MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য ও ঘরোয়া চিকিৎসা

আঁচিল-বা-তিল-দূর-করুন-ঘরোয়া-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

আঁচিল বা তিল দূর করুন ঘরোয়া চিকিৎসায়

by Dr. Baby Akter 13/08/2023
written by Dr. Baby Akter

ত্বকের এক বিব্রতকর সমস্যা হলো আঁচিল বা তিল। আঁচিল কোনো ক্ষতি করে না, তবে তা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। আবার একেবারে নিরীহও কিন্তু নয় এ আঁচিল। ক্যানসারের ভাইরাস লুকিয়ে থাকে এতে।  তবে কিছু উপায় ঘরে বসে মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল বা তিল দূর করার উপায় গুলো হলো –

  • প্রতিদিন সকাল-বিকাল ১-২ ফোঁটা রেডির তেল তিল , আঁচিলের উপর দিয়ে হালকা মালিশ করলে যাচ্ছিল দূর হয়ে যায়। ১-২ মাস করতে হবে। 
  • শ্লেট পাথর , পাপড় নামেও পরিচিত ,অন্য কোন পাথরের উপর সামান্য পানি দিয়ে চন্দনের মত ঘষে নিয়ে তিল বা আঁচিলের উপর দিনে ২ বার লাগান ২ সপ্তাহের মধ্যে আঁচিল শিথিল হয়ে পড়বে।
  • কাঁচা গোল আলু আঁচিল দূর করার দারুণ এক প্রাকৃতিক উপাদান। সতেজ একটি কাঁচা আলু গোল গোল করে কাটুন। সেটি দিয়ে দিনে কয়েকবার আঁচিলের ওপর ঘষুন। ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে।
  • আঁচিলের ওপর পেঁয়াজ মাখিয়ে তা ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। দিনে দুবার পেঁয়াজ ও ব্যান্ডেজ বদলে নিতে হবে। এভাবে দুই সপ্তাহ করুন।
  • আদাকে টুকরো করে নিয়ে একটা টুকরো  ছুঁচলো করে নিন. তারপর তিলের ওপর সামান্য চুন লাগিয়ে আদা দিয়ে ঘষতে থাকুন। একটু ব্যথা বা ফোলতে পারে। এতে তিল বিনা অপারেশনে খুলে বা কেটে পড়ে যাবে। কোন ধরণের দাগও থাকবে না।
  • ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারী। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে আঁচিলের জায়গায় লাগালে উপকার পাবেন।
  • এক কাপ পানিতে আধা চা-চামচ বেইকিং সোডা মিশিয়ে নিন । তুলার বল এই মিশ্রণে ডুবিয়ে তা আঁচিলের ওপর বসিয়ে দিন । ১৫ মিনিট রাখুন।
  • পানির সঙ্গে শুকনা মরিচ বাটা মিশিয়ে ‘পেস্ট’ তৈরি করুন ।  এটি আঁচিলের ওপর দিনে দুই বেলা প্রয়োগ করুন। কমপক্ষে ২ সপ্তাহ। এতে আঁচিল রং বদলাবে এবং ছোট হতে থাকবে। শুকনা মরিচ  আঁচিল দূর করতে এর কার্যকারিতা ওষুধ হিসেবে  বহু বছর ধরে প্রমাণিত।
  • কলার খোসার পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের উপর সারা রাত লাগিয়ে রাখুন। অথবা খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের উপর দীর্ঘক্ষন লাগিয়ে রাখুন। এতে আপনার আঁচিল ধীরে ধীরে  চলে যাবে।
  • ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম মাখিয়ে দাঁত ব্রাশের সাহায্য  আলতোভাবে আঁচিলের ওপর ঘষতে থাকুন । দিনে ২ বার করে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ করুন। ডিম আঁচিলের ওপর একটা সুরক্ষাকবচ তৈরি করবে।  দুই সপ্তাহ পর সাবান দিয়ে আঁচিলের অংশটি ভালোভাবে ধুতে ফেলুন। কিছুদিন পর  আঁচিল দূর হয়ে যাবে।
  • ফুটন্ত গরম পানি আঁচিল দূর করার কার্যকরী পদ্ধতি। ফুটন্ত পানিতে আঁচিলের অংশটুকু ততক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন যতক্ষণ ব্যথা না করে। ব্যথা অনূভব হওয়ার সাথে সাথে  গরম পানি থেকে তুলে আঁচিলের ওপর ঠাণ্ডা কিছু দিন। দিনে ৩ বার করে ২ সপ্তাহ করুন।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঘুমের সমস্যার ঘরোয়া সমাধান
ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া উপায়ে ঘুমের সমস্যা দূর করুন

by Dr. Baby Akter 12/08/2023
written by Dr. Baby Akter

স্বাভাবিক প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একজন মানুষের সুস্থ থাকার অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে তা স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। বয়সভেদে বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতা বা ইনসমনিয়া সমস্যায় ভুগছেন। অনেকে ঘুমের সমস্যা দূর করতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে পারে। অনিদ্রা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে আমরা ওষুধ সেবন না করে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারি। 

দীর্ঘমেয়াদি অনিদ্রা মানবদেহে বিভিন্ন গুরুতর জটিলতার জন্য দায়ী। ঘুমের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এবং ক্ষেত্রবিশেষে কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা গ্রহন করুন। 

 ঘুমের সমস্যা দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • ঘুমুতে যাওয়ার ১ ঘন্টা পূর্বে ১ গ্লাস গরম দুধের সাথে ১ চা চামচ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে খেতে পারেন একটা গভীর ঘুমের জন্য। দুধের ক্যালসিয়াম অনিদ্রা দূর করতে সহায়ক। 
  • ৩ গ্রাম পুদিনা ২০০ গ্রাম পানিতে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।  কুসুম গরম অবস্থায় ঐ পানিতে ২ চামচ মধু মিশিয়ে ঘুমানোর আগে পান করলে গভীর ঘুম আসে।  
  • মিষ্টি আপেলের মোরব্বা করে ঘুমানোর আগে খেয়ে সাথে ২৫০ গরম দুধ খেলে ভালো ঘুম আসে। এতে মন ও মস্তিষ্কের দুর্বলতা দূর হয়। এভাবে ১৫-২০ দিন খেতে হবে।  
  • ঘুম আসতে দেরি হলে হালকা গরম পানিতে পা ভালো করে ধুয়ে নিলে ঘুম আসতে সাহায্য করে। 
  • তরমুজের বীজের খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের নরম অংশ বের করে তাতে সাদা খসখস আলাদা আলাদা করে পিষে সমমাত্রায় মিশিয়ে নিন। ৩ গ্রাম পরিমান চুর্ণ  বা মিশ্রণ সকাল-বিকাল খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়। এতে মাথা ব্যথাও সারে। এটি ১-৩ সপ্তাহ খেতে হবে। 
  • ১ চা চামচ জিরার গুড়া ১ টা পাকা কলার সাথে চটকিয়ে খেতে পারেন প্রতিদিন ঘুমানোর ১ ঘন্টা পূর্বে বিশেষ করে অজীর্ণ থেকে সৃষ্ট অনিদ্রা দূরীকরণে বেশ কার্যকর।
  • মেথি গাছের পাতার ২ চামচ রসের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন ভাল নিদ্রার জন্য।
  • নিয়মিত প্রাণায়াম করুন। প্রাণায়াম হলো শ্বাসের ব্যায়াম। স্ট্রেস লেভেল কমে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা কমে। এতে ঘুমের সময়ই ঘুম আসে।
  • ঘুমের আগে মুঠোফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার, টিভি দেখা, গেমস খেলা পরিহার করুন।
  • দৈনিক একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এমনকি ছুটির দিনেও।
  • ব্যক্তিগত জীবনে কলহ কিংবা পারিবারিক, সামাজিক বা চাকরিক্ষেত্রে কোনো বিষয় নিয়ে টেনশন অথবা বিচলিত থাকা থেকে বিরত থাকুন। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
শিশুর দুধ বদহজম এর সমস্যা দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

