MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

সুস্থ জীবনধারা

শীতে-চুলের-যত্ন-ও-ঘরোয়া-প্যাক
রূপচর্চা ও চুলের যত্ন

শীতে চুলের যত্ন ও চমৎকার কার্যকরী ঘরোয়া প্যাক

by Dr. Baby Akter 12/10/2023
written by Dr. Baby Akter

শীতেকালে হিমহিম বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায় ধুলা বালির প্রকোপ বেড়ে যায়। খুশকি, ড্রাই স্ক্যাল্পের সমস্যা ও অতিরিক্ত রুক্ষতাসহ দেখা চুলের নানারকম সমস্যা। তাই চুলের ধরন বুঝে চুলের যত্ন নিতে হবে। স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বক হয় দুই রকমের- শুষ্ক ও তৈলাক্ত। শুষ্ক ত্বকে খুশকির সমস্যা বেশি দেখা দেয় আর মাথার ত্বক তৈলাক্ত হলেও চুল শুষ্ক হয়ে যায়। তাছাড়া অনেক সময় শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে হওয়া খুশকি থেকে চুলের গোড়া আলগা হয়। ফলে চুল ঝরাও বেড়ে যায় অনেকগুণ। তবে সামান্য ঘরোয়া উপকরণ দিয়ে যত্ন নিলে অল্প খরচেই এই শীতেও চুল থাকবে ঝরঝরে, সুন্দর আর সতেজ।

স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বক হয় দুই রকমের শুষ্ক ও তৈলাক্ত। ত্বকের ধরন বুঝে যত্ন নিতে হয়, তেমনি চুলেরও ধরন বুঝে যত্ন নিতে হবে। তাহলে এই শীতেও  আপনার চুল থাকবে কোমল, ঝলমলে ও মসৃণ

শীতে চুলের যত্নের গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপায় ও ঘরোয়া প্যাক 

টি ট্রি এর সঙ্গে নারকেল তেল

নারকেল তেলের মধ্যে থাকে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল অনেক উপাদান, আর টি ট্রির তো তুলনা নেই। ২ টেবিল চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন ৫-৬ ফোঁটা টি ট্রি এসেনশিয়াল ওয়েল। তাই এই ২ তেলের মিশ্রণ আপনার চুলের সুস্থ ত্বকের জন্য পর্যাপ্ত শক্তিশালী। স্ক্যাল্পে অনেক সময় খুশকি, স্ক্যাল্পের র‌্যাশ সহ অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। সেজন্য টি ট্রি তেলের ব্যবহারে স্ক্যাল্পের সব সমস্যা দূর হবে।

বাদাম তেল

শীতে যদি চুলের রুক্ষতা বেশি অনুভব করেন, সেক্ষেত্রে বাদাম তেলের কোনো তুলনা নেই। ওমেগা থ্রী ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ এই তেল যে কেবল চুলের জন্য উপকারী তা নয়, স্বাস্থ্যকর স্ক্যাল্পের জন্যও বিশেষভাবে কার্যকর। তাই শীতের এই রুক্ষ সময়েও আপনার চুল  উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখার জন্য চুলের গোঁড়ায় এই তেল দিতে পারেন সপ্তাহে ১ একদিন। 

মধু 

গোসলের সময় আধ কাপের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণ মধু এক মগ জলে মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহারের পরিবর্তে চুলে এই মিশ্রণ ঢেলে দিন। আঙুল চালিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। চুল পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। এই মিশ্রণ সব ধরনের চুলের জন্য উপকারী।

মৌরি 

মৌরি এবং সমপরিমাণ পানি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন ভালোমতো বেটে মাথার ত্বকে ১ ঘন্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেললে খুশকি দূর হবে। বিশেষ করে মাথার তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অর্থাৎ খুশকি ত্বকের সঙ্গে লেগে থাকে, এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে মৌরি বেশ উপকারী । 

মেথি ও তেলের মিশ্রণ

চুলকে অনেক বেশি সিল্কি আর স্মুথ করতে এবং চুলের উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে এই তেল বেশ কার্যকরী। তেলের সঙ্গে মেথি গুড়া মিশিয়ে নিতে হবে। চুলের গোড়ায় আঙ্গুলের ডগা দিয়ে লাগাতে হবে। অপর পদ্ধতি হলো- আস্ত মেথি দানা নারকেল তেলের সঙ্গে ভিজিয়ে রাখা। দুটির যেকোনো একটি ব্যবহার শুরু করলে ভালো ফল পাবেন।

অ্যালোভেরা

চুল ও মাথার ত্বকে পি এইচ-এর ভারসাম্য রক্ষা করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকর। বাজারের অ্যালোভেরা জেলগুলোতে রাসায়নিকের উপস্থিতি  তা অনেক সময় ক্ষতিকর হয় । তাই প্রাকৃতিক উপায়ে সে জেল হাতে এলে সেটাই ব্যবহার করা ভাল। অ্যালোভেরা পাতার শাঁসটা বার করে   শ্যাম্পুর পর চুলের আগা থেকে গোড়া এই শাঁস লাগান ও মাথার ত্বকে আঙুলের সাহায্যে মাসাজ করুন। তবে অনেকের এই শাঁস ত্বকে সহ্য হয় না তাঁরা ফুটিয়ে নিয়ে তবেই ব্যবহার করুন।

আমলকী, মেথি ও মধুর প্যাক 

২ টেবিল চামচ মেথি ও ২ টেবিল চামচ শুকনা আমলকী এক কাপ পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখার পর বেটে ফেলুন। এরপর এর সঙ্গে মেশান দুই-তিন চা-চামচ মধু। এই মিশ্রণ চুলের গোড়ায় লাগালে খুশকি যেমন দূর হবে তেমনি চুলে পুষ্টি জোগাতেও সাহায্য করবেও সেই সাথে খুশকি দূর হবে। এটি শীতকালে মাথার শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি উপযুক্ত।  

ডিম্ ও মধুর প্যাক 

২ টা ডিম ভেঙে তাতে ৩ চামচ মধু যোগ করে ফেটিয়ে তরপর গোসলের  আগে চুলে লাগিয়ে ১-২ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন খুব ভাল করে। শ্যাম্পুর পর ক্ষারবিহীন বা খুব অল্প ক্ষারযুক্ত কোনও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। রুক্ষ ও তেলতেলে  বিশেষ করে  শীতে যাদের  চুলে খুব জট পড়ে, উভয় প্রকার চুলের জন্যই বিশেষ কার্যকরী এই প্যাক।

জবা ও তেলের মিশ্রণ

চুল ঝরঝরে, সুন্দর আর সতেজ রাখতে আর  খুশকি ও রুক্ষতা  দূর করতে জবা ফুলের কার্যকরী ভেষজ গুণ রয়েছে। একটি ছোট পাত্রে  কয়েকটি পাতাসহ জবা ফুল কিছুটা নারকেল তেলের সঙ্গে দিয়ে দিন। ফুলের নির্জাস ভালোভাবে মেশার জন্য  অল্প আঁচে তেল গরম করুন। ঠাণ্ডা করে কোনো কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করুন। স্ক্যাল্পে গোসল করার ১ ঘণ্টা আগে এই তেল দিয়ে রাখুন। কয়েক মাসেই  মধ্যে ফলাফল পাওয়া যাবে।  

নিয়মিত চুল ধুতে হবে

ঠান্ডার একধরনের ভীতির কারণে অনেকে নিয়মিত গোসল করতে চায় না। কেউ কেউ আবার গোসল করলেও শরীরে গরম পানি ব্যবহার করেন। শরীরে গরম পানি ব্যবহার করলেও মাথায় গরম পানি ব্যবহার করা যায় না। এ জন্য অনেকে গোসলের সময় চুল ভেজান না। ফলে শ্যাম্পুও করা হয় না নিয়মিত। এটি একেবারেই করা উচিত নয়। বরং এ সময় বাইরে অনেক বেশি ধুলাবালু উড়ে বলে প্রতিদিন  চুল পরিষ্কার করা উচিত। এবং চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুতে হবে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
শুষ্ক ত্বকের ঘরোয়া যত্ন
রূপচর্চা ও চুলের যত্ন

শীতে শুষ্ক ত্বকের ঘরোয়া যত্ন

by Dr. Baby Akter 12/10/2023
written by Dr. Baby Akter

শীতের হিমেল হাওয়া আরামদায়ক হলেও শরীরের ত্বকের উপযুক্ত নয়। ঋতু বদলের পালায় ত্বকে কিছু আলাদা আলাদা সমস্যা তৈরি হয়। শীতের মাসগুলিতে আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে শুষ্ক, চুলকানি এবং বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। শীত যত বাড়তে থাকে, ত্বকের সমস্যা ততই বেশি হতে শুরু করে। ত্বক তিন ধরনের হয়- তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র। তৈলাক্ত ত্বকও এ সময় মলিন হয়ে যায় এবং মুখ ধোয়ার পরপরই ত্বকে দেখা যায় শুষ্ক টান টান ভাব। আর শুষ্ক ত্বকের জন্য শীত যেন এক দুঃস্বপ্ন। তাই শীতের শুরু থেকে নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা করলে আপনি থাকবেন সতেজ, তরতাজা।

বেশি করে পানি পান করুন । শীতে শুধু ত্বক নয়, শুষ্ক পরিবেশের কারণে গোটা শরীরে আদ্রতার অভাব দেখা যায়। তাই শীতে পানির পিপাসা না পেলেও সময় মেনে দৈনিক ৩-৪ লিটার পানি পান করুন ।

শীতে কি কি ঘরোয়া যত্নের মাধ্যমে শুষ্ক ত্বককে মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করা যায়?

পানি পান করা

যে কোন ধরনের ঋতুই হোক না কেন পানিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়া উচিত। শরীরে পানির গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যেহেতু আমাদের শরীরের দুই-তৃতীয়াংশ পানি  দিয়ে তৈরি, তাই আমাদের নিয়মিত তা পূরণ করতে হবে, বিশেষ করে শীতের মাসগুলোতে ৭-৯ গ্লাস পানি পান করা আপনাকে হাইড্রেটেড রাখবে এবং আপনার ত্বককে সুস্থ দেখাবে।

নারিকেল তেল

শীতে নারিকেল তেলের ব্যবহার, ফেটে যাওয়া ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে পারে। তেল ম্যাসাজ করলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিদিন গোসলের আগে নারিকেল তেল দিয়ে মাসাজ করুন। 

জলপাই তেল/অলিভ অয়েল 

শীতে শুষ্ক ত্বকের জন্য জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। অলিভ অয়েল রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘ই’ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা ত্বককে সতেজ রাখে ও ময়েশ্চারাইজ করে।

ময়েশ্চারাইজার বা বডি বাটার ব্যবহার

ভাল মানের ময়েশ্চারাইজার শীতে ত্বকের যত্নে বিশেষভাবে সাহায্য করে। ত্বকের শুষ্কতা বজায় রাখতে অ্যাভোকাডো তেল, নারকেল তেল, এবং তিলের তেল খুবই উপকারী। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে বডি লোশনের পরিবর্তে ক্রিম ব্যবহার করুন। গোসলের পর পরই ভেজা থাকা অবস্থাতেই তেল মেখে ফেলতে পারলে আর্দ্রতা বজায় থাকে অনেকটাই।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা শুষ্ক ত্বকের যত্নে  জন্য অতুলনীয়। এক চামচ নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল, অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি মুখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সাধারণত ত্বক থেকে দূষিত পদার্থ বের করার জন্য অ্যালোভেরা জেল ও নারিকেল তেল ত্বকে পরিশোধনের কাজ করে। 

পাকা কলা আর মধু

একটি পাকা কলা চটকে নিন, তাতে মেশান দুই টেবিল চামচ মধু। ভালো করে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুষ্ক ত্বকের যত্নে অধিক উপকারী। 

দুধ-বেসন পেস্ট

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে ও বয়সের ছাপ কমাতেও বেসন অতুলনীয়। দুধের ভিটামিন ও মিনারেল ত্বককে সতেজ করে তোলে। ত্বককে প্রাণবন্ত রাখার জন্য দুধ ও বেসনের পেস্টটি সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন।

পাকা পেঁপে

১/২  কাপ চটকানো পাকা পেঁপের সাথে ১ টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মুখে ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩-৪ বার এই মিশ্রণ ব্যবহারে শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ও মসৃণতা ফিরে আসবে।

গরম পানির ব্যবহার

গরম পানিতে গোসল করে আরাম লাগলেও শীতকালে কিন্তু গরম পানি ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। বিশেষজ্ঞদের মতে গরম পানি ত্বকের উপরিভাগে থাকা প্রাকৃতিক তেলের স্তর নষ্ট করে। এ সময়ে  গরম পানির  ব্যবহার কম করার চেষ্টা করুন।

সাবান ব্যবহার কম

শীতকালে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন, ত্বকে  অতিরিক্ত তরল সাবানের ব্যবহার না করা হয়। অতিরিক্ত সাবানের ব্যবহার শুষ্ক ত্বকে  ক্ষতিকর। 

অ্যালোভেরা আর মধু

 ১ চা চামচ মধু এবং ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল একসাথে মেশান। সারা মুখে, বিশেষ করে শুকনোভাব যেখানে বেশি সেই অংশে লাগান। আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

বাইরে যাওয়ার আগে যা করবেন 

শীতের রোদ গায়ে  আরাম দিলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। অন্তত ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লোশন মেখে বাইরে বের হবেন। বেশি ময়েশ্চারাইজারযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, প্রয়োজনে পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন। 

ক্লিনজার 

শুষ্ক ত্বকের জন্য স্ক্রাবিং বেশি ভালো নয়। চাইলে মুসুর ডাল বেটে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন ক্লিনজার । ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এটি খুব কার্যকরী। মুসুর ডাল বাটার সাথে কাচা দুধ মিশিয়ে নিলে অধিক কার্যকরী। এটি মুখের সাথে সাথে সারা গায়ে লাগান। শুষ্ক ত্বক মসৃণ ও প্রাণবন্ত থাকবে। 

শীতে শুষ্ক ত্বকের কিছু  উপসর্গ

  • গোসলের পর বা মুখ ধোয়ার পর ত্বক টান টান লাগবে।
  • লালচে ভাব থাকতে পারে।
  • ত্বকের রেখাগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং বলিরেখাও পড়ে যেতে পারে।চুলকানি ভাব থাকতে পারে।
  • চামড়া সাদাটে হয়ে উঠে যেতে পারে। অর্থাৎ মৃত কোষ বেড়ে যায়।
  • নরম ত্বকের পরিবর্তে ত্বকে রাফ এবং শুষ্ক ভাব দেখা যাবে।
  • ত্বক শুকনো ও মলিন লাগবে।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
নিজের-ক্ষতিকর-১২-বদভ্যাসে-সতর্ক-হোন-আজ-থেকে
ক্ষতিকর অভ্যাস

ক্ষতিকর ১২টি বদভ্যাসে সতর্ক হোন আজ থেকে

by Dr. Baby Akter 24/08/2023
written by Dr. Baby Akter

ঘুম থেকে উঠেই ফোন চেক করা: দিনের সবচেয়ে সুন্দর আর ইতিবাচক সময় সকাল। সকালে উঠেই ফোন হাতে তুলবেন না। এই ভুলটা ভুলেও করবেন না। এতে আপনি দিনের শুরুতেই ভরাক্রান্ত হয়ে যেতে পারেন। যা আপনার সারা দিনের সুন্দর পরিকল্পনাকে নষ্ট করে দিতে পারে।  

ফোন স্ক্রলিং করা: মনে করুন, রাত ১০টায় ঘুমাতে গেলেন। চিন্তা করলেন, ফেসবুকটা একটু ঘুরে আসি। একটু চেক করে বের হয়ে যাবো । তারপর একসময় আপনি ঘড়ির দিকে তাকালেন, ১টা বাজতে ১০ মিনিট বাকি। দেরী করে ঘুমানোর কারণে আপনার সকালের গুরুত্বপূর্ণ সিডিউল মিস হয়ে যেতে পারে। 

দেরি করা: সকাল ১০টায় ঘুম থেকে ওঠা, দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া, অফিসে দেরি, ভাইভা দিতে গিয়েও দেরি, বাচ্চার জন্মদিনের পার্টিতে দেরি – এভাবেই আপনি ক্রমেই জীবন থেকে ছিটকে পড়েন এবং পিছিয়ে পড়ছেন। 

মানুষকে বিচার করা: কারো সাথে পরিচয় হওয়া মাত্র তাকে নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করা খুবই খারাপ অভ্যাস। আপনি যখন জাজমেন্টের শিকার হন, তখন কেমন লাগে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদেরকে আরও বেশি করে এই বাজে অভ্যাসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এটি আমরা না নিজের অজান্তে প্রায় করে থাকি। 

অজুহাতের সদ্ব্যবহার: আমরা সাধারণত নিজের দোষ বা বদ অভ্যাসের কথা স্বীকার না করে অভিযোগ আর অজুহাত দিয়েই চলতে থাকি। আপনি যদি অভিযোগ আর অজুহাত দিয়েই চলতে থাকেন, তাহলে আপনি পরিণত ব্যক্তিত্ব নন। জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়াদের সঙ্গে যোগ দেওয়া ছাড়া আপনার গতি নেই।

অতিরিক্ত লবন ও চিনি খাওয়া: খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবন বা পরিশোধিত চিনি খাওয়া বাদ দিন। বাদ দিতে না পারলে কমিয়ে ফেলুন। শারীরিকভাবে ভালো থাকবেন।

জাঙ্ক ফুড খাওয়া: জাঙ্ক ফুডে যে তেল ব্যবহার করা হয়, সেটা অনেক সময় স্বাস্থ্যকর নয়। ক্যালরির পরিমাণও অনেক বেশি। চিনি, লবণ, তেল -যে তিনটি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তার সবই এখানে বেশি থাকে। এগুলো বন্ধুদের সাথে আড্ডার ছলে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। 

একটু পরে করছি: এই একটু পরে করছি বলে যে কাজগুলো আপনি ফেলে রাখেন, সেগুলোর কতটি আপনি পরে করেন? ভেবে দেখেছেন ?

সবকিছুতেই ‘হ্যাঁ’ বলা: কোন বিচার বিবেচনা ছাড়াই আপনি কি সবকিছুতেই হ্যাঁ বলে ফেলেন। না বলতে শিখুন। যেটা পারবেন না তা কাঁধে নেয়ার দরকার নেই। নইলে আপনি বিপদে পড়বেন। অথবা কে জানে, ইতিমধ্যে বিপদে পড়েও হয়তো বা আপনার শিক্ষা হয়নি।

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা: আরেক শ্রেণির মানুষ আছেন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা যাঁদের স্বভাব। জীবনে ঘটেনি, এমন সব বিষয় চিন্তা করে তাঁরা দিনের একটা বড় অংশ তো নষ্ট করেনই, সেই সঙ্গে নষ্ট করেন নিজের মানসিক আর শারীরিক স্বাস্থ্য ও সৃজনশীলতা।

খারাপটাই ধারণা করা: ইতিবাচকতা ধরে রাখুন। মনে করুন, আপনার কোনো একটা ক্লায়েন্টের মিটিংয়ে আসতে দেরি হচ্ছে। ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি কেন ধরে নেবেন, তিনি আপনাকে উপেক্ষা করছেন? হয়তো তাঁর কোনো কারণে আসতে দেরি হচ্ছে, তাড়াহুড়োয় খেয়ালই করেননি যে ফোনটা সাইলেন্ট। এটা হতেই পারে তাই  নিজ থেকে আগ বুঝে নেয়া বন্ধ করুন। 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
সুস্থতার-জন্য-শাক-সবজি
খাদ্যাভ্যাস

শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

by Dr. Baby Akter 04/07/2023
written by Dr. Baby Akter

খাওয়া দাওয়ায় নিয়মিত শাক-সবজি আমাদের সুস্থতায় অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে সবুজ শাক-সবজি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সবুজ শাক-সবজিতে রয়েছে ভিটামিন, লবণ, আঁশ। আঁশযুক্ত শাক-সবজি পেট পরিস্কার রাখতে সাহায্য করে।

সঠিক নিয়ম মেনে নিয়মিত সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে কখনোই অতিরিক্ত ভিটামিন পিল খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক নিয়ম না মেনে শাক-সবজি রান্না করা হয়ে থাকে। এতে করে খাদ্যের পুষ্টিমান অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। আর এভাবে রান্না করা সবজির খাদ্যমান নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে শরীর যথাযথ পুষ্টি পায় না। এতে করে অর্থ, সময় আর শ্রমের অনেকটা অংশ যেমন নষ্ট হয় তেমনি শরীরও পুষ্টি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। সঠিক নিয়ম মেনে শাক-সবজি খাওয়া হলে তা শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বেশী ভুমিকা পালন করে। আসুন আজ জেনে নেওয়া যাক কি নিয়মে শাক-সবজি খেলে তার গুণাগুণ অক্ষুন্ন থাকবে।

  • তরকারির খোসা ও খোসার নীচে থাকে দেহের জন্য উপকারী মুল্যবান ভিটামিন ও খনিজ। এজন্য খোসাসহ সবজি রান্না করে খাওয়া উচিত।
  • সবজি কুটার আগে পুরোটাই ভালভাবে পানিতে ধুঁয়ে নিন। কখনোই সবজি কুটার পরে তা ধুতে যাবেন না।
  • কুটে নেওয়া সবজি কখনোই পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন না।
  • খুব বেশি কুচি কুচি করে বা পাতলা করে সবজি কাটা ঠিক নয়।
  • রান্না করবার অধিক সময় পূর্বে তরকারি কেটে রাখা ভাল নয়।
  • নিয়মিত বেশি পরিমাণ কাঁচা সবজির তৈরি স্যালাড খাবেন। পাতা জাতীয় কোন সবজি এবং সাথে কয়েকরকম সবজির মিশ্রণে তৈরী স্যলাড থেকে ভাল পুষ্টিমান পাওয়া যায়।
  • ভাতের মাড় কখনোই ফেলে দেওয়া ঠিক নয়। ভাতের মাড়ে প্রচুর ভিটামিন বি-১ থাকে।
  • ভাত, মাছ অথবা মাংস, ডাল, শাক-সবজি একসঙ্গে মিশিয়ে লেবু দিয়ে খেলে আয়রণ শোষণ ভাল হয়।
  • প্রধান খাবার এর সাথে সাথে চা, কফি খাওয়া উচিত নয়।
  • সকাল, দুপুর অথবা রাতের খাবারের পর পর দুধ খাওয়া ঠিক নয়, এতে ক্যালশিয়ামের শোষণ কমে যায়।
  • শাক-সবজি রান্নার সময় অবশ্যই তেল দিয়ে রান্না করতে হবে, শাক-সবজিতে থাকা ভিটামিন তেলের সাথে সহজেই দ্রবীভুত হতে পারে।
  • অধিক সময় ধরে শাক-সবজি রান্না করলে ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।
0 comments
63 FacebookTwitterPinterestEmail

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা