কয়েকটি সাধারণ রোগের সহজ ভেষজ চিকিৎসা

সচরাচর দেখা যায় যে কোন সাধারণ রোগের বেলায়ও মানুষ কথায় কথায় ঔষধ সেবন করে থাকে। অথচ একটু সচেতন হলে বা জানা থাকলে হাতের কাছে পাওয়া খুব সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেই এধরনের অনেক ছোট খাট শারীরিক সমস্যা সমুহ প্রতিকার করা সম্ভব। আসুন আজ আমরা জেনে নিই তেমন তিনটি সমস্যার সহজ প্রতিকারের উপায়।

পুরনো যেকোন ঘায়ের মলম তৈরী করুন নিজে :

৫০০ গ্রাম গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে ৫০ গ্রাম নিম পাতা মিশিয়ে একটি পাত্রে নিন। তারপর মিশ্রণটি চুলায় বসিয়ে গরম করুন। নিম পাতা কালচে বর্ণের হয়ে অাসলে পাত্রটি নামিয়ে পাতা ও ঘি একসাথে মেড়ে পেষ্ট বা মলমের মত করে তৈরী করুন। যে কোন পুরনো ঘা যা কোন ঔষধেই সারেনি তা এই প্রাকৃতিক মলম ব্যবহারে সেরে যাবে। প্রতিদিন ২ বার করে এই মলম লাগাতে হবে। এই মলম বহু পরীক্ষিত।

কাটা দাগ ও পোড়া দাগ দুর করার উপায় :

অনেক সময় কাটা বা পোড়া দাগ শরীরের বিভিন্ন স্থানের সৌন্দর্য নষ্ট করে। এধরনের দাগ দুর করতে নীচে কয়েকটি পদ্ধতি দেয়া হল:
১) চন্দন জলে ঘষে নিয়ে কাটা বা পোড়া দাগে লাগালে আশাতীত উপকার পাওয়া যায়।
২) প্রতিদিন একটা করে পাকা টমেটোর সাথে লেবুর রস লাগিয়ে সকাল-সন্ধ্যা দাগের স্থানে ঘষুন। কিছুক্ষন পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়েকদিন করলে ত্বক থেকে দাগ মিলিয়ে যায় এবং ত্বকের সৌন্দর্য ফিরে আসে।
৩) রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দাগের স্থানে লেবুর রস লাগিয়ে ঘষুন এবং রস লাগিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ১/২ সপ্তাহ করলে দাগ মিলিয়ে যাবে।

How to remove burn spot

দন্তশুল থেকে প্রতিকার :

Tooth Painদাঁতে যদি হঠাৎ যন্ত্রণা অারম্ভ হয় তাহলে আদার খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে কুচকুচি করে ব্যাথার জায়গায় চিবালে এবং চুষলে যে কোন ধরনের দাঁতের ব্যাথা নিরাময় হয়। মনে রাখবেন আদা চিবাতে হবে দাঁত দিয়ে এবং ঐ রস এমনভাবে চুষতে হবে যাতে ব্যাথার দাঁতে রস লাগে।

সবসময় ক্লান্তিভাব এবং অধিক ঘুমের সমস্যা দুর করুন সহজেই

এ সমস্যাটি সাধারণত বেশী হয় পড়ার সময় বা মনোযোগ দিয়ে কোন কাজ করতে গেলে। অনেক সময় মাথায় যন্ত্রণা করে, চোখ শিথিল হয়ে আসে। খুব সহজ কিছু উপায়ে এ ধরনের সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি। আপনি নিজেই একবার চেষ্টা করে দেখুন না।

অধিক ঘুমের সমস্যা দুর করুন

প্রতিকারঃ

১। এ ধরনের সমস্যায় পানের মধ্যে ১ টা লবঙ্গ দিয়ে চিবিয়ে খেলে ক্লান্তিভাব, ঘুম-ঘুম ভাব এবং ব্যাথা দুর হয়। সবসময় ঘুম পাওয়া কমে যায়।

২। রাতে যদি পড়ার সময় অথবা রাতে দেরী করে পড়াশোনা করার জন্য সকালে মাথা ব্যাথা বা মাথা ভার লাগে তাহলে লেবু চা খেলে সেরে যায়। এছাড়াও লেবু চা মানসিক চাপ, মাথা ভার, অবসন্নতা ইত্যাদি সমস্যা দুর করতে কার্যকর।

৩। পড়াশোনায় অনাগ্রহী ছেলেমেয়েদের জন্য বজ্রাসন খুবই উপকারী।

নিম দিয়ে নিরাময়

নিম এক মহা উপকারী উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম হল Azadirachta Indica. নিমের উপকারের কথা বলে শেষ করার মত নয়। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা শত শত ঔষধি গাছের মধ্যে ঔষধিগুণে ভরপুর নিম একটি শ্রেষ্ট উদ্ভিদ। আমাদের আবহাওয়াতে খুব সহজেই নিম গাছ জন্মে। এই সহজপ্রাপ্যতার কারনেই নিমের কদর বা মুল্যায়ন আমাদের কাছে খুব বেশী নাই। যা কিছু মানুষ খুব সহজেই পেয়ে যায় তার মুল্যায়ন সে করে না। যেমন বেঁচে থাকার জন্য যে অক্সিজেন প্রতি মুহুর্তে আমরা পরিবেশ থেকে বিনামূল্যে গ্রহণ করছি তাও আবার পরিপূর্ণভাবে নিচ্ছি না। একজন শ্বাস-কষ্টের রোগীকে যখন হাসপাতালে অর্থের বিনিময়ে অক্সিজেন নিতে হয় তখনিই কেবল এই প্রাকৃতিক উপাদানের মহামুল্য বুঝতে পারা যায়। যাক আমাদের মুল প্রসঙ্গে আসা যাক।

Neem

প্রাচীনকাল থেকেই নিম তার বহুমুখী গুণ এবং উপকারীতার কারনে মানুষের কাছে বহল সমাদৃত। যে বাড়িতে নিম গাছ থাকে সে বাড়ির আবহাওয়া বিশুদ্ধ ও রোগবালই মুক্ত থাকে। সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিম অন্যান্য উদ্ভিদ অপেক্ষা সর্বাধিক পরিমাণ অক্সিজেন নির্গত করে। তাই পরিবেশ রক্ষায় নিম অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। আমাদের সকলের উচিৎ বাড়ির আশেপাশে কমপক্ষে একটি হলেও নিম গাছ লাগানো। আজ আমি মানব দেহে রোগ নিরাময়ে নিমের বহুল ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করব।

১. পেট ব্যাথা বা শুলঃ ১০ গ্রাম নিমের বীজ, ১০ গ্রাম শুঁঠ, ১০ গ্রাম তুলশীর পাতা এবং ৮-১০ টি গোল মরিচ মিশিয়ে ঘন চাটনির মত করে অল্প অল্প করে মাঝে মধ্যে চেটে খেতে দিলে পেটের ব্যাথায় নিশ্চিত উপকার লাভ হয়।

২. দাঁতের রোগঃ রোজ সকালে নিমের ডাল দিয়ে মেছওয়াক করলে দাঁত মজবুত এবং নিঃরোগ থাকে। দাঁত ঝকঝকে হয়। দন্তক্ষয় রোগ থেকে দাঁতকে সুরক্ষা করে।

৩. অজীর্ণঃ অজীর্ণ মানে হল খাবার সহজে হজম না হওয়া, পেট ভারী লাগা, কখনো কখনো টক ঢেঁকুর ওঠে, মাথা ধরে, জ্বরও আসে।

৪. ব্রণঃ নিম পোড়ানোর পর তার ছাই ক্রিম বা ভেসলিনের সাথে মিশিয়ে মুখে মাখলে ব্রণ-ফুস্কুড়ি ইত্যাদি নিরাময় হয়।

৫. চর্মরোগঃ চর্মরোগে নিমের ব্যবহার বহুল প্রচলিত এবং প্রাচীনকাল থেকেই এর ব্যবহার হয়ে আসছে। নিমের পাতা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানিতে গোসল করলে চর্মরোগ নিরাময় হয়। চুলকানি, ফোস্কা-ফুস্কুড়ি, খোস-পাচড়া হলে নিমের কচিপাতা এবং অল্প গোল মরিচ একসঙ্গে বেটে(সমপরিমাণে) প্রতিদিন সেবন করুন। পাচড়া শুকিয়ে এলে নিমপাতা দিয়ে ফোটানো জলে গোসল করুন এবং পাচড়াতে নিমের তেল লাগান।

৬. কৃমিঃ নিমের পাতার রস মধুতে মিশিয়ে চেটে খেলে পেটের কৃমি মরে যায়। মধু না থাকলে পরিবর্তে হিং মিশিয়ে খাওয়া যায়। শিশুরাই বেশিরভাগ কৃমিতে আক্রান্ত হয়। শিশুদের কৃমি নির্মূল করতে ৫০ মি.গ্রা. পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দৈনিক ৩ বার কুসুম গরম পানি সহ খেতে হবে।

৭. উকুনঃ নিমের তেল প্রতিদিন মাথায় মাখলে মাথার উকুন মরে যায়। কম পক্ষে ৮ থেকে ১০ দিন মাখতে হবে।

৮. হাঁপানি ও কাশিঃ ১০ ফোঁটা নিমের তেল পানের ওপর দিয়ে খেলে হাঁপানি ও কাশিতে আরাম পাওয়া যায়।

৯. হাত-পায়ের জ্বালাঃ নিমের পাতা বেটে হাতে ও পায়ে তেলের মতো লেপন করলে হাত-পায়ের জ্বালা উপশম হয়।

১০. বমিঃ যদি অনবরত বমি হয় তাহলে ২৫ গ্রাম পরিমাণ নিমের পাতা বেটে নিয়ে তাতে ৫/৬ দানা গোল মরিচ মিশিয়ে আধ কাপ জলে গুলে একবারে পান করতে দিন। বমি বন্ধ হয়ে যাবে।

১১. পায়োরিয়াঃ পায়োরিয়া বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া রোগেও নিমের তেল খুব উপকারী। নিয়মিত কিছুদিন নিমের তেল দিয়ে মাড়ি মালিশ করলে এ রোগ সেরে যায়।

১২. পোকা-মাকড়নাশকঃ শুকনো নিমের পাতা পুড়িয়ে ঘরে ধোঁয়া দিলে মশা, মাছি এবং অন্যান্য পোকা-মাকড় দুর হয়।

১৩. নাসা রোগঃ নাক দিয়ে রক্ত পড়লে বা নাসা রোগ হলে নিমের ছাল পানি দিয়ে বেটে গাঢ় প্রলেপ তৈরি করুন। এই  প্রলেপ মাথায় লাগালে নাসা রোগ সেরে যায়।

১৪. প্রদর রোগঃ গরুর দুধের সঙ্গে নিমের তেল মিশিয়ে পান করলে প্রদর রোগ ভাল হয়। এছাড়া নিমের বীজ পানিতে ভিজিয়ে বেটে পুটলি করে যোনির ওপর রাখলে যোনির ব্যাথা নিরাময় হয়।

১৫. হৃদরোগঃ হৃদরোগীদের নিম পাতার নির্যাস খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া ব্লাড প্রেসার এবং রক্তে ক্লোরেস্টোরলের পরিমাণ হ্রাস করে। রক্ত পাতলা করে, হার্টবিট কমায়।

অসময়ে চুল পাকা রোধ করুন প্রাকৃতিক চিকিৎসায়

একটি নির্দিষ্ট বয়সকালে সব মানুষেরই চুল পাকা শুরু হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে কম বয়সে আবার কারো কারো ক্ষেত্রে একটু বেশী বয়সে চুল পাকা শুরু হতে পারে এবং এটি কোন রোগ নয়। কিন্তু যে বয়সে চুল পাকার কথা তার আগেই কারো চুল পাকলে সেটা স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না। যেমন ২০, ২৫ কিংবা ৩০ বছর বয়সে চুল পাকাটা স্বাভাবিক চুল পাকা নয়, বরং এটি একটি রোগ। খুব সহজেই প্রাকৃতিক কিছু উপাদান সঠিক নিয়মে ব্যবহার করে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। আসুন তাহলে জেনে নিই এর উপায় :

Natural grey hair treatment

চিকিৎসাঃ
১) এক চামচ আমলকী চূর্ণ এক কাপ পানির সাথে মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক পূর্বে নিয়মিত খেলে অসময়ে চুল পাকা বন্ধ হয়। চেহারায় লাবণ্য ফিরে আসে। গলার স্বর বিশুদ্ধ ও মিষ্টি হয়। স্বরভঙ্গ থাকলে তা দুর হয়ে যায়।

২) শুকনো আমলকীর গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে তা মাথায় প্রলেপ দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই নিয়মে সপ্তাহে ২ দিন স্নানের পূর্বে কমপক্ষে তিন মাস লাগালে অসময়ে চুল পাকা রোধ করা সম্ভব।

৩) আমলকীর জলে নিয়মিত মাথা ধুলে অসময়ে চুল সাদা হওয়া বন্ধ হয়। ২৫ গ্রাম শুকনো আমলকী মোটা মোটা করে ভেঙ্গে নিয়ে ২৫০ গ্রাম পানিতে রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে হাত দিয়ে ভালো করে কচলিয়ে নিয়ে সমস্ত পানি একটা পরিস্কার কাপড়ে ছেঁকে নিন। তারপর থিতিয়ে গেলে ঐ পানি নিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে মালিশ করুন ঘষে লাগান। ১৫/২০ মিনিট পর সাধারন পানিতে মাথা ধুয়ে ফেলুন। চুল রুক্ষ্ম হলে সপ্তাহে একবার এবং চিকন চুল হলে সপ্তাহে ২ বার এভাবে আমলকীর জল মাথায় মালিশ করবেন। প্রয়োজনে দিন কয়েক রোজ ধুতে পারেন। এছাড়া চুল ধোয়ার নির্দিষ্ট দিনের পূর্বের দিন রাতে মাথায় আমলার তেল মালিশ করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।

শারীরিক সুস্থতার জন্য শাক-সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

খাওয়া-দাওয়ায় নিয়মিত শাক-সবজি আমাদের সুস্থতায় অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে সবুজ শাক-সবজি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সবুজ শাক-সবজিতে রয়েছে ভিটামিন সি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন,  লবণ, আঁশ, অ্যান্টি -অক্সিডেন্টসহ নানা উপাদান। আঁশযুক্ত শাক-সবজি পেট পরিস্কার রাখতে সাহায্য করে। যেমনঃ সবুজ শাক, বাধাকপি, লাউ, মিষ্টি কুমড়া,  ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। এছাড়াও সবুজ শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফোলাইট। ফোলাইট আমাদের শরীরে রক্তের ‘হোমোসিস্টেইন’ নামক অ্যামিনো অ্যাসিড স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে। ‘হোমোসিস্টেইন’ রক্তে অধিক মাত্রায়  থাকলে তা আমাদের নার্ভ সিস্টেমকে নষ্ট করতে পারে এমনকি মৃত্যুরও কারণ হতে পারে। ভিটামিন ই এবং ফোলাইট আমাদের নার্ভ সিস্টেমকে অধিক কর্মক্ষম এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক নিয়ম না মেনে শাক-সবজি রান্না করা হয়ে থাকে। এতে করে খাদ্যের পুষ্টিমান অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। আর এভাবে রান্না করা সবজির খাদ্যমান নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে শরীর যথাযথ পুষ্টি পায় না। এতে করে অর্থ, সময় আর শ্রমের অনেকটা অংশ যেমন নষ্ট হয় তেমনি শরীরও পুষ্টি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। সঠিক নিয়ম মেনে শাক-সবজি খাওয়া হলে তা শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বেশী ভুমিকা পালন করে। আসুন আজ জেনে নেওয়া যাক কি নিয়মে শাক-সবজি খেলে তার গুণাগুণ অক্ষুন্ন থাকবে।

vegetable2

  • তরকারির খোসা ও খোসার নীচে থাকে দেহের জন্য উপকারী মুল্যবান ভিটামিন ও খনিজ। এজন্য খোসাসহ সবজি রান্না করে খাওয়া উচিত।
  • সবজি কুটার আগে পুরোটাই ভালভাবে পানিতে ধুঁয়ে নিন। কখনোই সবজি কুটার পরে তা ধুতে যাবেন না।
  • কুটে নেওয়া সবজি কখনোই পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন না।
  • খুব বেশি কুচি কুচি করে বা পাতলা করে সবজি কাটা ঠিক নয়।
  • রান্না করবার অধিক সময় পূর্বে তরকারি কেটে রাখা ভাল নয়।
  • নিয়মিত বেশি পরিমাণ কাঁচা সবজির তৈরি স্যালাড খাবেন। পাতা জাতীয় কোন সবজি এবং সাথে কয়েকরকম সবজির মিশ্রণে তৈরী স্যলাড থেকে ভাল পুষ্টিমান পাওয়া যায়।
  • শাক-সবজি রান্নার সময় অবশ্যই তেল দিয়ে রান্না করতে হবে, শাক-সবজিতে থাকা ভিটামিন তেলের সাথে সহজেই দ্রবীভুত হতে পারে।
  • অধিক সময় ধরে শাক-সবজি রান্না করলে ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।

সঠিক নিয়ম মেনে নিয়মিত সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে কখনোই অতিরিক্ত ভিটামিন পিল খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং মহিলার উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন তালিকা

সচরাচর আমরা কোন মানুষের শারীরিক গড়ন দেখে তাকে মোটা বা রোগা বলে থাকি। স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান মতে কোন মানুষের সঠিক ওজন নির্ণায়ক  হল BMI (Body Mass Index)। BMI কি এবং এটা কিভাবে নির্ণয় করা হয়? আসুন জেনে নিই। কোন মানুষের ওজন কি.গ্রা. এ এবং উচ্চতা মিটারে নির্ণয় করার পর ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করলে যে ফলাফল আসবে তাহাই হল BMI (Body Mass Index)।

bmi-theory

আপনার BMI চেক করে নিন।


 

পুরুষ
উচ্চতা (ফুট) উচ্চতা (মিটার) আদর্শ ওজন
৪ ফুট ৬ ইঞ্চি ১.৩৫২৪ ২৮ – ৩৫ কেজি
৪ ফুট ৭ ইঞ্চি ১.৩৭৭৮ ৩০ – ৩৯ কেজি
৪ ফুট ৮ ইঞ্চি ১.৪০৩২ ৩৩ – ৪০ কেজি
৪ ফুট ৯ ইঞ্চি ১.৪২৮৬ ৩৫ – ৪৪ কেজি
৪ ফুট ১০ ইঞ্চি ১.৪৫৪ ৩৮ – ৪৬ কেজি
৪ ফুট ১১ ইঞ্চি ১.৪৭৯৪ ৪০ – ৫০ কেজি
৫ ফুট ০ ইঞ্চি ১.৫ ৪৩ – ৫৩ কেজি
৫ ফুট ১ ইঞ্চি ১.৫২৫৪ ৪৫ – ৫৫ কেজি
৫ ফুট ২ ইঞ্চি ১.৫৫০৮ ৪৮ – ৫৯ কেজি
৫ ফুট ৩ ইঞ্চি ১.৫৭৬২ ৫০ – ৬১ কেজি
৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ১.৬০১৬ ৫৩ – ৬৫ কেজি
৫ ফুট ৫ ইঞ্চি ১.৬২৭ ৫৫ – ৬৮ কেজি
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ১.৬৫২৪ ৫৮ – ৭০ কেজি
৫ ফুট ৭ ইঞ্চি ১.৬৭৭৮ ৬০ – ৭৪ কেজি
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি ১.৭০৩২ ৬৩ – ৭৬ কেজি
৫ ফুট ৯ ইঞ্চি ১.৭২৮৬ ৬৫ – ৮০ কেজি
৫ ফুট ১০ ইঞ্চি ১.৭৫৪ ৬৭ – ৮৩ কেজি
৫ ফুট ১১ ইঞ্চি ১.৭৭৯৪ ৭০ – ৮৫ কেজি
৬ ফুট ১.৮ ৭২ – ৮৯ কেজি
মহিলা
উচ্চতা (ফুট) উচ্চতা (মিটার) আদর্শ ওজন
৪ ফুট ৬ ইঞ্চি ১.৩৫২৪ ২৮ – ৩৫ কেজি
৪ ফুট ৭ ইঞ্চি ১.৩৭৭৮ ৩০ – ৩৭ কেজি
৪ ফুট ৮ ইঞ্চি ১.৪০৩২ ৩২ – ৪০ কেজি
৪ ফুট ৯ ইঞ্চি ১.৪২৮৬ ৩৫ – ৪২ কেজি
৪ ফুট ১০ ইঞ্চি ১.৪৫৪ ৩৬ – ৪৫ কেজি
৪ ফুট ১১ ইঞ্চি ১.৪৭৯৪ ৩৯ – ৪৭ কেজি
৫ ফুট ০ ইঞ্চি ১.৫ ৪০ – ৫০ কেজি
৫ ফুট ১ ইঞ্চি ১.৫২৫৪ ৪৩ – ৫২ কেজি
৫ ফুট ২ ইঞ্চি ১.৫৫০৮ ৪৫ – ৫৫ কেজি
৫ ফুট ৩ ইঞ্চি ১.৫৭৬২ ৪৭ – ৫৭ কেজি
৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ১.৬০১৬ ৪৯ – ৬০ কেজি
৫ ফুট ৫ ইঞ্চি ১.৬২৭ ৫১ – ৬২ কেজি
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ১.৬৫২৪ ৫৩ – ৬৫ কেজি
৫ ফুট ৭ ইঞ্চি ১.৬৭৭৮ ৫৫ – ৬৭ কেজি
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি ১.৭০৩২ ৫৭ – ৭০ কেজি
৫ ফুট ৯ ইঞ্চি ১.৭২৮৬ ৫৯ – ৭২ কেজি
৫ ফুট ১০ ইঞ্চি ১.৭৫৪ ৬১ – ৭৫ কেজি
৫ ফুট ১১ ইঞ্চি ১.৭৭৯৪ ৬৩ – ৭৭ কেজি
৬ ফুট ১.৮ ৬৫ – ৮০ কেজি