MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

ভেষজ উপাদান

নিমের-উপকারিতা
ভেষজ উপাদান

নিমের ভেষজ গুণ, বিস্ময়কর উপকারিতাসমুহ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

by Dr. Baby Akter 06/11/2023
written by Dr. Baby Akter

নিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Azadirachta indica) একটি অত্যন্ত উপকারী গাছ যার গাছের বাকল,পাতা ,বীজ প্রায় কিছুই চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হয়। বলা হয়ে থাকে, নিম একজন ডাক্তারের কাজ করে। এই গাছের সাহায্য করে মানুষের অনেক ধরণের রোগ নির্মূল করা যায়। নিমের স্বাদ তিতকুটে হলেও এর গুণাগুণ বেশ মধুর। এতে রয়েছে অসংখ্য গুণ। বিশেষ করে নিম পাতা ভেষজ হিসেবে পরিচিত একটি নাম, যা ত্বক এবং শরীর দুটোর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, প্রায় ৫০০০ বছর ধরে মানুষের শরীরকে নানা রকমের রোগের হাত থেকে বাঁচাতে নিম পাতাকে কাজে লাগানো হয়ে আসছে। এই গাছটির প্রতিটি অংশ, তা পাতা হোক, কি ডাল, এমনকি নিম ফুলও নানাভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী।

শরীরের বিভিন্ন রোগে নিমের ব্যবহার

  • যে কোনও চুলকানির সমস্যায় নিমপাতা বেটে লাগাতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। চুলকানির সমস্যা থেকে দ্রুত নিস্তার পেতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। নিমপাতা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক (ফাঙ্গাস) বিরোধী। তাই ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের আক্রমণের হাত থেকে চর্ম বা ত্বককে সুরক্ষিত করতে নিমপাতা খুবই কার্যকরী!
  • নিম পাতা জলে সিদ্ব করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেও চর্ম  ভালো হয়ে যায়।
  • বিভিন্ন ধরণের ফোড়া-ফুস্কুড়ি, চুলকানি  ইত্যাদি নিরাময় হয়।  
  • প্রতিদিন সকালে নিমের ডাল দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত মজবুত ও ঝকঝকে হয়। এবং দন্তক্ষয় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 
  • ৫-৬ টি নিমের কচি পাতা, ৪-১০ টি  তুলসী পাতা এবং ৫-৬ টি গোল মরিচ গুড়ো করে মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করলে স্বাস্থ্য বৃদ্ধি হয়।  
  • পেটের ব্যথায় ১০ গ্রাম নিমের বীজ সাথে ১০ গ্রাম সূঠ, ১০ তুলসী পাতা এবং ৮-১০ টি গোল মরিচ মিশিয়ে ঘন চাটনি মত করে অল্প অল্প করে খেলে পেট ব্যথা ভালো হয়ে যায়।
  • চোখ ফুলে গেলে ১৫-২০ টা নিমের পাতা পানিতে সিদ্ধ করে তাতে ৫ গ্রাম ফিটকিরি মিশিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানিতে পরিস্কার তুলো ভিজিয়ে চোখ মুছে ফেলুন। এভাবে দুই-তিন বার করলে চোখের ফোলা, চোখের কুটকুট করা, এবং চোখের খুসকি নিরাময় হয়। 
  • নিমের পাতার রস বের করে তাতে তুলো ভিজিয়ে চোখের উপর রাখুন। এতে চোখের লাল ভাব, চোখ জ্বালা দূর হয়।  
  • ফোঁড়া যদি কোন কারণে ফেটে যায় তাহলে নিম পাতা বেটে ফোঁড়ার উপর লাগিয়ে পট্টি বেঁধে রাখলে আরাম পাওয়া যায়। এতে ফোঁড়াও তাড়াতাড়ি শুকায়। 
  • ১০ ফোটা নিমের তেল পানের উপর দিয়ে খেলে হাঁপানি ও কাশিতে আরাম পাওয়া যায়।  
  • নিমের তেল প্রতিদিন মাথায় মাখলে মাথার উকুন চলে যায়। কমপক্ষে ১০-১২ দিন মাখতে হবে।  
  • নিমের পাতার রস মধুতে মিশিয়ে খেলে পেটের কৃমি মরে যায়। 
  • নাক দিয়ে রক্ত পড়লে নিম গাছের ছাল পানি দিয়ে বেটে তা মাথায় লাগালে নাকের নাসা রোগ ভালো হয় যায়।  
  • গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় নিম গাছের ছাল, সূঠ, গোল মরিচ সমমাত্রায় মিশিয়ে গুড়ো রেখে দেন।  প্রতিদিন সকালে এই চুর্ণ ২০ গ্রাম  মাত্রায় পানির সাথে মিশিয়ে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সহজে দূর হয়।
  • নিম পাতা বেটে হাতে পায়ে তেলের মত লাগালে হাত ও পায়ের জ্বালা দূর হয়।  
  • ম্যালেরিয়া রোগের জন্য নিমের পাঁচন বহু প্রচলিত এই রোগের জন্য সর্বোত্তম বলে মনে করা হয়।
  • ৫০ গ্রাম নিমের পাতাতে ৪-৫ টা গোল মরিচ মিশিয়ে বেটে নিন। ঐ বাটা এক গ্লাস গরম পানিতে ভালো করে গুলে রোগীকে সেবন করতে দিন। এতে ম্যালেরিয়া ভালো হয়ে যাবে।  

নিমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

যদিও নিমের অনেক গুনাগুণ রয়েছে তবে কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেমনঃ 

  • আপনার যদি নিমে এলার্জি বা সংবেদনশীলতা থাকে, সেক্ষেত্রে নিম ব্যবহার করা যাবে না। 
  • তাই নিম ব্যবহারের আগে একটি সাধারণ পরীক্ষা করা যেতে পারে (যেটিকে প্যাচ পরীক্ষা বলা হয়) এটি করার জন্য নিম পাতার পেস্ট তৈরি করে, ত্বকের যেকোন অল্প জায়গায় ঘষে ২৪  ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি বিবর্ণতা, ফোলাভাব, চুলকানি, বা অস্বস্তির যেকোন লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে আপনার নিমের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। অথাৎ নিমে আপনার এলার্জি বা সংবেদনশীলতা আছে।
  • সাধারণভাবে, শিশুরা নিমের তেলের ব্যবহারে সংবেদনশীলতা দেখা যায়। যদিও শিশুদের মধ্যে নিমের প্রভাব সম্পর্কে সরাসরি কোনো গবেষণা নেই। তাই শিশুদের ওপর নিমের ব্যবহারে একটু সতর্ক থাকতে হবে। 
  • গর্ভাবস্থায় বা শিশুর উপর যেকোন ভেষজ ও প্রাকৃতিক ঔষধ ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উত্তম। 
0 comments
11 FacebookTwitterPinterestEmail
খালি-পেটে-রসুন-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
ভেষজ উপাদান

জেনে নিন রসুনের গুণাগুণ, উপকারিতা ও অপকারিতা

by Dr. Baby Akter 16/08/2023
written by Dr. Baby Akter

যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালবেলা হোক বা অন্য যে কোনো সময় ১ থেকে ২ কোয়া বা ২ কোষ কাঁচা রসুন খান এবং অবশ্যই অবশ্যই চিবিয়ে খাবেন। আপনি সুস্থ, কর্মময় এবং দীর্ঘ জীবনের অধিকারী হবেন।

রসুনের একাধিক গুণাগুণ এবং উপকারিতা

  • উচ্চ রক্ত চাপ কমাতে: উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী রসুন। যদি শরীরের এলডিএল বেড়ে যায় তবে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এতে প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন সকালে খালি পেটে খেলে উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকবে না।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুনের অ্যান্টিফাঙ্গাল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ অত্যন্ত কার্যকরী। খালি পেটে রসুন খেলে এই উপকার বেশি পাওয়া যায়।
  • হৃৎপিণ্ডের শক্তিবর্ধক: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী হবে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির কারণে হৃৎপিণ্ডের ব্লকগুলো আর বাড়বে না। 
  • পুরুষের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে: সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ উপকারি অভ্যাস। রসুন অ্যালিসিন এবং সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ। অ্যালিসিন যৌন অঙ্গে রক্ত ​​​​প্রবাহ উন্নত করে এবং শুক্রাণুর যে কোনও ক্ষতি প্রতিরোধ করে। সেলেনিয়াম একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা গতিশীলতা বাড়ায়। 
  • রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে: রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খুব উপকারী। এতে  রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে রক্ত বাধাগ্রস্ত হয়ে যেসব রোগের সৃষ্টি করে, তা আর হতে পারে না।  
  • ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে: যাদের অ্যালার্জি সমস্যা, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা আছে তাদের বিভিন্ন কারণে ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রসুন পিষে রস খেলে সংক্রমণ সহজে রোধ করে।
  • ত্বক ভালো রাখতে: ত্বক ভালো রাখতে এবং ত্বকে বার্ধ্যকের ছাপ ও চেহারার যে কোনো দাগ কমাতে প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খালি পেটে খেলে অধিক উপকার পাওয়া যায়।   
  • সংক্রমণ প্রতিরোধে:  মানুষের শরীরে যে কোনো সময়ে সংক্রমণ ঘটতে পারে। কোন ধরণের পূর্ব লক্ষণ ছাড়া মানব শরীরে সংক্রমণ রোগ দেখা দেয়। তাই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে শরীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  • হাড়ের শক্তি বাড়ায়: বিভিন্ন কারণে নারীদের ক্ষেত্রে একটা বয়সের পর হাড়ের শক্তি কমে যায়। এই ধরণের হাড় সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২ গ্রাম করে রসুন খেলে নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রায় ভারসাম্য থাকে।
  • ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়: এলডিএল কোলেস্টেরলই হৃদরোগ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। কাঁচা রসুন যখন আপনি নিয়মিত খাবেন তখন আপনার রক্তের যে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল, টোটাল কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকবে। ফলে সহজেই আপনি এ রোগগুলো প্রতিরোধ করতে পারবেন।
  • অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর কাজ করে: নিয়মিত কাঁচা রসুন খেলে রসুনে উপস্থিত অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ‘সেল ড্যামেজ’ ও ‘এজিং’ রোধ করে। মস্তিষ্কের সেল ড্যামেজ কম হওয়ার কারণে আলঝেইমারস ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  • দীর্ঘায়ু হওয়া: প্রতিদিন কাঁচা রসুন খাওয়ার ফলে রসুন পাওয়ারফুল ডিটক্স হিসেবে কাজ করে। এতে শরীরের ভেতরে যত ময়লা-আবর্জনা সব বের হয়ে রক্তের পরিশোধনক্ষমতা বেড়ে যায়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শরীর ভালো রাখে, নিরোগ দেহ নিঃসন্দেহে দীর্ঘায়ু হয়। 

কাঁচা রসুন খাওয়ার অপকারিতা

শরীরের অনেক সমস্যার জন্যই রসুন খুব উপকারি। তবে রসুনের কিছু কিছু গুণের জন্য অনেক শারীরিক সমস্যা বেড়েও যেতে পারে। যেমনঃ 

  • রসুনে থাকে সালফার, তা পেটে গ্যাস তৈরি করে। এতে খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভবনা থাকে।  
  • গর্ভবতী নারীদের রসুন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গর্ভবতী অবস্থায় অতিরিক্ত রসুন খেলে প্রসব বেদনা বেড়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এ ছাড়াও শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরাও রসুন খাবেন না। এতে দুধের স্বাদ পাল্টে যেতে পারে।
  • মাত্রাতিরিক্ত রসুন  খাওয়ার কারণে ‘হাইফিমা’ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ ‘আইরিস’ ও ‘কর্নিয়া’র মাঝে রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে। ফলস্বরূপ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যেতে পারে। ।
0 comments
1 FacebookTwitterPinterestEmail

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা