MIL HOMEO
প্রকৃতির সাথে থাকুন, সুস্থ থাকুন
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা

ঘরোয়া চিকিৎসা

Home-Remedies
ঘরোয়া চিকিৎসা

কয়েকটি সাধারণ রোগের সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা

by Dr. Baby Akter 07/06/2017
written by Dr. Baby Akter

সচরাচর সাধারণ কিছূ কিছু শারীরিক রোগের চিকিৎসা আমরা ঘরে বসেই করে নিতে পারি। এরজন্য প্রথমত আমাদের যা দরকার তা হল একটু স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া। এ সকল রোগব্যাধি আমরা সহজলভ্য ঘরোয়া কিছু ভেষজ উপাদান ব্যবহার করেই নিরাময় করতে পারি। এরকম কিছূ সাধারণ শারীরিক সমস্যার সহজ সমাধানের উপায় নীচে আলোচনা করা হল:

অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ওই অ্যান্টিবায়েটিক আর কাজ না-ও করতে পারে।

পুরনো যে কোন ঘায়ের মলম তৈরী করুন নিজে:

৫০০ গ্রাম গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে ৫০ গ্রাম নিম পাতা মিশিয়ে একটি পাত্রে নিন। তারপর মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে গরম করুন। নিম পাতা কালচে বর্ণের হয়ে আসলে পাত্রটি নামিয়ে পাতা ও ঘি একসাথে মেড়ে পেষ্ট বা মলমের মত করে তৈরী করুন।

যে কোন পুরনো ঘা যা কোন ঔষধেই সারেনি তা এই প্রাকৃতিক মলম ব্যবহারে সেরে যাবে। প্রতিদিন ২ বার করে এই মলম লাগাতে হবে। এই মলম বহু পরীক্ষিত।

কাটা দাগ ও পোড়া দাগ দুর করার উপায়

অনেক সময় কাটা বা পোড়া দাগ শরীরের বিভিন্ন স্থানের সৌন্দর্য নষ্ট করে। এধরনের দাগ দুর করতে নীচে কয়েকটি পদ্ধতি দেয়া হল:

চন্দন জলে ঘষে নিয়ে কাটা বা পোড়া দাগে লাগালে আশাতীত উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন একটা করে পাকা টমেটোর সাথে লেবুর রস লাগিয়ে সকাল-সন্ধ্যা দাগের স্থানে ঘষুন। কিছুক্ষন পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়েকদিন করলে ত্বক থেকে দাগ মিলিয়ে যায় এবং ত্বকের সৌন্দর্য ফিরে আসে।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দাগের স্থানে লেবুর রস লাগিয়ে ঘষুন এবং রস লাগিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ১/২ সপ্তাহ করলে দাগ মিলিয়ে যাবে।

 দন্তশুল

দাঁতে যদি হঠাৎ যন্ত্রণা আরম্ভ হয় তাহলে আদার খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে কুচকুচি করে ব্যাথার জায়গায় চিবালে এবং চুষলে যে কোন ধরনের দাঁতের ব্যাথা নিরাময় হয়। মনে রাখবেন আদা চিবাতে হবে দাঁত দিয়ে এবং ঐ রস এমনভাবে চুষতে হবে যাতে ব্যাথার দাঁতে রস লাগে।

গলা ব্যথা

পূর্ণ গ্লাসে গরম পানিতে  আধা চা চামচ লবণ মিশ্রিত করে দিনে ৩ বার পর্যন্ত গার্গেল করুন। এতে গলা ফোলা কমাতে সাহায্য করে। গরম তরল পান করুন, যেমন মধু সহ গরম চা, গরম স্যুপ, লেবুর সাথে গরম জল বা ভেষজ চা। শরীর ডি-হাইড্রেড হলে তখন প্রচুর পানি পান করে হাইড্রেটেড থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। এতে গলায় আদ্রতা বজায় থাকে তা পাতলা শ্লেষ্মা নিঃসরণ সহায়তা করে।

কাঁশি

ভেষজ চা বা হালকা গরম পানি  এবং লেবুর সাথে ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে খান। এটি আপনার গলা প্রশমিত করে এবং কাশি উপশম করতে সাহায্য করে। এবং আনারসের টুকরো দিনে ৩ বার খান অথবা তাজা আনারসের রস পান করুন। ফলটিতে ব্রোমেলিন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা কাশি দমন করতে এবং আপনার গলায় শ্লেষ্মা আলগা করতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।

নিয়মিত খাওয়ার এক ঘন্টা পর পানি পান করার অভ্যাস করলে কাঁশি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং এতে হজম শক্তিও বৃদ্ধি পায়।

পেট ব্যাথায় 

পেট ব্যাথায় আদা কুচি অথবা আদা চা পান করুন। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আদা যেকোন  ধরণের পেটের অসুস্থতা দূর করতে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে  অধিক কার্যকর ।

পুদিনার সালাদ খান। বদহজম, গ্যাস এবং ডায়রিয়ার জন্য বহুকাল ধরে  প্রাকৃতিক চিকিত্সা হিসাবে পুদিনা ব্যবহার করা হয়েছে।

পোড়া গেলে 

আক্রান্ত স্থানে অবিলম্বে ঠান্ডা জল প্রয়োগ করুন এবং পরিষ্কার ড্রেসিং করুন। গুরুতর বা ব্যাপক পোড়ার জন্য, অনুগ্রহ করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার নিকটস্থ  হাসপাতালের জরুরি বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান। তবে  মনে রাখবেন যে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ  শুধুমাত্র দুর্ঘটনা এবং জরুরী অবস্থার জন্য।

ডায়রিয়া 

ডায়রিয়া হলে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দেয় তাই প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন এবং আপনার কাছের ফার্মেসি থেকে রিহাইড্রেশন পানীয় কিনে পান করুন।

লবণাক্ত খাবার যেমন স্যুপ আপনার সিস্টেম থেকে দূর যাওয়া লবণ ফিরে আন্তে সাহায্য করে। যতটা সম্ভব খাবার খান। আর শিশুদের ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো বা বোতলের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। 

জ্বর

সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিনে জ্বর সেরে যায়। জ্বর হলে বিচলিত হওয়া যাবে না। জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে। জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে আর কী কী লক্ষণ রয়েছে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেশি করে তরলজাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং রেস্টুরেন্ট  কিংবা হোটেলের তৈরি খাবার গ্রহণ বাসায় তৈরি কম তেল ও মসলা দিয়ে রান্না করা খাবার খেতে হবে। জ্বর অবস্থায় ঠাণ্ডা খাবার না খাওয়া ভালো ঠাণ্ডা খাবার নতুন রোগের উত্পত্তি ঘটাতে পারে। 

অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ওই অ্যান্টিবায়েটিক আর কাজ না-ও করতে পারে।

প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেলস, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন- পুষ্টি উপাদান সম্পন্ন সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। এতে অল্প দিনের মধ্যেই রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

0 comments
22 FacebookTwitterPinterestEmail
  • 1
  • 2

Recent Posts

  • ইফতারের পর চা খেলে কি হয়
  • রমজানে পর্যাপ্ত না ঘুমালে কী হয়
  • মাথা ব্যথার কারন ও মুক্তির উপায়
  • এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 
  • এনাল ফিসার কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Recent Comments

No comments to show.

আমাদের সম্পর্কে

banner

প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে আছে নিরাময়ের সকল উপাদান। তাই সুস্থতা ও প্রশান্তির আরেক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির সাথে নিজেকে একাত্ম করুন, প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি সুস্থ থাকবেন প্রশান্ত থাকবেন। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে থাকা এই অসংখ্য উপাদান আর তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টির আদি থেকে এখনো পর্যন্ত মানুষ সুস্থতার যে উপায়গুলি মানব কল্যানে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে সেসব তথ্য উপাত্তকে গুছিয়ে নতুন আঙ্গিকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ

  • 1

    এমপক্স কী, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা ও প্রতিকার 

  • 2

    শীতকালীন বিভিন্ন রোগ এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

  • 3

    প্রাকৃতিক বা ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ্যাত্ব রোগ নিরাময় করুন

  • 4

    শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

Back Next

প্রয়োজনীয় লিংক সমুহ

  • চিকিৎসার ইতিহাস ও গবেষণা
  • প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্য
  • গোপনীয়তার নীতি
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

@2023 - All Right Reserved by MIL HOMEO


Back To Top
MIL HOMEO
  • মুল পাতা
  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য
    • আয়ুর্বেদ চিকিৎসা
    • ঘরোয়া চিকিৎসা
    • ভেষজ উপাদান
    • ভেষজ চিকিৎসা
  • রোগব্যাধি ও প্রতিকার
    • শারীরিক রোগ
      • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ
      • চর্মরোগ
        • আঁচিল বা তিল
      • জ্বর
        • টাইফয়েড জ্বর
        • ডেঙ্গু জ্বর
        • ম্যালেরিয়া
      • পায়ুপথের রোগ
      • কান পাকা রোগ
      • কৃমি রোগ
      • বন্ধ্যাত্ব রোগ
      • নাসা রোগ
      • শীতকালীন রোগব্যাধি
      • সংক্রামক রোগ
      • সাইনোসাইটিস
      • স্নায়ু রোগ
    • মনরোগ
    • শিশু রোগ
  • স্বাস্থ্য পরামর্শ
  • সুস্থ জীবনধারা
    • ক্ষতিকর অভ্যাস
    • খাদ্যাভ্যাস
    • তামাক ও মাদক বর্জন
    • পানীয় জল এবং হাইড্রেশন
    • ভালো ঘুমের অভ্যাস
    • রূপচর্চা ও চুলের যত্ন
    • স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
    • স্বাস্থ্যকর শখ
  • ব্যায়াম ও ফিটনেস
    • ওজন প্রশিক্ষণ
    • ওয়ার্কআউট পরিকল্পনা
    • ঘরে বসে ফিটনেস
    • বয়স্কদের ব্যায়াম
    • যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন
    • স্ট্রেচিং এবং মবিলিটি
  • মানসিক স্বাস্থ্য
    • অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা
    • আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসা
    • ডিপ্রেশন ও প্রতিকার
    • মানসিক চাপ ও সমাধান
    • মেডিটেশন ও মননশীলতা
    • পরিবার ও সামাজিক জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য
  • খাদ্য ও পুষ্টি
    • আঁশযুক্ত খাবার বা ফাইবার
    • ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা
    • ওজন বাড়ানোর পুষ্টি পরিকল্পনা
    • খাদ্য তালিকা এবং পরামর্শ
      • রোগের খাবার
    • পুষ্টিগুণ
      • শাক-সবজির পুষ্টিগুণ
      • ফলের পুষ্টিগুণ
    • ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ
    • স্বাস্থ্যকর রেসিপি
  • হোমিও চিকিৎসা