MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

ফলের পুষ্টিগুণ

আমলকির পুষ্টি ও ঔষধি গুণাগুণ
ফলের পুষ্টিগুণ

আমলকির যত উপকারী পুষ্টি ও ঔষধি গুণাগুণ

by Dr. Baby Akter 24/09/2023
written by Dr. Baby Akter

আমলকি একপ্রকার ভেষজ ফল। টক আর তেতো স্বাদে ভরা আমলকী গুণে-মানে অতুলনীয়। ফলটি শুধু ভিটামিন আর খনিজ উপাদানেই ভরপুর নয়, বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করায়ও রয়েছে অসাধারণ গুণ। আমলকি গাছের পাতা ও ফল উভয়ই ওষুধরূপে ব্যবহার করা যায়। দেশীয় ফল হিসেবে আমলকি দামে যেমন সস্তা ও সহজলভ্য, তেমনি এর রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে, আমলকির  গুণ বর্ণনা করে বলা হয়েছে, দেহের বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করে শরীরের সব ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে

আমলকির পুষ্টি গুণাগুণ :

আমলকির অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। এই গাছের ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা যায়। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে যা পেয়ারার চেয়ে ৩ গুণ ও কাগজি লেবুর চেয়ে ১০ গুণ, কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি। একজন পুর্ণ বয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। কেউ যদি দিনে দুটো আমলকি খায় তাহলে সে ঐ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পেতে পারে। আমলকি খেলে মুখে রুচিও বাড়ে। 

আমলকির বিভিন্ন ঔষধি গুণাগুণ সমুহ :

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আমলকী কাঁচা অথবা আচার করে যেভাবেই খাওয়া হোক, এতে উপস্থিত ভিটামিন শরীরে ঠিকই প্রবেশ করে এবং ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।

চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ করে

আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। আমাদের চুলের গঠনের ৯৯ শতাংশ প্রোটিন। আমলকীতে অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন আছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। আমলকীতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি ত্বককে টানটান করতে সহায়তা করে। এক চামচ আমলকী গুঁড়ো নিয়ে গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। আপনার মুখটি স্ক্রাব করতে এই পেস্টটি ব্যবহার করুন, পাঁচ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে পেস্টে কিছুটা হলুদ যোগ করতে পারেন।

ক্ষুধামন্দা দূর করতে আমলকি 

চিকিৎসকেরা বলেন, আমলকীর জুস খেলে পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে এবং হজম ভালো হয়। প্রতিবার খাওয়ার আগে মাখন ও মধুর সঙ্গে আমলকির গুঁড়া মিশিয়ে খেলে ক্ষুধামন্দা দূর হয়।

ব্রণের দাগ দূর করে

আমলকী প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের দাগ এবং ত্বকের অনান্য কালচে দাগ দূর করতে সহায়তা করে। আমলকীর রস আপনার মুখে লাগান, এবং ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এবার হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার যদি সংবেদনশীল ত্বক থাকে তবে পানির সাথে রসটি মিশ্রণ করুন এবং প্রয়োগ করুন। আরো ভাল ফলাফলের জন্য এই চিকিৎসা মাসে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন।

গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে

আমলকির গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার খেলে তা গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে। দীর্ঘমেয়াদী কাশি-সর্দির জন্য আমলকির নির্যাস উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস চিকিৎসায়

আমলকীতে থাকা সলিউবল ফাইবার শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পাইলস রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে

নিয়মিত আমলকীর জুস খেলে শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা কমে। অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় হৃদ্যন্ত্র ভালো থাকে। 

দেহের চর্বি কমাতে

আমলকীতে উপস্থিত প্রোটিন শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে। এটি খেলে হজম শক্তি বেড়ে যায়। ফলে মানুষ মুটিয়ে যায় না। তাই ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন আমলকি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

রক্ত পরিষ্কার করতে

রক্ত পরিষ্কার করতে আমলকি বেশ কার্যকর। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান যা শরীর থেকে টক্সিন উপাদান সব দূর করে দেয়। নিয়মিত আমলকি খেলে তা রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে।

গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে

ভারতের ওজন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গর্জি শর্মার মতে, মুখের ঘায়ের পাশাপাশি সর্দি-কাশি দূর করতে আমলকীর জুস দারুণ কাজ করে। দুই চা চামচ আমলকীর জুসের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু প্রতিদিন খেলে গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা-কাশি দূর হয়। এ ছাড়া মুখের ঘা দূর করতে কয়েক চামচ জুস পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুইবার গড়গড়া করলে উপকার পাওয়া যায়। 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমলকিতে পলিফেনল রয়েছে যা রক্তে অক্সিডেটিভ শর্করা থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি শরীরে ইনসুলিন শুষে নিতে সাহায্য করে যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
আখের রসের উপকারিতা
ফলের পুষ্টিগুণ

আখের রসের উপকারিতা

by Dr. Baby Akter 24/09/2023
written by Dr. Baby Akter

প্রচন্ড গরমের এ সময়ে পানির অভাবে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। তাই শরীরে প্রচুর পরিমাণে পানির প্রয়োজন হয়। শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে পান করতে পারেন আখের রস। আখের রস হল আখের সবচেয়ে বিশুদ্ধতম রূপ। আখের রস ভিটামিন ও মিনারেলের ভালো উৎস। ক্যালোরির পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়াম মেলে এই রস থেকে। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। দেহের টক্সিন নির্মূল করে প্রচুর এনার্জি বুস্ট করবে এই সুস্বাদু পানীয়।

ডায়াবেটিস রোগীরা অতিরিক্ত পরিমাণে খাবেন না আখের রস। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তারপর খান।

আসুন জেনে নেওয়া যাক আখের রসের উপকারিতা কি

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা : 

আখে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। দেহের টক্সিন নির্মুল করে প্রচুর এনার্জি বুস্ট করে শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে, ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়। 

হাড় শক্ত করে : 

আখের রসে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং পটাশিয়াম রয়েছে এসব উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। 

এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : 

আখের ভেতরে থাকা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম এবং অন্যান্য উপকারী উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এনার্জির ঘাটতি দূর করে। যারা সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন তারা ঝটপট এক গ্লাস আখের রস খেয়ে ফেলুন। দেখবেন একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবেন। 

কিডনির কর্মক্ষমতা : 

আখের রস কিডনি জটিলতা বা স্টোনের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, কিডনি ফাংশনকে ঠিক রাখতেও আখের রসে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান এর কোন বিকল্প নেই বললেই চলে।  

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রোধ:

আখে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। দেহে দুর্বলভাবও কমায় আখের রস। ফাইবার কোলেস্টেরলের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

লিভার সুস্থ রাখে: 

লিভারকে সুস্থ রাখতে আখের রস দারুণ কাজে আসে। সেই কারণেই তো জন্ডিসের প্রকোপ কমাতে রোগীকে আখের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি প্রোটিনের চাহিদা মেটাতেও আখ বিশেষ ভূমিকা রাখে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: 

ডায়াবেটিসের রোগীরা সাধারণত আখের রস এড়িয়ে চলেন। অথচ বিভিন্ন গবেষণা বলছে, আখের মধ্যে আইসোম্যাল্টোজ নামক উপাদানটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে। টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার পরিমাণ হঠাৎ নেমে গেলে আখের রস পানে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া হাইপোগ্লাইসিমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী আখের রস। তবে কী পরিমাণে আখের রস খেতে হবে তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়া ভালো। 

ত্বকের যত্ন: 

আখের রস আমাদের হাইড্রেটেড রাখে। ফলে ভালো থাকে ত্বক ও চুল। এতে থাকা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বক ভালো রাখার জন্য সহযোগিতা করে। এছাড়া ব্রণের সমস্যা দূর করণেও সহায়ক আখের রস।

ওজন কমায় : 

এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে। আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

দাঁতের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে : 

আখ চিবিয়ে খেলে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া এতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
জাম্বুরার পুষ্টিগুন ও খাওয়ার উপকারিতা
ফলের পুষ্টিগুণ

জাম্বুরার পুষ্টিগুন ও খাওয়ার উপকারিতা

by Dr. Baby Akter 23/09/2023
written by Dr. Baby Akter

বর্ষার শেষ পর্যায় থেকে শুরু করে শীত আসার আগ পর্যন্ত জাম্বুরার পূর্ণ মৌসুম। বাজারে এই সময়কালে প্রচুর পাওয়া যায় এই ফল। ভিটামিন আর খনিজ উপাদানে পরিপূর্ণ জাম্বুরা খাওয়ার উপকারিতা অনেক। একটি পরিপক্ব জাম্বুরা থেকে ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি-২, বায়োফ্লাভোনয়েডস, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, হেলদি ফ্যাট, প্রোটিন এবং এনজাইমসের মতো নানা পুষ্টিগুণ যেমন মিলে তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। জ্বর, ঠান্ডা কিংবা কাশির মতো সমস্যাতেও জাম্বুরা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে।

জন্ডিসের রোগীকে জাম্বুরা বা তার রস খাওয়ানোর একটা প্রথা বহুদিন ধরে চালু আছে আমাদের দেশে। এ কথা আধুনিক বিজ্ঞানও প্রমাণ করেছে যে, জাম্বুরা জন্ডিসের সমস্যায় লিভার টনিক হিসেবে ভালো কাজ করে।

জাম্বুরার পুষ্টি উপাদান সমূহঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে: খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি, প্রোটিন ০.৫ গ্রাম, স্নেহ ০.৩ গ্রাম, শর্করা ৮.৫ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম, থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম, খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম, রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম, নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম, ভিটামিন বি-২ ০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ১০৫ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রোগ্রাম, আয়রন ০.২ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম, ম্যাংগানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম,

জাম্বুরা খাওয়ার উপকারিতা

  • জাম্বুরায় থাকা প্রোটিন এবং ফাইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেটে থাকে। ফলে বাড়তি ক্ষুধা লাগে না এবং ক্যালোরি গ্রহণ কম হয়। এছাড়া জাম্বুরায় কারনিটিন পামিটয়েলট্রানসফারেজ নামের এক ধরনের উৎসেচক আছে। এটা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক। 
  • আমাদের দৈনিক ফাইবারের চাহিদার বেশ বড় একটি অংশ পূরণ করতে পারে জাম্বুরা। ফাইবার খেলে হজমের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এছাড়া অন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে ফাইবার। 
  • জাম্বুরা খেলে রক্তে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমে। এতে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ জাম্বুরা ক্যানসারের মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেইসাথে অন্যান্য বেশ কয়েকটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগও মেলে ফলটি থেকে।
  • রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে জাম্বুরায় থাকা কিছু উপাদান।
  • জাম্বুরায় থাকা পটাশিয়াম রক্তনালি প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমায়। 
  • সাইট্রাস ফলটিতে থাকা ভিটামিন সি হুট ঘনঘন জ্বর আসা বা সর্দি লাগা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। মুখের ঘা সারাতেও এর ভূমিকা রয়েছে। 
  • খাবারের রুচি বাড়াতে জাম্বুরা বেশ কার্যকর। 
  • জাম্বুরায় স্পারমেডিন নামের একটি বিশেষ উপাদান রয়েছে। এটি বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে পানি ও ভিটামিন সি থাকে। ফলে নিয়মিত ফলটি খেলে ভালো থাকে ত্বক। 
  • পেটের সমস্যা দূর করতে কিংবা যারা ডায়েটে আছেন তারাও বেছে নিতে পারেন এ ফলটি।
  • জাম্বুরাতে অন্য যেকোনো লেবুর মতোই প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি-এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এই ছোটখাটো নানা অসুখ-বিসুখের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি দেয়।
  • যাদের দাঁতের ব্যথার সমস্যা আছে তাদের জন্যও জাম্বুরা খুবই উপকারী একটি ফল।
  • ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর ইত্যাদি সমস্যায় জাম্বুরা বেশ উপকারী। যাদের অল্পতেই ঠান্ডা লাগে, তারা প্রতিদিন জাম্বুরা খেতে পারেন।
  • যারা প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ভালো রাখতে চান। তাদের ক্ষেত্রে জাম্বুরা ত্বক উজ্জ্বল করতে, ব্রণের সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকর। 
  • ক্যানসারসহ যাদের ইউরিনের সমস্যা আছে তাদের জন্যও জাম্বুরা উপকারী একটি ফল।

একটু খেয়াল রাখা প্রয়োজন, জাম্বুরা বেশ টক, নিয়মিত খেলে আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হতে পারে। তাই যাদের দাঁত খুব সেনসিটিভ, তারা জাম্বুরা খাওয়ার পর কুলকুচা করে দাঁত পরিষ্কার করে নেবেন । 

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail
পেয়ারার পুষ্টিগুণ
ফলের পুষ্টিগুণ

পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার উপকারিতা

by Dr. Baby Akter 23/09/2023
written by Dr. Baby Akter

দেশীয় ফল দামে সস্তা ও সহজলভ্য সারা বছর পাওয়া যায়, এমন একটি ফল পেয়ারা। পেয়ারা ভর্তা, পেয়ারা জেলী নানাভাবে খাওয়া যায় মজাদার এই ফলটি। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। এই ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা আমলকী ছাড়া অন্য যে কোনো ফলে পাওয়া যায় না। অন্যান্য ফলের তুলনায় পেয়ারার পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও লাইকোপেনসমৃদ্ধ পেয়ারা। 

পেয়ারার বিশেষ পাঁচটি গুণের মধ্যে রয়েছে, ১. ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ৩. চোখের জন্য ভালো, ৪. পেটের জন্য উপকারী এবং ৫. ক্যানসার প্রতিরোধী।

পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা

ডায়াবেটিস রোধে

নিয়মিত পেয়ারা খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কারণ পেয়ারায় যে আঁশ আছে, তা শরীরে চিনি শোষণ কমাতে পারে।

রোগ প্রতিরোধে

পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে

ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্তচাপ ও রক্তের লিপিড কমে আসে। পেয়ারাতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। লাইকোপিনসমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা নিয়মিত খেলে তা কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে আনতে সহায়তা করে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস

পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

ত্বক ও চুলের পরিচর্যায়

পেয়ারা ত্বকের রূক্ষ ভাব দূর করে ও শীতে পা ফাটা রোধ করে। এই ফলে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে, যা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।  

পেটের সমস্যায়

পেয়ারা ফলের রস কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশয়সহ পেটের অসুখ সারাতে খুব ভালো কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে সবচেয়ে কার্যকরী হলো এই ফল। পেয়ারা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। 

স্ট্রেস দূর করে

পেয়ারা পেশি আর স্নায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। চাপ কমায়, শক্তি বাড়ায় ও স্ট্রেস দূর করতে দারুণ কাজ করে। ।

মাসিকের ব্যাথা নিরাময়

অনেক নারীরই মাসিককালিন পেট ব্যাথা হয়। এ সময় অনেকেই ব্যাথার ঔষধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এ সময় পেয়ারার পাতা চিবিয়ে বা রস খেলে মাসিককালিন ব্যাথা থেকে অধিকতর দ্রুত উপশম পাওয়া যায়।

ডায়রিয়া রোধে

ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে এই ফল। পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে। এ ছাড়া এই ফলের রয়েছে ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা।

পেয়ারার ১০টি পুষ্টিগুণ

১. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ পেয়ারা পাতার জুস গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যায় উপকারী।
২. পেয়ারা ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং এই ফলের রস সর্দি-কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও আমাশয়সহ পেটের অসুখ সারাতে পারে।
৩. এটি রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে এবং কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা পেয়ারা খেতে পারেন ৷
৪. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেয়ারা বেশ কাজ দেয়।
৫. এতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ফলিক অ্যাসিড ও নিকোট্রিন অ্যাসিড।
৬. জটিল শর্করা ও তন্তুসমৃদ্ধ পেয়ারা রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
৭. অ্যাজমা, স্কার্ভি, স্থুলতা, ডায়াবেটিস, ক্যানসার ইত্যাদি অসুখের ক্ষেত্রেও পেয়ারা বেশ উপকারী।
৮. এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়, যা কমলালেবুর চেয়েও কয়েক গুণ বেশি।
৯. পেয়ারায় আছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স।
১০. বয়সের সঙ্গে জড়িত নানা রোগ যেমন: স্মৃতিভ্রংশ (আলঝেইমার), চোখের ছানি, আর্থরাইটিস বা হাঁটুব্যথা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

0 comments
0 FacebookTwitterPinterestEmail

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা