আঁচিলের ওপর ঠাণ্ডা কিছু দিন। দিনে ৩ বার করে ২ সপ্তাহ করুন।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঘুমের সমস্যার ঘরোয়া সমাধান
ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া উপায়ে ঘুমের সমস্যা দূর করুন

by Dr. Baby Akter 12/08/2023
written by Dr. Baby Akter

স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একজন মানুষের সুস্থ থাকার অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। বয়সভেদে বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতা বা ইনসমনিয়া সমস্যায় ভুগছেন। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে। অনিদ্রা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে আমরা ওষুধ সেবন না করে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারি। 

দীর্ঘমেয়াদি অনিদ্রা মানবদেহে বিভিন্ন গুরুতর জটিলতার জন্য দায়ী। ঘুমের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এবং ক্ষেত্রবিশেষে কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা গ্রহন করুন। 

 ঘুমের সমস্যা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • ঘুমুতে যাওয়ার ১ ঘন্টা পূর্বে ১ গ্লাস গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে খেতে পারেন একটা গভীর ঘুমের জন্য। দুধের ক্যালসিয়াম অনিদ্রা দূর করতে সহায়ক। 
  • ৩ গ্রাম পুদিনা ২০০ গ্রাম পানিতে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।  কুসুম গরম অবস্থায় ঐ পানিতে ২ চামচ মধু মিশিয়ে ঘুমানোর আগে পান করলে গভীর ঘুম আসে।  
  • মিষ্টি আপেলের মোরব্বা করে ঘুমানোর আগে খেয়ে সাথে ২৫০ গরম দুধ খেলে ভালো ঘুম আসে। এতে মন ও মস্তিষ্কের দুর্বলতা দূর হয়। এভাবে ১৫-২০ দিন খেতে হবে।  
  • ঘুম আসতে দেরি হলে হালকা গরম পানিতে পা ভালো করে ধুয়ে নিলে ঘুম আসতে সাহায্য করে। 
  • তরমুজের বীজের খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের নরম অংশ বের করে তাতে সাদা খসখস আলাদা আলাদা করে পিষে সমমাত্রায় মিশিয়ে নিন। ৩ গ্রাম পরিমান চুর্ণ  বা মিশ্রণ সকাল-বিকাল খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়। এতে মাথা ব্যথাও সারে। এটি ১-৩ সপ্তাহ খেতে হবে। 
  • ১ চা চামচ জিরার গুড়া ১ টা পাকা কলার সাথে চটকিয়ে খেতে পারেন প্রতিদিন ঘুমানোর ১ ঘন্টা পূর্বে বিশেষ করে অজীর্ণ থেকে সৃষ্ট অনিদ্রা দূরীকরণে বেশ কার্যকর।
  • মেথি গাছের পাতার ২ চামচ রসের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন ভাল নিদ্রার জন্য।
  • নিয়মিত প্রাণায়াম করুন। প্রাণায়াম হলো শ্বাসের ব্যায়াম। স্ট্রেস লেভেল কমে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা কমে। এতে ঘুমের সময়ই ঘুম আসে।
  • ঘুমের আগে মুঠোফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার, টিভি দেখা, গেমস খেলা পরিহার করুন।
  • দৈনিক একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এমনকি ছুটির দিনেও।
  • ব্যক্তিগত জীবনে কলহ কিংবা পারিবারিক, সামাজিক বা চাকরিক্ষেত্রে কোনো বিষয় নিয়ে টেনশন অথবা বিচলিত থাকা থেকে বিরত থাকুন। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
শিশুর দুধ বদহজম এর সমস্যা দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

শিশুর দুধ বদহজম এর সমস্যা দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 11/08/2023
written by Dr. Baby Akter

বুকের দুধ বা বোতলের দুধ পান করা শিশুদের অনেক সময় দুধ হজম হয় না, খাওয়া মাত্র বমি করে দেয়। তা স্বাস্থের জন্য মারাত্নক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে তাদের পুষ্টির অভাব হয়ে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যেতে পারে। কিছু ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে সহজে শিশুর  দুধ বদহজম এর এই সমস্যার প্রতিকার করা যায়। 

যদি দুধ বদ হজমের পাশাপাশি অন্যান্য উপসর্গও লক্ষ্য করা যায় এবং ঘরোয়া প্রতিকার কোন কাজ না করে, তাহলে অবিলম্বে কোন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহন করুন।

শিশুর দুধ বদহজম সমস্যা প্রতিকারের ঘরোয়া পদ্ধতিসমুহ

  • ২০০ গ্রাম দুধ গরম হওয়ার পর তাতে ২-৩ দিন বা ১ গ্রাম পরিমান পিপল বা পিপলু ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে দানা গুলো তুলে ফেলে দিন। এই পিপলু ফুটন্ত দুধে দিলে দুধের দোষ নষ্ট করে দেয় এবং দুধ সুপ্রাচ্য হয়ে যায়। এতে দুধ হজম হওয়ার ফলে বাচ্চারা আর বমি করে না। 
  • বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর আগে মা নিজে এক গ্লাস পানি পান করে নেন তাহলে বাচ্চাদের দুধ সহজে হজম হয় ফলে মুহুর্তে পায়খানা বা বমি হয় না।  
  • মায়েদের কান্নাকাটি বা ক্রোধের সময় বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এতে বাচ্চার দুধ হজমে সমস্যা হয়।   
  • ছোট পিপলু দুধে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ালে বাচ্চাদের লিভার ও প্লীহা ভালো থাকে।  
  • প্রতিদিন কয়েক চামচ জিরা পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে শিশুকে খাওয়ালে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদ হজম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জিরার হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি এবং গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনাও  হ্রাস করে। 
  • শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আগে এক চামচ নারকেল তেল গরম পানির মিশিয়ে দিনে তিন বার খাওয়ান। এতে আপনার শিশুর দুধ বদ হজমের সমস্যা দূর হবে। নারকেল তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • এক কাপ দুধে আধ চামচ মৌরি মিশিয়ে ফোটালে দুধ সহজ প্রাচ্য ও হালকা হয়ে যায়।  
  • দুধে একটা এলাচ খোসা ও দানা আলাদা করে দিয়ে ফুটিয়ে নিলে দুধের দোষ নষ্ট হয়ে যায়।  
  • প্রতিদিন দুধের বদহজম হলে রোজ সকালে বিশুদ্ধ পানিতে পরিমান মত লবন আর লেবুর রস মিশিয়ে পান করালে দুধ বদ হজমের সমস্যা তাড়াতাড়ি দূর হয়ে যাবে। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঘরোয়া চিকিৎসায় কৃমি প্রতিকার
ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া চিকিৎসায় কৃমি প্রতিকার

by Dr. Baby Akter 11/08/2023
written by Dr. Baby Akter

কৃমি হচ্ছে একরকমের পরজীবী প্রাণী, যা ড্রাকুনকুলিয়াসিস, বা গিনি ওয়ার্ম ডিজিজ (GWD) নামেও পরিচিত। পরজীবী হল এমন একটি প্রাণী যা মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে বাস করে সেখান থেকে খাবার গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। কোন সংক্রামিত প্রাণী যেমন, গরু, শূকর বা মাছ  রান্না করা মাংস খাওয়া, দূষিত পানি, দূষিত মাটির ব্যবহার ও নোংরা পরিবেশে বসবাসের ফলে অন্ত্রে কৃমি সংক্রামিত হয়।  

কৃমি শরীরে থাকলে প্রতিদিনই বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত হারিয়ে যায়। পেটে কৃমির আধিক্যে অন্ত্রনালীর পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্ত্র ফুটো করে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। তাই কৃমি প্রতিরোধে আমাদের যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে।

কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে পেটের কৃমি দূর করা যায়। যেমন –

  • মৌরি চুর্ণ করে ১/৪ ভাগ মধু মিশিয়ে দিনে ২ বার করে খেতে দিন। এতে যে কোন কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।  
  • জোয়ান ৩-৩ দানা পানের সাথে খান এর ফলে কৃমি মরে যাবে।  
  • কালো জিরা গুড়ো মিশিয়ে খেতে দিন, এতে যে কোন কৃমি নিমূর্ল হবে।  
  • কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। সকালে খালি পেটে  ২/৩ কোয়া কাঁচা রসুন খান। এভাবে কিছুদিন দিন সকালে নিয়মিত দুই-তিনটি করে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে কৃমি মরে যায়। প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাঙ্গাস মেরে ফেলতে পারে রসুন।
  • অতিস ও ভায়বিড়ং এর সমভাগ ১২০-২৫০  গ্রাম মাত্রায় মায়ের দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের কৃমি দূর হয়।  
  • ১২০-২৫০ মি.লি. গ্রাম বচ দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের কৃমি নষ্ট হয়ে যায়। 
  • পাকা পেঁপের বীজ গুঁড়ো করে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে দিন। এতে যেকোনো ধরনের কৃমি মির্মূল হয়। তাই ভালো ফল পেতে মধুর সাথে পাকা পেঁপেও খাওয়া যেতে পারে।
  • কলা গাছের শেকড় শুকিয়ে চুর্ণ গুঁড়ো করে নিন। ২ মাশা পরিমান চুর্ণ গরম পানি সাথে খেতে দিন। এতে পেটের  কৃমি বেরিয়ে যাবে এবং পরে কৃমি হওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে।  
  • এক চা চামচ শসার বীজ গুঁড়ো করে কাঁচা হলুদের সাথে মিশিয়ে খেলে পেটে ফিতাকৃমি থাকলে তা মরে যায়। 

 এভাবে ঘরোয়া বা প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করেও কৃমি দূর না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে পুরো পরিবার এক সাথে কৃমির ওষুধ সেবন করতে হবে । 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ব্রণের-ঘরোয়া-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

ব্রণের ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 09/08/2023
written by Dr. Baby Akter

সব বয়সের মানুষই ব্রণের সমস্যায় ভোগে। বেশিরভাগ মানুষই অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। কিছু ঘরোয়া উপায়ে আমরা সহজে সমাধান  করতে পারি  ব্রণ সমস্যার সমাধান। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেসব কার্যকরী ঘরোয়া উপায়।

  • কমলালেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে মিহি করে চূর্ণ করে সেই সাথে সম পরিমান বেসন দিয়ে কিছু পানি দিয়ে ভালো ভাবে মিক্স করে মিশ্রণটি ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর আলতোভাবে ব্রণের উপর লেপন করুন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 
  • মুলতানি মাটির সাথে সমপরিমাণ  কমলালেবুর খোসার চূর্ণ এবং পানি মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে আলতোভাবে ব্রণের উপর লাগিয়ে ১০-১২ মিনিট পর শুকিয়ে আসলে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
  • কমলালেবুর খোসার চূর্ণ গোলাপ জলে মিশিয়ে পেস্ট করে সাবানের পরিবর্তে ২-৩ দিন দিন অন্তর অন্তর লাগান। ব্রণের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যাবে। বসন্তের দাগ দূর করতে এটি খুব কার্যকরী। 
  • প্রতিদিন সকালে বাসি মুখের থুথু ব্রণের উপর  লাগান এটি অত্যন্ত ফলপ্রদক পদ্ধতি ব্রণ দূর করার জন্য।
  • মুনাক্কা (Black Grape) পরিষ্কার করে ধুয়ে রাতে ৬০ গ্রাম পানিতে ভিজিয়ে  রাখুন।সকালে ঐ  মোনাক্কার বীজ ফেলে চিবিয়ে খেয়ে নিন।  প্রায় ১ এক মাস খেলে ব্রণ চলে যাবে।
  • একটা পাত্রে  গরম পানি নিয়ে চোখ বন্ধ করে ২-৩ মিনিট ভাপ নিন। এটি নিয়মিত ১৫-১৬ দিন করলে দ্রুত ব্রণ দূর হয়ে যায়।
  • রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন, ব্রণে অনেকটা শুকিয়ে গেছে। এতে একদিনের মধ্যেই শুকিয়ে যায় ব্রণ।
  • দুই টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে ব্রণের ঠিক উপরে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে পারেন। সহজে ব্রণ নির্মূল হবে।  
  • এক চামচ অ্যালোভেরার সঙ্গে চার-পাঁচটি করে তুলসী ও নিমপাতা পেস্ট করে নিয়মিত খেলে ব্রণের সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। 
  • অত্যাধিক যৌন ভাবনায় মুখে ব্রণ উঠে তাই যৌন উদ্দীপক বই, সাহিত্য ,ছবি , সিনেমা ইত্যাদি দেখা থেকে বিরত থাকুন এবং মনকে শান্ত,পরিছন্ন ও পবিত্র রাখুন।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
  • 1
  • 2

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা