আমাদের কথা

সুস্থতাই স্বাভাবিক আর অসুস্থতা অস্বাভাবিক। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। প্রকৃতিতে যা কিছু স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন তার সবই মানুষের কল্যানের উদ্দেশ্যে। সৃষ্টির আদি থেকে এ পর্যন্ত মানুষ তথা সমস্ত প্রাণী-ই প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। আদিকাল থেকে সভ্যতার বর্তমান সময় পর্যন্ত মানুষ যতই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে পেরেছে ততই তার পক্ষে অধিক সুস্থ থাকা সম্ভব হয়েছে। আজ মানুষ নগর সভ্যতার প্রসার করতে গিয়ে প্রকৃতির প্রতি যে চরম রিরূপ আচরণ করছে তার ফলাফল হিসাবে ক্রমাগত ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। এক কথায় বলতে গেলে বলা যায় প্রকৃতি এবং জীবন এই দুটো একই সুত্রে গাঁথা। তাই আমাদের ভাল থাকা, সুস্থ থাকাটাও প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ শারীরিক রোগ-ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন যাপন করে আসতেছে। তখন মানুষের কাছে এত আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতিসমুহ ছিল না। প্রকৃতির মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানান গাছ-গাছড়া থেকে তৈরীকৃত ঔষধই ছিল একমা্ত্র ভরসা। তখন মানুষের আয়ুও ছিল অনেক। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রায় যোগ হতে শুরু করল একের পর এক নানান কৃত্রিম জীবনোপকরণ। প্রকৃতি আর মানুষের মাঝে দুরত্ব বাড়তে শুরু হল। আস্তে আস্তে মানুষের শরীরে নিত্য নতুন নানা রকম মনোদৈহিক অসুস্থতা বাসা বাঁধতে শুরু করল। চিকিৎসা বিজ্ঞান, দর্শন, পরিবেশ বিজ্ঞান, ধর্মীয় জ্ঞান সব মিলিয়ে মানুষ এখন এই পরম সত্যকে উপলব্ধি করতে সক্ষম হযেছে। তাই আজ পৃথিবীর সর্বোন্নত দেশসমুহেই বিজ্ঞানীরা প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতিসমুহের উপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে চলেছেন।

আমরা আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তেমনি সব তথ্য সমুহ আপনাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাইব এ তথ্যসমুহ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে যাতে সর্বাধিক মানুষ উপকৃত হতে পারে আর তাতেই আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবে আশা করি। আপনারাও আমাদের সাথে থাকুন, আমাদের লিখুন, মতামত দিন, শেয়ার করুন, তাতে আপনার, আমার, দেশের তথা জাতির কিছুটা হলেও কল্যান সম্ভব।

সতর্কীকরণ: এ সাইট থেকে কোন লেখা নকল করে অন্যত্র পোষ্ট করা সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ।

Comments are closed