শিশুর দুধ বদহজম এর সমস্যা দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 11/08/2023
written by Dr. Baby Akter

বুকের দুধ বা বোতলের দুধ পান করা শিশুদের অনেক সময় দুধ হজম হয় না, খাওয়া মাত্র বমি করে দেয়। তা স্বাস্থের জন্য মারাত্নক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে তাদের পুষ্টির অভাব হয়ে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যেতে পারে। কিছু ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে সহজে শিশুর  দুধ বদহজম এর এই সমস্যার প্রতিকার করা যায়। 

যদি দুধ বদ হজমের পাশাপাশি অন্যান্য উপসর্গও লক্ষ্য করা যায় এবং ঘরোয়া প্রতিকার কোন কাজ না করে, তাহলে অবিলম্বে কোন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহন করুন।

শিশুর দুধ বদহজম সমস্যা প্রতিকারের ঘরোয়া পদ্ধতিসমুহ

  • ২০০ গ্রাম দুধ গরম হওয়ার পর তাতে ২-৩ দিন বা ১ গ্রাম পরিমান পিপল বা পিপলু ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে দানা গুলো তুলে ফেলে দিন। এই পিপলু ফুটন্ত দুধে দিলে দুধের দোষ নষ্ট করে দেয় এবং দুধ সুপ্রাচ্য হয়ে যায়। এতে দুধ হজম হওয়ার ফলে বাচ্চারা আর বমি করে না। 
  • বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর আগে মা নিজে এক গ্লাস পানি পান করে নেন তাহলে বাচ্চাদের দুধ সহজে হজম হয় ফলে মুহুর্তে পায়খানা বা বমি হয় না।  
  • মায়েদের কান্নাকাটি বা ক্রোধের সময় বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এতে বাচ্চার দুধ হজমে সমস্যা হয়।   
  • ছোট পিপলু দুধে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ালে বাচ্চাদের লিভার ও প্লীহা ভালো থাকে।  
  • প্রতিদিন কয়েক চামচ জিরা পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে শিশুকে খাওয়ালে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদ হজম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জিরার হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি এবং গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনাও  হ্রাস করে। 
  • শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আগে এক চামচ নারকেল তেল গরম পানির মিশিয়ে দিনে তিন বার খাওয়ান। এতে আপনার শিশুর দুধ বদ হজমের সমস্যা দূর হবে। নারকেল তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • এক কাপ দুধে আধ চামচ মৌরি মিশিয়ে ফোটালে দুধ সহজ প্রাচ্য ও হালকা হয়ে যায়।  
  • দুধে একটা এলাচ খোসা ও দানা আলাদা করে দিয়ে ফুটিয়ে নিলে দুধের দোষ নষ্ট হয়ে যায়।  
  • প্রতিদিন দুধের বদহজম হলে রোজ সকালে বিশুদ্ধ পানিতে পরিমান মত লবন আর লেবুর রস মিশিয়ে পান করালে দুধ বদ হজমের সমস্যা তাড়াতাড়ি দূর হয়ে যাবে। 
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ঘরোয়া চিকিৎসায় কৃমি প্রতিকার
ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘরোয়া চিকিৎসায় কৃমি প্রতিকার

by Dr. Baby Akter 11/08/2023
written by Dr. Baby Akter

কৃমি হচ্ছে একরকমের পরজীবী প্রাণী, যা ড্রাকুনকুলিয়াসিস, বা গিনি ওয়ার্ম ডিজিজ (GWD) নামেও পরিচিত। পরজীবী হল এমন একটি প্রাণী যা মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে বাস করে সেখান থেকে খাবার গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। কোন সংক্রামিত প্রাণী যেমন, গরু, শূকর বা মাছ  রান্না করা মাংস খাওয়া, দূষিত পানি, দূষিত মাটির ব্যবহার ও নোংরা পরিবেশে বসবাসের ফলে অন্ত্রে কৃমি সংক্রামিত হয়।  

কৃমি শরীরে থাকলে প্রতিদিনই বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত হারিয়ে যায়। পেটে কৃমির আধিক্যে অন্ত্রনালীর পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্ত্র ফুটো করে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। তাই কৃমি প্রতিরোধে আমাদের যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে।

কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে পেটের কৃমি দূর করা যায়। যেমন –

  • মৌরি চুর্ণ করে ১/৪ ভাগ মধু মিশিয়ে দিনে ২ বার করে খেতে দিন। এতে যে কোন কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।  
  • জোয়ান ৩-৩ দানা পানের সাথে খান এর ফলে কৃমি মরে যাবে।  
  • কালো জিরা গুড়ো মিশিয়ে খেতে দিন, এতে যে কোন কৃমি নিমূর্ল হবে।  
  • কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। সকালে খালি পেটে  ২/৩ কোয়া কাঁচা রসুন খান। এভাবে কিছুদিন দিন সকালে নিয়মিত দুই-তিনটি করে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে কৃমি মরে যায়। প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাঙ্গাস মেরে ফেলতে পারে রসুন।
  • অতিস ও ভায়বিড়ং এর সমভাগ ১২০-২৫০  গ্রাম মাত্রায় মায়ের দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের কৃমি দূর হয়।  
  • ১২০-২৫০ মি.লি. গ্রাম বচ দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের কৃমি নষ্ট হয়ে যায়। 
  • পাকা পেঁপের বীজ গুঁড়ো করে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে দিন। এতে যেকোনো ধরনের কৃমি মির্মূল হয়। তাই ভালো ফল পেতে মধুর সাথে পাকা পেঁপেও খাওয়া যেতে পারে।
  • কলা গাছের শেকড় শুকিয়ে চুর্ণ গুঁড়ো করে নিন। ২ মাশা পরিমান চুর্ণ গরম পানি সাথে খেতে দিন। এতে পেটের  কৃমি বেরিয়ে যাবে এবং পরে কৃমি হওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে।  
  • এক চা চামচ শসার বীজ গুঁড়ো করে কাঁচা হলুদের সাথে মিশিয়ে খেলে পেটে ফিতাকৃমি থাকলে তা মরে যায়। 

 এভাবে ঘরোয়া বা প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করেও কৃমি দূর না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে পুরো পরিবার এক সাথে কৃমির ওষুধ সেবন করতে হবে । 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
ব্রণের-ঘরোয়া-চিকিৎসা
ঘরোয়া চিকিৎসা

ব্রণের ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 09/08/2023
written by Dr. Baby Akter

সব বয়সের মানুষই ব্রণের সমস্যায় ভোগে। বেশিরভাগ মানুষই অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। কিছু ঘরোয়া উপায়ে আমরা সহজে সমাধান  করতে পারি  ব্রণ সমস্যার সমাধান। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেসব কার্যকরী ঘরোয়া উপায়।

  • কমলালেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে মিহি করে চূর্ণ করে সেই সাথে সম পরিমান বেসন দিয়ে কিছু পানি দিয়ে ভালো ভাবে মিক্স করে মিশ্রণটি ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর আলতোভাবে ব্রণের উপর লেপন করুন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 
  • মুলতানি মাটির সাথে সমপরিমাণ  কমলালেবুর খোসার চূর্ণ এবং পানি মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে আলতোভাবে ব্রণের উপর লাগিয়ে ১০-১২ মিনিট পর শুকিয়ে আসলে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
  • কমলালেবুর খোসার চূর্ণ গোলাপ জলে মিশিয়ে পেস্ট করে সাবানের পরিবর্তে ২-৩ দিন দিন অন্তর অন্তর লাগান। ব্রণের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যাবে। বসন্তের দাগ দূর করতে এটি খুব কার্যকরী। 
  • প্রতিদিন সকালে বাসি মুখের থুথু ব্রণের উপর  লাগান এটি অত্যন্ত ফলপ্রদক পদ্ধতি ব্রণ দূর করার জন্য।
  • মুনাক্কা (Black Grape) পরিষ্কার করে ধুয়ে রাতে ৬০ গ্রাম পানিতে ভিজিয়ে  রাখুন।সকালে ঐ  মোনাক্কার বীজ ফেলে চিবিয়ে খেয়ে নিন।  প্রায় ১ এক মাস খেলে ব্রণ চলে যাবে।
  • একটা পাত্রে  গরম পানি নিয়ে চোখ বন্ধ করে ২-৩ মিনিট ভাপ নিন। এটি নিয়মিত ১৫-১৬ দিন করলে দ্রুত ব্রণ দূর হয়ে যায়।
  • রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন, ব্রণে অনেকটা শুকিয়ে গেছে। এতে একদিনের মধ্যেই শুকিয়ে যায় ব্রণ।
  • দুই টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে ব্রণের ঠিক উপরে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে পারেন। সহজে ব্রণ নির্মূল হবে।  
  • এক চামচ অ্যালোভেরার সঙ্গে চার-পাঁচটি করে তুলসী ও নিমপাতা পেস্ট করে নিয়মিত খেলে ব্রণের সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। 
  • অত্যাধিক যৌন ভাবনায় মুখে ব্রণ উঠে তাই যৌন উদ্দীপক বই, সাহিত্য ,ছবি , সিনেমা ইত্যাদি দেখা থেকে বিরত থাকুন এবং মনকে শান্ত,পরিছন্ন ও পবিত্র রাখুন।
0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
Home-Remedies
ঘরোয়া চিকিৎসা

কয়েকটি সাধারণ রোগের সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 07/06/2017
written by Dr. Baby Akter

সচরাচর সাধারণ কিছূ কিছু শারীরিক রোগের চিকিৎসা আমরা ঘরে বসেই করে নিতে পারি। এরজন্য প্রথমত আমাদের যা দরকার তা হল একটু স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া। এ সকল রোগব্যাধি আমরা সহজলভ্য ঘরোয়া কিছু ভেষজ উপাদান ব্যবহার করেই নিরাময় করতে পারি। এরকম কিছূ সাধারণ শারীরিক সমস্যার সহজ সমাধানের উপায় নীচে আলোচনা করা হল:

অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ওই অ্যান্টিবায়েটিক আর কাজ না-ও করতে পারে।

পুরনো যে কোন ঘায়ের মলম তৈরী করুন নিজে:

৫০০ গ্রাম গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে ৫০ গ্রাম নিম পাতা মিশিয়ে একটি পাত্রে নিন। তারপর মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে গরম করুন। নিম পাতা কালচে বর্ণের হয়ে আসলে পাত্রটি নামিয়ে পাতা ও ঘি একসাথে মেড়ে পেষ্ট বা মলমের মত করে তৈরী করুন।

যে কোন পুরনো ঘা যা কোন ঔষধেই সারেনি তা এই প্রাকৃতিক মলম ব্যবহারে সেরে যাবে। প্রতিদিন ২ বার করে এই মলম লাগাতে হবে। এই মলম বহু পরীক্ষিত।

কাটা দাগ ও পোড়া দাগ দুর করার উপায়

অনেক সময় কাটা বা পোড়া দাগ শরীরের বিভিন্ন স্থানের সৌন্দর্য নষ্ট করে। এধরনের দাগ দুর করতে নীচে কয়েকটি পদ্ধতি দেয়া হল:

চন্দন জলে ঘষে নিয়ে কাটা বা পোড়া দাগে লাগালে আশাতীত উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন একটা করে পাকা টমেটোর সাথে লেবুর রস লাগিয়ে সকাল-সন্ধ্যা দাগের স্থানে ঘষুন। কিছুক্ষন পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়েকদিন করলে ত্বক থেকে দাগ মিলিয়ে যায় এবং ত্বকের সৌন্দর্য ফিরে আসে।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দাগের স্থানে লেবুর রস লাগিয়ে ঘষুন এবং রস লাগিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ১/২ সপ্তাহ করলে দাগ মিলিয়ে যাবে।

 দন্তশুল

দাঁতে যদি হঠাৎ যন্ত্রণা আরম্ভ হয় তাহলে আদার খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে কুচকুচি করে ব্যাথার জায়গায় চিবালে এবং চুষলে যে কোন ধরনের দাঁতের ব্যাথা নিরাময় হয়। মনে রাখবেন আদা চিবাতে হবে দাঁত দিয়ে এবং ঐ রস এমনভাবে চুষতে হবে যাতে ব্যাথার দাঁতে রস লাগে।

গলা ব্যথা

পূর্ণ গ্লাসে গরম পানিতে  আধা চা চামচ লবণ মিশ্রিত করে দিনে ৩ বার পর্যন্ত গার্গেল করুন। এতে গলা ফোলা কমাতে সাহায্য করে। গরম তরল পান করুন, যেমন মধু সহ গরম চা, গরম স্যুপ, লেবুর সাথে গরম জল বা ভেষজ চা। শরীর ডি-হাইড্রেড হলে তখন প্রচুর পানি পান করে হাইড্রেটেড থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। এতে গলায় আদ্রতা বজায় থাকে তা পাতলা শ্লেষ্মা নিঃসরণ সহায়তা করে।

কাঁশি

ভেষজ চা বা হালকা গরম পানি  এবং লেবুর সাথে ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে খান। এটি আপনার গলা প্রশমিত করে এবং কাশি উপশম করতে সাহায্য করে। এবং আনারসের টুকরো দিনে ৩ বার খান অথবা তাজা আনারসের রস পান করুন। ফলটিতে ব্রোমেলিন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা কাশি দমন করতে এবং আপনার গলায় শ্লেষ্মা আলগা করতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।

নিয়মিত খাওয়ার এক ঘন্টা পর পানি পান করার অভ্যাস করলে কাঁশি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং এতে হজম শক্তিও বৃদ্ধি পায়।

পেট ব্যাথায় 

পেট ব্যাথায় আদা কুচি অথবা আদা চা পান করুন। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আদা যেকোন  ধরণের পেটের অসুস্থতা দূর করতে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে  অধিক কার্যকর ।

পুদিনার সালাদ খান। বদহজম, গ্যাস এবং ডায়রিয়ার জন্য বহুকাল ধরে  প্রাকৃতিক চিকিত্সা হিসাবে পুদিনা ব্যবহার করা হয়েছে।

পোড়া গেলে 

আক্রান্ত স্থানে অবিলম্বে ঠান্ডা জল প্রয়োগ করুন এবং পরিষ্কার ড্রেসিং করুন। গুরুতর বা ব্যাপক পোড়ার জন্য, অনুগ্রহ করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার নিকটস্থ  হাসপাতালের জরুরি বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান। তবে  মনে রাখবেন যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ  শুধুমাত্র দুর্ঘটনা এবং জরুরী অবস্থার জন্য।

ডায়রিয়া 

ডায়রিয়া হলে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দেয় তাই প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন এবং আপনার কাছের ফার্মেসি থেকে রিহাইড্রেশন পানীয় কিনে পান করুন।

লবণাক্ত খাবার যেমন স্যুপ আপনার সিস্টেম থেকে দূর যাওয়া লবণ ফিরে আন্তে সাহায্য করে। যতটা সম্ভব খাবার খান। আর শিশুদের ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো বা বোতলের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। 

জ্বর

সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিনে জ্বর সেরে যায়। জ্বর হলে বিচলিত হওয়া যাবে না। জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে। জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে আর কী কী লক্ষণ রয়েছে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেশি করে তরলজাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং রেস্টুরেন্ট  কিংবা হোটেলের তৈরি খাবার গ্রহণ বাসায় তৈরি কম তেল ও মসলা দিয়ে রান্না করা খাবার খেতে হবে। জ্বর অবস্থায় ঠাণ্ডা খাবার না খাওয়া ভালো ঠাণ্ডা খাবার নতুন রোগের উত্পত্তি ঘটাতে পারে। 

অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ওই অ্যান্টিবায়েটিক আর কাজ না-ও করতে পারে।

প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেলস, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন- পুষ্টি উপাদান সম্পন্ন সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। এতে অল্প দিনের মধ্যেই রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

0 comments
22 FacebookTwitterPinterestEmail
  • 1
  • 2

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা